শাহজালালে পাওয়ার ব্যাংকে মিললো ১১ সোনার বার, গ্রেফতার ১

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৬:১৪ পিএম, ০৬ অক্টোবর ২০২৩

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের যাত্রীদের সাহায্য করার আড়ালে সোনা চোরাচালানের সময় একজনকে গ্রেফতার করেছে বিমানবন্দর আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন)। রাজু নামের গ্রেফতার ব্যক্তি মিট অ্যান্ড গ্রিট সেবা প্রদানকারী বেসরকারি প্রতিষ্ঠান শুভেচ্ছার কর্মী।

এপিবিএন জানিয়েছে, পাওয়ার ব্যাংকে লুকিয়ে সোনার বার পাচারের চেষ্টা করছিলেন শুভেচ্ছার কর্মী মো. রাজু। শুক্রবার (৬ অক্টোবর) ১১ পিস সোনার বারসহ তাকে হাতেনাতে গ্রেফতার করা হয়।

জব্দ করা ১১টি সোনার বারের মোট ওজন এক কেজি ২৭৬ গ্রাম। যার আনুমানিক বাজারমূল্য এক কোটি ২২ লাখ টাকা।

বিমানবন্দর আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জিয়াউল হক বলেন, শুভেচ্ছার সিনিয়র কাস্টমার রিপ্রেজেনটেটিভ মো. রাজুর অযাচিত মুভমেন্ট এবং প্রশ্নবিদ্ধ আচরণে সন্দেহ হয় বিমানবন্দর আমর্ড পুলিশের গোয়েন্দা দলের। রাজুকে এক নম্বর লাগেজ বেল্টের কাছে টয়লেটে প্রবেশ করতে দেখা যায়। একই সঙ্গে সেখানে যাত্রীদের সঙ্গে কোনো কিছু বিনিময় করেন বলেও সন্দেহ করা হয়। পরে তাকে আটক করা হয়।

শাহজালালে পাওয়ার ব্যাংকে মিললো ১১ সোনার বার, গ্রেফতার ১

এরপর তাকে আর্মড পুলিশের অফিসে এনে জিজ্ঞাসাবাদ ও তল্লাশি করা হয়। তল্লাশি শেষে কালো রঙের পাওয়ার ব্যাংকের ভেতরে ১০টি এবং রাজুর পকেটে একটি সোনার বার পাওয়া যায়।

জিজ্ঞাসাবাদে রাজু জানান, দুবাই থেকে আসা যাত্রীর কাছ থেকে এসব সোনা বার নিয়েছেন তিনি। এর বিনিময়ে তাকে খুশি করে দেওয়া হবে বলে জানান পাচারকারীরা। সোনা পাচারকারী চক্রের সদস্যরা প্রথমে মোবাইল ফোনে রাজুর সঙ্গে যোগাযোগ করেন। কাজ শেষে তাকে পাওনা বুঝিয়ে খুশি করে দেওয়া হবে বলেও কথা দেন তারা।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জিয়াউল হক আরও বলেন, শুভেচ্ছা কর্মী রাজু লক্ষ্মীপুর জেলার চন্দ্রগঞ্জ থানার মজিবুর রহমানের ছেলে। তার বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনে বিমানবন্দর থানায় মামলা হয়েছে।

টিটি/কেএসআর/জেআইএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।