ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের প্রভাবে রাজধানীর সড়কে গাড়ির চাপ কম

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৩:৩৯ পিএম, ২৫ অক্টোবর ২০২২

ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের প্রভাবে সোমবার (২৪ অক্টোবর) ভেররাত থেকে মঙ্গলবার (২৫ অক্টোবর) ভোর পর্যন্ত রাজধানীতে ভারী বর্ষণ হয়েছে। এতে রাজধানীর অনেক এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। ফলে মঙ্গলবার অনেকেই বাসা থেকে বের হয়নি। রাস্তাঘাটেও তেমন গাড়ির চাপ নেই।

মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে মহাখালী, তেজগাঁও সাত রাস্তা, কারওয়ান বাজার, ফার্মগেট, বাংলামোটর, শাহবাগ, কাকরাইল এলাকা ঘুরে কোথাও যানজট দেখা যায়নি। স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় রাস্তায় মানুষের চলাচলও ছিল কম। যাত্রীবাহী বাসগুলোতে ছিল না অতিরিক্ত চাপ। প্রায় প্রতিটি বাসে দুই-চারটি আসন ফাঁকা দেখা গেছে।

মিরপুর-সদরঘাট রুটে চলাচল করে বিহঙ্গ পরিবহন। শাহবাগে যাত্রীর অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে থাকা মকবুল হোসেন নামের এ পরিবহনের এক চালক বলেন, অন্যদিন গাড়ি দেখলেই যাত্রী দৌঁড়ে আসতো। দাঁড়িয়ে লোক নিতাম। কিন্তু আজ সকাল থেকে তেমন যাত্রী নেই। রাস্তাঘাট ফাঁকা লাগছে।

বাড়ি যাওয়ার জন্য শাহবাগে ঢাকা নগর পরিবহনের কাউন্টারে টিকিট কেটে দাঁড়িয়ে ছিলেন পরীবাগের বাসিন্দা জামাল উদ্দিন। তিনি বলেন, আজ রাস্তায় বের হয়ে মনে হচ্ছে সরকারি ছুটির দিন। রাস্তাঘাট ফাঁকা। এমন পরিবেশ ভালোই লাগছে।

তবে কাকরাইল মসজিদ মোড় এবং মৎস ভবন মোড়ে যানবাহনের কিছুটা চাপ দেখা গেছে। এ দুটি মোড় পার হতে ৮-১০ মিনিট করে যাত্রীবাহী বাস দাঁড়িয়ে থাকতে হয়েছে। ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে পুলিশের ছয় সদস্যকে মৎস ভবন মোড়ে দাঁয়িত্ব পালন করতে দেখা গেছে।

এছাড়া জলাবদ্ধতার কারণে উত্তরায় বিমানবন্দর এলাকা এবং গুলিস্তান-সদরঘাট রুটে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। এ দুটি সড়কে পানি মাড়িয়ে চলাচল করতে হয়েছে পথচারীদের। এর মধ্যে তাঁতীবাজার মোড় থেকে গুলিস্তান যাওয়ার লেনে পানির পরিমাণ বেশি ছিল।

গুলিস্তান থেকে বিক্রমপুর পরিবহনে মুন্সিগঞ্জে যাচ্ছিলেন যাত্রী সারোয়ার হাসান। বংশাল মোড়ে যানজটে আটকে থাকা অবস্থায় জাগো নিউজকে বলেন, মিরপুর থেকে গুলিস্তানে এসে বিক্রমপুর পরিবহনে উঠি। রাস্তায় তেমন যানজট পাইনি। কিন্তু গুলিস্তান থেকে বংশাল আসতেই ২৫ মিনিট লেগে গেছে।

এমএমএ/এমআইএইচএস/এএসএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।