রাজশাহীর তিন আসনের প্রার্থীদের হলফনামায় যত সম্পদ

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি রাজশাহী
প্রকাশিত: ০৫:২৪ পিএম, ০৩ জানুয়ারি ২০২৬

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজশাহীর ৬টি আসনের এমপি প্রার্থীদের হলফনামায় দেওয়া তথ্যে ব্যাপক গড়মিল পাওয়া গেছে। কোনো কোনো প্রার্থীর স্ত্রীর আয়ের উৎস না থাকলেও কোটিপতি। আবার কেউ মূল্যবান জমি ও স্বর্ণের অস্বাভাবিক কম দাম দেখিয়েছেন।

রাজশাহী-১ (গোদাগাড়ী-তানোর)

এই আসনে বিএনপি মনোনীতপ্রার্থী মেজর জেনারেল (অব.) শরীফ উদ্দীন খালেদা জিয়ার সামরিক সচিব ছিলেন। তার শিক্ষাগতযোগ্যতা স্নাতক।

হলফনামায় দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, তার বিরুদ্ধে কোনো রাজনৈতিক মামলা নেই। বর্তমান পেশা ব্যবসা। তার হতে নগদ আছে ২১ লাখ ৮৩ হাজার ৭২৫ টাকা। এছাড়া, এবি ব্যাংকে ৫ লাখ ৩২ হাজার টাকা, সোনালী ব্যাংকে ১০ লাখ ৭৯ হাজার টাকা, স্ট্যান্ডার্ড চাটার্ড ব্যাংকে ৩০ হাজার টাকা এবং ট্রাস্ট ব্যাংকে ৩০ লাখ ১৮ হাজার টাকা। ব্যবসায় বিনিয়োগ করেছেন ১৪ লাখ ৭ হাজার। স্থায়ী আমানত আছে ৩০ লাখ টাকা। আর সাড়ে ১৩ লাখ টাকার গাড়ি রয়েছে। তিনি বিয়ের সময় অর্জন করেছেন ১৮ লাখ ৬৫ হাজার টাকা স্বর্ণ। তবে পরিমাণ উল্লেখ করেননি।

তথ্য অনুযায়ী, তিনি ৪০ কোটি ২৪ লাখ ৬৪ হাজার টাকার অস্থাবর সম্পদের মালিক। ঢাকার মীরপুরে থাকা ১০ কাঠা জমির মূল্য দেখিয়েছেন ৪০ লাখ টাকা। আরও আছে মীরপুরে ৪ কাঠার বাড়ির, যার মূল্য (অর্জনকালীন) সাড়ে ৪ লাখ টাকা, বনানীতে ৩ কাঠার বাড়ির মূল্য ২৫ লাখ টাকা এবং মীরপুরে তিন কাঠার বাড়ির (অর্জনকালীন) মূল্য ২৫ লাখ টাকা। সবমিলিয়ে তিনি বর্তমানে ২ কোটি ১৯ লাখ টাকার স্থাবর সম্পদের মালিক। এছাড়া শরীফ উদ্দিনের স্ত্রী পেশায় গৃহিনী হলেও হাতে আছে নগদ ১২ হাজার ৪৭৫ টাকা। এবি ব্যাংকে জমা আছে ২ লাখ ৮৮ হাজার টাকা। বিনিয়োগ করেছেন ২৮ লাখ টাকা। আয়ের কোনো উৎস না থাকলেও স্থায়ী আমানত আছে ৪০ লাখ টাকা। স্ত্রী হেলালুন নাহার বিয়ের সময় উপহার হিসেবে পেয়েছেন ৮৮ ভরি স্বর্ণ।

উত্তরাধিকারসূত্রে পেয়েছেন ৫ লাখ ৮০ হাজার টাকা। সবমিলিয়ে শরীফ উদ্দিনের স্ত্রী এক কোটি ১৫ লাখ ২২ হাজার টাকার অস্থাবর সম্পদের মালিক। সর্বশেষ আয়কর রিটানের্র অনুযায়ী, শরীফ উদ্দিনের সম্পদের পরিমাণ দুই কোটি ৬৮ লাখ ২৭ হাজার টাকা।

এই আসনে জামায়াতের প্রার্থী দলের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির মুজিবুর রহমান। তার নামে রয়েছে ২৯টি রাজনৈতিক মামলা।

