মিশিগানে প্রাইমারি নির্বাচনে চার বাংলাদেশি

প্রবাস ডেস্ক প্রবাস ডেস্ক
প্রকাশিত: ১১:১৫ এএম, ০৪ আগস্ট ২০২০

আমেরিকার মিশিগান অঙ্গরাজ্যে আজ প্রাইমারি নির্বাচন। এতে বিভিন্ন পদে লড়ছেন চার বাংলাদেশি-আমেরিকান। এই নির্বাচন ঘিরে সেখানে এখন উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে।

কমিশনার পদে লড়ছেন কামরুল হাসান, হাউস অব রিপ্রেজেনটেটিভ পদে সাহাব আহমেদ (সুমিন), ওয়ারেন-ম্যাকম্ব আসনে প্রিসিংন্ট ডেলিগ্যাট পদে খাজা শাহাব আহমদ এবং হ্যামট্রাম্যাক সিটিতে প্রিসিংন্ট ডেলিগেট পদে মিনহাজ রাসেল চৌধুরী লড়ছেন। একই পদে একাধিক বাংলাদেশি প্রার্থী না থাকায় ভোট ভাগাভাগি হওয়ার সম্ভাবনা নেই।

মিশিগান স্টেট ওয়েন কাউন্টির ডিস্ট্রিক্ট ৩ থেকে কমিশনার পদে ডেমোক্রেটিক পার্টির দুজন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। কামরুল হাসান হ্যামট্রাম্যাক সিটির বর্তমান কাউন্সিলম্যান। তিনি এই পদে তিনবার নির্বাচিত হয়েছেন।

অঙ্গরাজ্যের হাউস অব রিপ্রেজেনটেটিভ পদে নির্বাচনে ডিস্ট্রিক্ট-৪ থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বাংলাদেশি আমেরিকান সাহাব আহমেদ (সুমিন)। সিলেটের দক্ষিণ সুরমা উপজেলার দাউদপুর তুরুকখলায় জন্ম নেয়া সাহাব আহমেদ অল্প বয়সে পরিবারের সঙ্গে আমেরিকায় যান। নিজের কর্মজীবন গড়ে তোলার পাশাপাশি নিজেকে রাজনীতিতে জড়িয়ে হয়ে উঠেছেন এক আলোচিত রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। ১৯৯৬ সাল থেকে তিনি রাজনৈতিক, রাষ্ট্রীয় ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত রেখেছেন সবসময়। মিশিগান রাজ্যের হ্যামট্রাম্যাক শহরে বিভিন্ন সময়ে আগত উদ্বাস্তুদের পুনর্বাসন ও মাল্টি-কালচারাল কো-অর্ডিনেটর হিসেবে তিনি বিভিন্ন জাতিসত্তার মধ্যে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান নিশ্চিত করেছেন।

মিশিগান অঙ্গরাজ্যের ম্যাকম্ব কাউন্টির কাউন্টি ডেলিগেট পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বাংলাদেশি-আমেরিকান খাজা শাহাব আহমদ। তিনি সিলেটের এমসি কলেজ এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তিনি ওয়ারেন সিটি ডেমোক্রেটিক পার্টির অফিশিয়াল ডাইভার্সিটি চেয়ারম্যান এবং মিশিগান বাংলাদেশি-আমেরিকান ডেমোক্রেটিক ককাসের স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান।

মিশিগান ডেমোক্রাটিক পার্টির ১৪তম কংগ্রেস ডিস্ট্রিকের ভাইস চেয়ার এবং যুক্তরাষ্ট্র বঙ্গবন্ধু পরিষদের কার্যকরী সদস্য মিনহাজ রাসেল চৌধুরী মিশিগান অঙ্গরাজ্যের হ্যামটরমিক সিটির ৫ নম্বর প্রিসিংন্টের ডেলিগেট হিসেবে নির্বাচন করছেন।

এনএফ/এমএস

প্রবাস জীবনের অভিজ্ঞতা, ভ্রমণ, গল্প-আড্ডা, আনন্দ-বেদনা, অনুভূতি, স্বদেশের স্মৃতিচারণ, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক লেখা পাঠাতে পারেন। ছবিসহ লেখা পাঠানোর ঠিকানা - [email protected]