ইতিহাস গড়তে গিয়ে ‘হেনস্তা’ হয়ে ফিরছেন জকোভিচ

স্পোর্টস ডেস্ক
স্পোর্টস ডেস্ক স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৩:২৫ পিএম, ১৬ জানুয়ারি ২০২২

রজার ফেদেরার ও রাফায়েল নাদালকে ছুঁয়েছেন আগেই। এবারের অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে নোভাক জকোভিচের সামনে সুযোগ ছিল ২১তম গ্র্যান্ড স্লাম জিতে ইতিহাসের সর্বোচ্চ শিরোপা জেতা টেনিস খেলোয়াড় হওয়ার। সে লক্ষ্যেই অস্ট্রেলিয়া গিয়েছিলেন তিনি।

কিন্তু অস্ট্রেলিয়ান ওপেন দিয়ে ইতিহাস গড়া হচ্ছে না জকোভিচের। তা হবে কী করে? টেনিস কোর্টেই যে নামতে পারবেন না তিনি। ইতিহাস গড়ার মিশনে অস্ট্রেলিয়া গিয়ে রীতিমতো হেনস্তা হয়ে খালি হাতেই দেশে ফিরতে হচ্ছে সার্বিয়ান তারকাকে।

করোনাভাইরাসজনিত সতর্কতার কারণে দুইবার বাতিল করা হয়েছে জকোভিচের ভিসা। প্রথমবার আপিল করে নিজের ভিসা ফিরে পেয়েছেন তিনি। কিন্তু শুক্রবার দ্বিতীয়বারের মতো ভিসা বাতিলের পর আপিল করেও জিততে পারেননি জকোভিচ।

আজ (রোববার) অস্ট্রেলিয়ার উচ্চ আদালত জকোভিচের ভিসা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্তুই বাতিল রেখেছে। পাশাপাশি তাকে যত দ্রুত সম্ভব অস্ট্রেলিয়া ত্যাগের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। অন্যথায় যতদিন অস্ট্রেলিয়ায় থাকবেন তিনি, অভিবাসন আটক কেন্দ্রে থাকতে হবে।

শুক্রবার অস্ট্রেলিয়ার অভিবাসন বিষয়ক মন্ত্রী অ্যালেক্স হক নিজের সর্বোচ্চ ক্ষমতার প্রয়োগ ঘটিয়ে দ্বিতীয়বার বাতিল করে দেন জকোভিচের ভিসা। এর পেছনে তিনি কারণ হিসেবে বলেন, করোনার টিকা না নেওয়ার জকোভিচের উপস্থিতি অস্ট্রেলিয়ার নাগরিকদের স্বাস্থ্যের জন্য চরম হুমকির কারণ।

অ্যালেক্স হকের এমন কারণ দেখানোর পর সেটি আর বদলাতে পারেনি আদালত। মূলত জনগণের স্বাস্থ্য নিরাপত্তার কথা ভেবেই চূড়ান্তভাবে তুলে নেওয়া হলো জকোভিচের ভিসা। শুধু তাই নয়, অস্ট্রেলিয়ার নিয়মানুযায়ী আগামী তিন বছর আর দেশটির ভিসা পাবেন না জকোভিচ।

তবে তিন বছরের এই ভিসা নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে আপিলের সুযোগ অবশ্য থাকছে জকোভিচের সামনে। তা থাকলেও আপাতত ভগ্ন মনোরথেই অস্ট্রেলিয়া ত্যাগ করতে হবে। নয়তো অস্ট্রেলিয়ায় থাকতে চাইলেও, তাকে বন্দী থাকতে হবে অভিবাসন আটক কেন্দ্রে।

এসএএস/জেআইএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]