হলফনামা তিন পেশা হিসেবে উল্লেখ করেছেন রাজনীতি ও বই লেখা। তার নামে ব্যাংকে জমা আছে ৮ হাজার ৯১৯ টাকা। পেশা থেকে বছরে আয় ৪ লাখ ৭০ হাজার ৪৮৮ টাকা। রয়্যালটি পান এক লাখ ২৩ হাজার ২৭৭ টাকা। নগদ টাকা আছে ৩১ লাখ ৭৭ হাজার ৩৬১ টাকা। গৃহিনী স্ত্রীর কাছে নগদ আছে দেড় লাখ টাকা। নিজের নামে ইসলামী ব্যাংকে জমা আছে ৩ লাখ ৩৯ হাজার ৯৭২ টাকা। তার স্ত্রীর আছে ১০ ভরি স্বর্ণ। সব মিলিয়ে তার সম্পদের মূল্য ৩৬ লাখ ৩২ হাজার ৩৩৩ টাকা। আর গৃহিনী স্ত্রীর মোট সম্পদ আছে আড়াই লাখ টাকার।

২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে আয়কর রিটার্ন অনুযায়ী তার বাৎসরিক আয় ৬ লাখ ২ হাজার ৬৮৪ টাকা। আর স্ত্রীর আয় দুই লাখ টাকা।

এই আসনে গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মির শাহজাহান অবসরপ্রাপ্ত নির্বাচন কর্মকর্তা। ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে দেওয়া আয়কর রিটার্ন অনুযায়ী তার সম্পদের পরিমাণ এক কোটি ২২ লাখ ৯১ হাজার ৭১১ হাজার। স্ত্রী গৃহিনী। তার নামে আছে ২৩ লাখ টাকার কার এবং ৫ ভরি স্বর্ণ। তবে ৫ ভরি স্বর্ণের দাম (অর্জনকালীন) দেখানো হয়েছে ৩০ হাজার টাকা।

রাজশাহী-২ (সদর)

এই আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মিজানুর রহমান মিনুর শিক্ষাগতযোগ্যতা বি.কম। তিনি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা। মিনু টানা ১৭ বছর সিটি মেয়র ছিলেন। মিনু ১৮টি রাজনৈতিক মামলার আসামি ছিলেন। এরমধ্যে ৬টি মামলা বর্তমানে বিচারাধীন। আর আটটি মামলা এরইমধ্যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে প্রত্যাহার করা হয়েছে। বাকিগুলো খালাস পেয়েছেন। মিনুর পেশা ব্যবসা। তিনি কৃষিখাত থেকে বছরে আয় করেন দেড় লাখ টাকা। আর বাড়ি ভাড়া পান ৪ লাখ ৫ হাজার টাকা। মিনুর হাতে আছে নগদ ১১ লাখ ৭১ হাজার টাকা।

শিক্ষক স্ত্রী সালমা শাহাদতের কাছে আছে নগদ সাড়ে ৫৩ লাখ টাকা। মিনুর নিজের আছে ১০০ ভরি স্বর্ণ। যার (অর্জনকালীন) মূল্য দেখিয়েছেন এক লাখ ৭২ হাজার টাকা। স্ত্রীর নামে আছে ৫০ ভরি। তার (অর্জনকালীন) মূল্য দেখানো হয়েছে আড়াই লাখ টাকা। মিনু নিজের নামে থাকা ৫টি ফ্ল্যাটের মূল্য (অর্জনকালীন) দেখিয়েছেন ৪২ হাজার ৬০০ টাকা। মিনুর স্ত্রীর নামে থাকা চারতলা বাড়ির মূল্য (অর্জনকালীন) ৮২ লাখ ১৩ হাজার। সর্বশেষ আয়কর রিটার্নে মিনুর আয়ের পরিমাণ ৮ লাখ ৩২ হাজার। আর মোট সম্পদের পরিমাণ ৯৬ লাখ ৬২ হাজার টাকা। তবে মিনুর স্ত্রী কোটিপতি। স্ত্রী সালমা তার মোট সম্পদের পরিমাণ এক কোটি ৫৯ লাখ ৪১ হাজার টাকা। সর্বশেষ আয়কর রিটার্নে বার্ষিক আয় দেখিয়েছেন ১৩ লাখ ৩৩ হাজার টাকা।

