ঢাকা-১৮ আসন

সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে ফলাফলের বিষয়ে সিদ্ধান্ত: আরিফ

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৪:০২ পিএম, ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
রাজধানী উত্তরার বিএনএস সেন্টারের সামনে জরুরি সংবাদ সম্মেলনে কথা বলেন এনসিপির প্রার্থী আরিফুল ইসলাম আদিব/ছবি-ইমদাদুল তুহিন

ঢাকা-১৮ আসনের বিভিন্ন ভোটকেন্দ্রে ভোট চলাকালে এজেন্ট বের করে দেওয়া, জাল ভোট, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও নারীদের হয়রানিসহ বিভিন্ন অভিযোগ তুলেছেন জামায়াত ইসলামী সমর্থিত ১১ দলীয় জোটের এনসিপির প্রার্থী আরিফুল ইসলাম আদিব।

ভোটের ফল মেনে নেবেন কি না এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি জানান, এই আসনের প্রত্যন্ত এলাকা থেকে ব্যালট আসা সাপেক্ষে ও সার্বিক বিষয় বিবেচনা করে ফলাফল মেনে নেওয়া কিংবা না মানার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন।

বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দুপুর আড়াইটার দিকে রাজধানী উত্তরার বিএনএস সেন্টারের সামনে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব অভিযোগ তোলেন।

আরিফুল ইসলাম বলেন, ভোটগ্রহণ শেষ না হওয়া এবং দূরবর্তী কেন্দ্রগুলো থেকে ব্যালট নিরাপদে কেন্দ্রে পৌঁছানো নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত ফলাফল মেনে নেওয়া বা না নেওয়ার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো সম্ভব নয়। সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেই এ বিষয়ে অবস্থান জানানো হবে।

সংবাদ সম্মেলনে আরিফুল ইসলাম জানান, বরুয়া আলাউদ্দিন দেওয়ান উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে তাদের এজেন্টদের জোরপূর্বক বের করে দেওয়া হয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, বিএনপি নেতা মোবারক হোসেনের নেতৃত্বে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় এজেন্টদের মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়া হয় এবং ক্যাম্পে হামলার ঘটনাও ঘটেছে বলে দাবি করেন তিনি।

তিনজনের ভোট আগেই দেওয়া হয়েছে এমন অভিযোগ করে ঢাকা-১৮ আসনের ১১ দলীয় জোটের প্রচার বিভাগের প্রধান কামরুল হাসান বলেন, মালেকাবানু স্কুল, ময়নারটেক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং সাদেক মাস্টার মডেল স্কুলে একাধিক ভোটার ভোট দিতে গিয়ে জানতে পারেন, তাদের ভোট আগেই কাস্ট হয়ে গেছে। অন্তত তিনজন ভোটার সরাসরি এসে এ বিষয়ে অভিযোগ করেছেন আমাদের কাছে।

৩৯ নম্বর ওয়ার্ডের বিমানবন্দর এলাকায় জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি সুজন আহমেদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের এবং তিনজন এজেন্টকে কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগও তোলেন তিনি। পরে সেনাবাহিনীর সহায়তায় দুজন এজেন্ট পুনরায় কেন্দ্রে প্রবেশ করতে পারলেও একজন এখনো প্রবেশ করতে পারেননি বলে জানান তিনি। এমন আরও নানা অভিযোগ তুলে ধরা হয় এনসিপির প্রার্থী আরিফুল ইসলামের পক্ষ থেকে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা প্রসঙ্গে আরিফুল ইসলাম বলেন, অভিযোগ জানালে সেনাবাহিনী তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিয়েছে এবং তাদের তৎপরতা চোখে পড়ার মতো। তবে ঢাকা-১৮ আসনের বিস্তৃত ভৌগোলিক এলাকা বিবেচনায় দূরবর্তী ও ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে দ্রুত অতিরিক্ত নিরাপত্তা জোরদারের দাবি জানান তিনি।

ভোটের ফলাফল প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হওয়ার পর সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত জানানো হবে।

ইএইচটি/এমআরএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।