‘যতদিন কেউ আমাকে টপকাতে না পারবে ততদিন খেলে যাবো’

রফিকুল ইসলাম
রফিকুল ইসলাম রফিকুল ইসলাম , বিশেষ সংবাদদাতা
প্রকাশিত: ০৮:২৮ পিএম, ২৮ আগস্ট ২০২৩

এশিয়ান গেমসের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন দেশসেরা নারী ভারোত্তোলক মাবিয়া আক্তার সীমান্ত। পরপর দুটি সাউথ এশিয়ান (এসএ) গেমসে স্বর্ণজয়ী মাবিয়ার লক্ষ্য আগের এশিয়ান গেমসের চেয়ে ভালো করা। এটি তার দ্বিতীয় এশিয়ান গেমসে। গত আসরে ষষ্ঠ হয়েছিলেন। এবার তার চেয়েও ভালো করতে চান।

দেশে অন্য কেউ তাকে টপকাতে না যাওয়া পর্যন্ত খেলাও চালিয়ে যেতে চান এ তারকা ভারোত্তোলক। এশিয়ান গেমসের প্রস্তুতি, লক্ষ্য এবং নিজের ক্যারিয়ার নিয়ে কথা বলেছেন মাবিয়া আক্তার সীমান্ত।

জাগো নিউজ: কেমন আছেন? আপনার এশিয়ান গেমসের প্রস্তুতি কেমন চলছে?
মাবিয়া আক্তার সীমান্ত: আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি। সামনে এশিয়ান গেমস। প্রস্তুতি ভালোই চলছে।

জাগো নিউজ: এবারের এশিয়ান গেমসে আপনার লক্ষ্য কি?
মাবিয়া আক্তার সীমান্ত: এটা তো সত্য যে, পদক জেতা কঠিন। তবে আমি চাই আগের আসরের চেয়ে ভালো করতে। আগের আসরে ষষ্ঠ হয়েছিলাম। এবার চোখ থাকবে পাঁচে। সেটা না পারলে যেন ১০ এর মধ্যে থাকতে পারি।

জাগো নিউজ: আর কতদিন ঘরোয়া ভারোত্তোলন চালিয়ে যাবেন?
মাবিয়া আক্তার সীমান্ত: এখনো আমার ইভেন্টে আমি সেরা। যতদিন আমাকে কেউ টপকাতে না পারবে, অর্থাৎ আমিই টপে থাকবো ততদিন পর্যন্ত খেলা চালিয়ে যাবো।

জাগো নিউজ: একদিন তো খেলা ছাড়তেই হবে। তখন কী করবেন বলে ঠিক করেছেন?
মাবিয়া আক্তার সীমান্ত: যে দায়িত্বেই থাকিনা কেন, আমি ভারোত্তোলনের সঙ্গেই থাকবো।

জাগো নিউজ: সেটা কি সংগঠক হিসেবে নাকি কোচ হিসেবে?
মাবিয়া আক্তার সীমান্ত: যদি সম্ভব হয় ফেডারেশনে থেকে কাজ করার, তাহলে করবো। না হলে কোচিং পেশায় যোগ দিয়ে ভারোত্তোলনের সঙ্গে থাকবো।

জাগো নিউজ: আপনি বাংলাদেশের প্রথম নারী ভারোত্তোলক হিসেবে সাউথ এশিয়ান গেমসে স্বর্ণ জিতেছেন। তাও দুটি। কোন স্বর্ণ জয়ের স্মৃতিটা আপনাকে বেশি আনন্দ দেয়?
মাবিয়া আক্তার সীমান্ত: অবশ্যই ২০১৬ এসএ গেমসের স্বর্ণটি। কারণ, সেটি ছিল আমার প্রথম। দেশের জন্য স্বর্ণজয়ের পর আমি কেঁদেছিলাম। আর হাসিয়েছিলাম দেশের মানুষকে।

জাগো নিউজ: ধন্যবাদ।
মাবিয়া আক্তার সীমান্ত: আপনাকেও ধন্যবাদ।

আরআই/এমএমআর/এমএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।