এই আসনে হঠাৎ করে প্রার্থী হয়ে আলোচনায় এসেছেন আমানা গ্রুপের চেয়ারম্যান ফজলুল করিম। তিনি ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী আর্বিভূত হয়েছেন। ফজলুল করিমের ব্যবসা পেশা থেকে বার্ষিক আয় সাড়ে ৪ লাখ টাকা। সম্মানী হিসেবে তিনি বছরে পান ৭৯ লাখ ৩৪ হাজার টাকা।

হলফনামায় দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ফজলুল করিমের হাতে নগদ আছে ১৫ লাখ ৭ হাজার টাকা। আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমা আছে দুই কোটি ৬১ লাখ ২৬ হাজার টাকা। আমানা গ্রুপ ও এর বিভিন্ন সহযোগী প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগ করেছেন এক কোটি ৪৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা। স্থায়ী আমানত রয়েছে ২০ লাখ টাকা। বিভিন্ন অনুষ্ঠান থেকে তিনি পেয়েছেন ২০ ভরি স্বর্ণ। তার দুই স্ত্রীই গৃহিনী। তবে স্ত্রীরা বিভিন্ন অনুষ্ঠান থেকে পেয়েছেন ৩০ ভরি স্বর্ণ। আছে ৫ লাখ টাকা মূল্যের আগ্নেয়াস্ত্র। তিনি বর্তমানে মোট ৬ কোটি ৮১ লাক ৪১ হাজার টাকার অস্থাবর সম্পদের মালিক।

স্থাবর সম্পদ হিসেবে একটি বাড়ি ও দুটি অ্যাপার্টমেন্টের মূল্য (অর্জনকালীন) দেখিয়েছেন এক কোটি ৮৮ লাখ ১ হাজার টাকা। তবে সবমিলিয়ে তিনি ৭ কোটি ৬৬ লাখ ২৮ হাজার ১৬৬ টাকার স্থাবর সম্পদের মালিক। তবে ট্রাস্ট ব্যাংকে নিজের নামে ঋণ রয়েছে সাত লাখ ২১ হাজার টাকা।

এছাড়া আমানা গ্রুপের চেয়ারম্যান/ ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে ব্যাংক ঋণের পরিমাণ ১৮০ কোটি ১৫ লাখ ৬১ হাজার টাকা। ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে আয়কর রিটার্নের তথ্য অনুযায়ী, তিনি বার্ষিক আয় দেখিয়েছেন এক কোটি এক লাখ ৮ হাজার টাকা।

এই আসনে জামায়াতের প্রার্থী ডা. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর। তিনি মহানগর জামায়াতের নায়েবে আমির। ডা. জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে ২২টি রাজনৈতিক মামলা ছিলো। এরমধ্যে বর্তমানে একটি মামলা বিচারাধীন। এমবিবিএস চিকিৎসক ডা. জাহাঙ্গীরের পেশা (শিক্ষকতা, পরামর্শক ইত্যাদি) থেকে বছরে আয় করে ১১ লাখ ৯৯ হাজার টাকা। বাড়ি ভাড়া পান এক লাখ ৪৪ হাজার টাকা। চাকরি থেকে আয় ২১ লাখ ৪২ হাজার টাকা। তার হাতে নগদ আছে ৫ লাখ টাকা।

ডা. জাহাঙ্গীরের স্ত্রী পেশায় শিক্ষক। তার কাছে আছে নগদ দুই লাখ টাকা। ডা. জাহাঙ্গীরের নিজের নামে ১২ লাখ ৯৪ হাজার টার মূল্যের গাড়ি রয়েছে। তিনি নিজে এক কোটি টাকা মূল্যের অস্থাবর সম্পদের মালিক। আর তার স্ত্রী ২০ লাখ টাকার অস্থাবর সম্পদের মালিক। এছাড়া. ডা. জাহাঙ্গীরের নামে একটি তিনতলা ভবন রয়েছে, যার (অর্জনকালীন) মূল্য দেখিয়েছেন তিন লাখ ৪৮ হাজার টাকা। স্ত্রীর রয়েছে ১৩ লাখ টাকা মূল্যে ভবন। তা সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ নেই হলফনামায়। সর্বশেষ আয়কর রিটার্ন অনুযায়ী, ডা. জাহাঙ্গীরের বার্ষিক আয় ৩৪ লাখ ৮৫ হাজার টাকা। তিনি দুই কোটি ১৭ লাখ ৩০ হাজার টাকার সম্পদের মালিক। আর তার স্ত্রীর বার্ষিক আয় ৫ লাখ ৩৬৫ টাকা।

