এবার শেষ বলে গিয়ে হার মোহামেডানের

বিশেষ সংবাদদাতা
বিশেষ সংবাদদাতা বিশেষ সংবাদদাতা
প্রকাশিত: ০৫:০৭ পিএম, ২২ মার্চ ২০১৯

শেরে বাংলায় আগের ম্যাচে ২৯৫ রানের পাহাড়সমান স্কোর নিয়েও শেষ রক্ষা হয়নি। লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জের কাছে ৪ উইকেটে হেরেছিল মোহামেডান। আজ পঞ্চম রাউন্ডে শেষ বলে গিয়ে হার সাদা-কালোদের।

শেখ জামালের বিপক্ষে বিকেএসপিতে ২৪০ রানের পুঁজি নিয়েই জয়ের সম্ভাবনা জাগিয়েছিল রকিবুল হাসানের মোহামেডান। শেষ বলে শেখ জামালের দরকার ছিল ৫ রানের। পেসার আলাউদ্দিন বাবুর বলে এনামুল হক ছক্কা হাঁকিয়ে দারুণ এক জয় উপহার দেন নুরুল হাসান সোহানের দলকে। শেখ জামাল জিতে যায় ২ উইকেটে।

১৭ বলে ২টি চার আর ১টি ছক্কায় ২৮ রানে অপরাজিত থাকেন এনামুল। অনেকেই শেখ জামালের আজকের জয়ের অন্যতম এই রূপকার জাতীয় দলের সাবেক বাঁহাতি স্পিনার এনামুল জুনিয়র বলে ভাবতে পারেন। সেই এনামুল জুনিয়র হচ্ছেন সিলেটের। আর এই এনামুল খুলনার। মূলতঃ ডানহাতি অফস্পিনিং অলরাউন্ডার তিনি।

ওঠা নামার মধ্য দিয়ে এগিয়ে চলা টানটান উত্তেজনার এই ম্যাচে শেষ ওভারে শেখ জামালের দরকার ছিল ১২ রানের। হাতে ছিল ৩ উইকেট। আলাউদ্দিন বাবুর প্রথম পাঁচ বলে ওঠে ৭ রান। এর মধ্যে তৃতীয় বলে জাতীয় দলের বাঁহাতি স্পিনার তাইজুল রানআউটও হয়ে যান। কিন্তু শেষ বলে স্ট্রাইক পাওয়া এনামুল ছক্কা হাঁকিয়ে ধানমন্ডির দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন।

টস জিতে ব্যাট করতে নামা মোহামেডান ইনিংসের ৫ বল বাকি থাকতে অলআউট হয়েছিল ২৪০ রানে। ওপেনার আবদুল মজিদ ৫২ (৯০ বলে) আর মিডল অর্ডারে মোহাম্মদ আশরাফুল (৭৪ বলে ৪৪) ও চতুরঙ্গ ডি সিলভা (৩৯ বলে ৪৯) রান পেলেও দলের পুঁজিকে লড়াকু সংগ্রহ পর্যন্ত নিয়ে যেতে পারেননি। সোহাগ গাজীও করেন ২৪ বলে ৩২ রান।

শেখ জামালের পক্ষে বল হাতে সবচেয়ে সফল ছিলেন সালাউদ্দিন শাকিল। ৪১ রান খরচায় তিনি নেন ৩টি উইকেট। ২ উইকেট শিকার আসেলা গুনারত্নের।

জবাব দিতে নেমে একটা সময় সহজ জয়ের পথই দেখছিল শেখ জামাল। ওপেনার ইমতিয়াজ হোসেনের ৭৪ রানের সঙ্গে তানবীর হায়দার (৩৯), নাসির হোসেন (২৫), নুরুল হাসানদের (৩২) ব্যাটে ৪ উইকেটেই ২০৪ রান তুলে ফেলেছিল দলটি।

কিন্তু নুরুল হাসান আউট হওয়ার পরই আরও কয়েকটি উইকেট হারিয়ে কিছুটা খেই হারিয়ে ফেলে শেখ জামাল। পরের সময়টায় এনামুল হক দায়িত্ব নিয়ে শেষ না করলে হাসিটা মোহামেডানেরও হতে পারতো!

মোহামেডানের সোহাগ গাজী ৪৩ রান দিয়ে নিয়েছেন ৩টি উইকেট। ২টি উইকেট চতুরঙ্গ ডি সিলভার।

এআরবি/এমএমআর/এমকেএইচ

আপনার মতামত লিখুন :