নাইম শেখ আর মোসাদ্দেক সৈকত নেই যে কারণে

বিশেষ সংবাদদাতা
বিশেষ সংবাদদাতা বিশেষ সংবাদদাতা
প্রকাশিত: ০৯:১০ পিএম, ১৬ জানুয়ারি ২০২১

করোনায় আন্তর্জাতিক ক্রিকেট বন্ধ হবার আগে টিম বাংলাদেশ যে সিরিজটি খেলেছিল, সেই ২০২০ সালের ৬ মার্চ সিলেটে জিম্বাবুয়ের সাথে শেষ ওয়ানডে ম্যাচটি খেলেছিলেন নাইম শেখ। তবে ব্যাটিং করতে পারেননি।

কি করে পাবেন? ওই ম্যাচের দুই ওপেনার তামিম ইকবাল (১২৮) আর লিটন দাসের ( ১৭৬) জোড়া সেঞ্চুরি করাসহ খেলে ফেলেছিলেন ৪০.৫ ওভার। তাদের প্রথম উইকেটে তোলা ২৯২ রানের রেকর্ড বাংলাদেশের প্রথম উইকেট জুটিতে তো বটেই, যে কোন উইকেটেও সবচেয়ে বেশি রানের পার্টনারশিপও। তাই ওই ম্যাচে একাদশে থাকার পরও ব্যাটিংয়ের সুযোগ পাননি নাইম শেখ।

৯ মাস পর এবার ঘরের মাঠে প্রথম ওয়ানডে সিরিজে ১৮ জনের দলেই নেই বাঁ-হাতি নাইম। অথচ ১৪ জানুয়ারি ও আজ শনিবার বিকেএসপিতে যে দুটি ওয়ানডে হয়েছে, তার প্রতিটায় রান করেছেন তিনি। প্রথম দিন ৪৩ করা নাইমের ব্যাট থেকে আজ এসেছে হাফ সেঞ্চুরি (৫১)। তারপরও বিবেচনায় আসেননি এ বাঁ-হাতি ওপেনার।

নাইম শেখ একা নন, মাঝে ওয়ানডে দলের প্রায় নিয়মিত সদস্য বনে যাওয়া মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতও নেই এবার। কেন? প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদিন নান্নু আজ শনিবার সন্ধ্যায় নাইম শেখ আর মোসাদ্দেক সৈকতকে দলে না রাখার কারণ ব্যাখ্যা করেন।

জাগো নিউজকে তিনি বলেন, ‘আসলে তামিম আর লিটন একদম সু-প্রতিষ্ঠিত উদ্বোধনী জুটি। এ কারণে আমরা নাইমকে আর রাখিনি। তাই বলে সে বাদ নয়। নাইম অবশ্যই আমাদের বিবেচনায় আছে। তার কথা আমাদের মাথায় আছে। তাকে টি টোয়েন্টি’তে বিবেচনা করি আমরা।’

অন্যদিকে মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতের বদলে আফিফ হোসেন ধ্রুবকে নেয়ার কারণ ব্যাখ্যা করে নান্নু বলেন, ‘আসলে বর্তমান ফর্ম ধরলে সৈকতের চেয়ে আফিফ অনেক এগিয়ে। মোসাদ্দেকের চেয়ে সাম্প্রতিক সময় ঘরোয়া ক্রিকেটে আফিফ অনেক স্বচ্ছন্দ ও সাবলীল। ফর্মটাও বেশ ভাল। আর সবচেয়ে বড় কথা আফিফের শরীরি ভাষাটাও আমাদের কাছে অনেক পজিটিভ মনে হয়েছে। তাই আমরা আফিফকেই বেছে নিয়েছি।’

এআরবি/আইএইচএস/জিকেএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।