রাজশাহী-৩ (পবা-মোহনপুর)

এই আসনে বিএনপির প্রার্থী শফিকুল হক মিলন। অর্থনীতিতে মাস্টার্স পাস মিলন বিএনপি কেন্দ্রীয় সহ-ত্রাণ ও পুনর্বাসন বিষয়ক সম্পাদক।

হলফনামার তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে তার নামে দুটি রাজনৈতিক মামলা বিচারাধীন। মোট ১৯টি মামলার আসামী ছিলেন তিনি। পেশায় হিসেবে লিখেছেন ব্যবসায়ী। মিলনের স্ত্রীও ব্যবসায়ী। ব্যবসা থেকে মিলনের বার্ষিক আয় ১১ লাখ ১ হাজার টাকা। আর বাড়ি ভাড়া দিয়ে বছরে পান ৯ লাখ ৬৯ হাজার টাকা। তার স্ত্রী ব্যবসা থেকে বছরে আট লাখ ও বাড়ি ভাড়া থেকে আয় করেন ১০ লাখ ৫ হাজার টাকা। মিলনের হাতে নগদ টাকা আছে ৮০ হাজার। আর তার স্ত্রীর কাছে আছে রগদ ৮ লাখ ৪৬ হাজার টাকা। মিলনের স্ত্রীর আছে ২৫ ভরি স্বর্ণ। যার মূল্য (অর্জনকালীন) দেখানো হয়েছে ১ লাখ ২৫ হাজার টাকা। মিলন ৫০ লাখ ৫৯ হাজার টাকার অস্থাবর সম্পদের মালিক। তার স্ত্রীর অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ ২৯ লাখ ৯০ হাজার টাকা। মিলন এক কোটি ৫ লাখ ৯৪ হাজার টাকার স্থাবর সম্পদের মালিক। তার স্ত্রীর স্থাবর সম্পদ রয়েছে ৯৮ লাখ ৫০ হাজার টাকার। সর্বশেষ আয়কর রিটার্নের তথ্য অনুযায়ী, শফিকুল হক মিলনের সম্পদের মূল্য এক কোটি ৪৬ লাখ ৪৫৩ হাজার টাকা। তার স্ত্রীর নামে রয়েছে এক কোটি ২৮ লাখ ৪০ হাজার টাকার সম্পদ।

এই আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ। তিনি অবসরপ্রাপ্ত কলেজ শিক্ষক। হড়গ্রাম ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান। হলফনামায় তার পেশা ব্যবসা ও কৃষি উল্লেখ করা হয়েছে। ব্যবসা থেকে তার বার্ষিক আয় ৫ লাখ ৪০ হাজার টাকা। নির্ভরশীলদের আয় ৩ লাখ ২০ হাজার টাকা। আর কৃষিখাত থেকে নিজে আয় করেন ৫০ হাজার টাকা। এখাত থেকে নির্ভরশীলদের আয় ৪৮ হাজার টাকা। চেয়ারম্যানের ভাতা হিসেবে বছরে পেয়েছে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা। তার হাতে আছে নগদ একত লাখ টাকা। ব্যাংকে জমা আছে আরও আট লাখ টাকা। নিজের নামে আছে ১৭ ভরি স্বর্ণ। স্ত্রীর ১৫ ভরি। কিন্তু হলফনামায় তিনি স্বর্ণের মূল্য উল্লেখ করেননি। আবুল কালাম আজাদ দুই কোটি টাকার স্থাবর সম্পদের মালিক। আর তার ওপর নির্ভরশীল গৃহিনী স্ত্রী ৪ কোটি টাকার স্থাবর সম্পদের মালিক।

সর্বশেষ আয়কর রিটার্নের তথ্য অনুযায়ী, আবুল কালাম আজাদের আয়ের পরিমাণ ৭ লাখ ১০ হাজার টাকা। আর তার স্ত্রীর বার্ষিক আয় ৪ লাখ ৮০ হাজার টাকা।

এদিকে হলফনামায় দেওয়া তথ্যে কোনো অসত্য তথ্য নেই বলে দাবি করেছেন প্রার্থীরা। তাদের দাবি, প্রত্যেকেরই আয়কর ফাইলে আয়-ব্যয়ের হিসেব রয়েছে। কোনো ধরনের অসঙ্গতি নেই।

সাখাওয়াত হোসেন/এনএইচআর/এমএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।