সাইফউদ্দিনের ওভার নয়, সামিই শেষ করে দিয়েছে : আল-আমিন

মুনওয়ার আলম নির্ঝর
মুনওয়ার আলম নির্ঝর মুনওয়ার আলম নির্ঝর , স্পোর্টস রিপোর্টার চট্টগ্রাম থেকে
প্রকাশিত: ০১:৩২ পিএম, ২৫ নভেম্বর ২০১৭

সাইফউদ্দিনের ১ ওভারে ৩২ রানই কুমিল্লার হাত থেকে ম্যাচটা ছিটকে দেয়। রাজশাহী কিংসের অধিনায়ক ড্যারেন স্যামি এক ওভারেই নিলেন ৩২ রান। যে কারণে রাজশাহীর সংগ্রহ দাঁড়ায় ১৮৫ রান। শেষ পর্যন্ত ৩০ রানেই হারে কুমিল্লা। তবে সাইফউদ্দিনের এই এক ওভারের ৩২ রান দেয়াকে নয়, কুমিল্লার পেসার আল আমিন হোসেন দুষছেন মোহাম্মদ সামির বোলিংকেই। পাকিস্তানি এই পেসারের বলেই লণ্ডভণ্ড হয়ে যায় কুমিল্লার ইনিংস।

ম্যাচটা বলতে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের হাতেই ছিল। ব্যাটসম্যানরা ম্যাচটিকে জয়ের দিকেই নিয়ে যাচ্ছিলো; কিন্তু ১৫তম ওভারটিতে সব লণ্ডভণ্ড হয়ে যায়। ওভারটি করেন পাকিস্তানি মোহাম্মদ সামি। ওই ওভারটিতে সামি মাত্র ২ রান দিয়ে ৩টি উইকেট তুলে নেনে। মূলতঃ ওই ওভারেই কুমিল্লা ম্যাচ থেকে ছিটকে পড়ে।

সামির ওভারটিতেই দল ম্যাচ থেকে ছিটকে গেছে বলেও মনে করেন কুমিল্লার আল-আমিন। তার মতে, ‘আমার কাছে মনে হয় সামির ঐ ওভারটায় আমরা ম্যাচ থেকে ছিটকে যাই। ঐ ওভারটায় আমাদের তিনটা উইকেট পড়ে যায়। আমরা ম্যাচ থেকে ছিটকে পড়ি। এর আগ পর্যন্ত আমরা কিন্তু ম্যাচেই ছিলাম। আসলে একটা ওভারে (সাইফউদ্দিনের) ৩০-৩২ হতেই পারে। এটা পার্ট অব ক্রিকেট। ওদের যে বোলারগুলো ভাল করছে তাদের ইকোনমি ১০, ১১, ১২ করে। একমাত্র সামি ৪ ওভারে ৯ দিয়ে ৪ উইকেট পাইছে। আমার কাছে মনে হয় ওটাই পার্থক্যটা গড়ে দিয়েছে।’

সাইফুউদ্দিনের ওভারটি নিয়ে আল-আমীন বলেন, ‘এ রকম ওভার হলে, একটু মানসিকভাবে হতাশ হতে হয়। প্রথম বলে যদি ছয় অথবা চার মেরে দেয়। ওই ওভারে আসলে ফিরে আসাটা বেশ কঠিন। কোন ওভারের প্রথম বলে যদি কেউ ছক্কা অথবা চার খায় দেখবেন- মিনিমাম ১০-১২ হয়ে যায়। ও (সাইফউদ্দিন) কিন্তু লাস্ট ছয়টা ম্যাচ অসাধারণ বল করছে। একটা ম্যাচে এমন হতেই পারে। সামনের ম্যাচে ইনশাআল্লাহ ভালভাবে কামব্যাক করবে।’

ইমরুল কায়েসের আউটটি নিয়ে কিছুটা সংশয় প্রকাশ করলেও খুব বেশি কিছু বলেননি কুমিল্লার এই পেসার। তিনি বলেন, ‘আমরা ম্যাচ খেলেছি সাতটা আর জয় হচ্ছে পাঁচটা। আজকেও আমরা ম্যাচে ছিলাম। হয়তো বলতে পারেন, সামির একটা ওভার অথবা সাইফউদ্দিনের একটা ওভার ম্যাচের পার্থক্য গড়ে দিয়েছে। এছাড়াও আমাদের বিরুদ্ধে একটা বাজে সিদ্ধান্তও হয়েছে। এছাড়া পাওয়ার প্লেটাও আমরা ভালভাবে ব্যবহার করতে পারিনি। এর মধ্যে একটা বাজে আউট। ইমরুল কায়েস ভাই একজন ইনফর্ম ব্যাটসম্যান। এই আউটটাতেও আমরা ম্যাচ থেকে পিছিয়ে গেছি। এছাড়া সবকিছুই ভাল ছিল। আশা করি পরের ম্যাচগুলোতে ভালভাবে ফিরে আসবো।’

এমএএন/আইএইচএস/আরআইপি

আপনার মতামত লিখুন :