শাহাদাতের হাঁটুতে অস্ত্রোপচার লাগবে
সুযোগ পেয়েছিলেন রুবেল হোসেনের অনুপস্থিতিতে। মাত্র দুই বল করেই ছিটকে যেতে হল শাহাদাত হোসেনকে। মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বুধবার দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টের প্রথম ওভারেই চোট পান এই ডান-হাতি পেসার।
প্রথম বলে অফ-স্টাম্পের বাইরে ফেলে সুইং করান। দ্বিতীয় বলেই চার মেরে দেন মোহাম্মদ হাফিজ। তৃতীয় বল আর করা হয়নি তার। চোট পাওয়ার পর ফিজিও তাকে নিয়ে অনেকটা সময় পার করলেও তার আর বোলিংয়ে ফেরা হয়নি। প্রথম ওভারের পরের চার বল করে শাহাদাতের অসম্পূর্ণ ওভার শেষ করেন সৌম্য সরকার।
বুধবার বিকেলে তার এমআরআই করানো হয়েছে। বিসিবি সূত্রে জানা গেছে, ডানহাতি এ পেসারের হাঁটুর লিগামেন্ট ছিঁড়ে গেছে, মিনিসকাস ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আগামী তিন-চার দিনের মধ্যে বিসিবি সিদ্ধান্ত নেবে, কোথায় তার চিকিৎসা করানো হবে। জানা গেছে, এ ধরনের চোট থেকে সুস্থ হওয়ার জন্য সাধারণত অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হয়। শুধু মিনিসকাসে সমস্যা হওয়ায় বিশ্বকাপের আগে তামিম ইকবালের হাঁটুতে অস্ত্রোপচার করানো হয়েছিল। তারও অস্ত্রোপচার লাগবে।
বিপত্তির শুরু দিনের প্রথম বলেই। ডেলিভারিটি দিতে সক্ষম হলেও শরীরের ওপর নিয়ন্ত্রণ রাখতে পারেননি শাহাদাত হোসেন রাজীব। ডানহাতি এ পেসার হুড়মুড় করে মাটিতে পড়ে গিয়েছিলেন। পরের বলটি করলেও অস্বস্তি দূর হয়নি তার। মাঠে ফিজিও আসেন এবং তাকে মাঠের বাইরে নিয়ে যান।
ঘণ্টা দেড়েক পর মাঠেও ফিরেছিলেন ডানহাতি এ পেসার। শুধু মাঠে ফেরা নয়, মিড উইকেটে বেশ খানিকটা দৌড়ে যেভাবে সামি আসলামের ক্যাচটি ধরেন তা দেখে মনে হয়েছিল চোট কাবু করতে পারেনি তাকে। আসল বিপত্তিটা ঘটে যখন মাঠে খেলা ছিল না তখন, মধ্যাহ্নবিরতির সময়। বোলিং প্র্যাকটিস করতে গিয়ে ধপাস করে মাটিতে পড়ে যান শাহাদাত। মচকে যায় তার হাঁটু। স্ট্রেচারে করে ড্রেসিংরুমে নিতে হয় তাকে। এ টেস্ট তো দূরের কথা, মাসখানেকের মধ্যে মাঠে ফিরতে পারবেন কি-না সেটা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে।
এআরএস/পিআর