ঢাকা-১৪ আসনে সহিংসতা ও অনিয়মের কোনো স্থান নেই: তুলি
‘মায়ের ডাক’র সংগঠক ও ঢাকা-১৪ আসনের বিএনপির প্রার্থী সানজিদা ইসলাম তুলি বলেছেন, ‘জনগণের ভোটাধিকার রক্ষা ও একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করতে আমরা আইন মেনে প্রচারণা চালাবো। এ আসনে সহিংসতা ও অনিয়মের কোনো স্থান নেই।’
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট–২০২৬ উপলক্ষে বুধবার (২৮ জানুয়ারি) ঢাকা–১৪ আসনের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের অংশগ্রহণে নির্বাচনি ইশতেহার, আচরণবিধি প্রতিপালন এবং সুষ্ঠু ভোটগ্রহণ নিশ্চিতকরণ বিষয়ক এক মতবিনিময় সভায় এ কথা বলেন তিনি।
সহকারী রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত এ সভা মিরপুর কলেজ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। এতে সংশ্লিষ্ট আসনের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরা উপস্থিত থেকে নিজেদের মতামত তুলে ধরেন এবং অবাধ, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠানে পারস্পরিক সহযোগিতার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

সভায় ঢাকা–১৪ আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী প্রকৌশলী সানজিদা ইসলাম তুলি, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী ব্যারিস্টার মীর আহমদ বিন কাসেম (আরমান), স্বতন্ত্র ফুটবল প্রতীকের আবু বকর সিদ্দিক (সাজু) উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া অন্য দলের প্রার্থীরা সভায় অংশ নেন।
সভায় সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা প্রার্থীদের উদ্দেশ্যে নির্বাচনি আচরণবিধি মেনে চলা, প্রচারণায় শালীনতা বজায় রাখা, কালো টাকা ও পেশিশক্তির ব্যবহার পরিহার করা এবং ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেন। তিনি বলেন, ‘একটি স্বচ্ছ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন নিশ্চিত করতে সব প্রার্থীর সহযোগিতা অত্যন্ত জরুরি। আইন মেনে নির্বাচন পরিচালনায় প্রশাসন সর্বোচ্চ কঠোর থাকবে।’
প্রার্থীরা তাদের বক্তব্যে গণতন্ত্র, ভোটাধিকার ও জনগণের আস্থা রক্ষায় আচরণবিধি মেনে চলার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। বিশেষ করে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে প্রচারণা চালানো, প্রতিপক্ষের প্রতি সহনশীল আচরণ এবং ভোটারদের কাছে উন্নয়নমূলক ইশতেহার তুলে ধরার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
পুরো সভা অত্যন্ত আন্তরিক ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়। অংশগ্রহণকারী প্রার্থীদের মধ্যে সৌজন্য ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ লক্ষ্য করা যায়, যা নির্বাচনি সংস্কৃতির জন্য ইতিবাচক দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
নির্বাচন সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এ ধরনের মতবিনিময় সভা প্রার্থীদের মধ্যে সমন্বয় বাড়াবে এবং সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
এসইউজে/এমএএইচ/