ক্ষতিগ্রস্ত ধান খেত পরিদর্শনে হাবিপ্রবি’র প্রতিনিধি দল


প্রকাশিত: ১২:৫১ পিএম, ১৮ মে ২০১৭

হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (হাবিপ্রবি)-এর ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মু. আবুল কাসেম-এর নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি প্রতিনিধি দল বিরল উপজেলার তেতুলতলা গ্রামের ক্ষতিগ্রস্ত প্রায় ২০ একর ধান খেত পরিদর্শন করেন।

সরেজমিন পরিদর্শন ও এলাকার ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায় ক্ষতিগ্রস্ত ধান খেতের পাশেই অবস্থিত একটি ইটভাটা দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর গত ২১ এপ্রিল ২০১৭ তারিখে চালু করা হয়।

ভাটাটি চালু হওয়ার রাতে ইটভাটার চিমনি থেকে বিকট শব্দ হয়ে এক প্রকার দুর্গন্ধযুক্ত গ্যাস নির্গত হয়। পরদিন ওই এলাকার কৃষকরা ধান খেতে গেলে দেখতে পান তাদের খেতের ধানের সদ্য বের হওয়া শীষ দ্রুত বিবর্ণ হয়ে যায় এবং পরবর্তীতে সম্পূর্ণ চিটাতে পরিণত হয়।

এ ব্যাপারে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা উপজেলা প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করলে উপজেলা প্রশাসন ইটভাটাটি সাময়িক বন্ধ করে দেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মু. আবুল কাসেম ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সমবেদনা জানিয়ে বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত ধান খেতের খবর পেয়ে আমরা ছুটে এসেছি।

তিনি আরও বলেন, কৃষির ওপর ভিত্তি করেই হাবিপ্রবি গড়ে উঠেছে। আমরা চাই এ এলাকার কৃষি এবং কৃষকের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের থাকুক নিবিড় সম্পর্ক। কৃষকের সমস্য নিয়ে আমরা গবেষণা করতে চাই এবং সমস্যা সমাধানের জন্য যথোপযুক্ত কৃষি প্রযুক্তি উদ্ভাবন করে আপনাদের দোর গোড়ায় পৌঁছে দিতে চাই। এ ব্যাপারে আমরা আপনাদের সহযোগিতা কামনা করি।

আমরা ক্ষতিগ্রস্ত ধানের নমুনা সংগ্রহ করলাম, এটা গবেষণাগারে পরীক্ষা করে দেখা হবে এবং এর সঠিক কারণ নির্ণয় করে আপনাদের জানানো হবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি।

প্রতিনিধি দলের বিশেষ সদস্য হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হাবিপ্রবি’র উদ্ভিদ রোগতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক, প্রফেসর ড. মো. মামুনুর রশীদ এবং ফসল শারীরতত্ত্ব ও পরিবেশ বিভাগের অধ্যাপক, প্রফেসর ড. শ্রীপতি সিকদার।

এমদাদুল হক মিলন/এএম/পিআর

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।