পটুয়াখালীতে অর্ধশত শিক্ষার্থী অসুস্থ : আতঙ্কে অন্যরা


প্রকাশিত: ১১:৫৩ এএম, ৩১ জুলাই ২০১৬

পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিদ্যালয় (পবিপ্রবি) পরিচালিত সৃজনী বিদ্যা নিকেতনে ক্লাস চলাকালীন সময়ে অর্ধশত শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়েছে। এতে একদিনের জন্য বিদ্যালয়ের সকল কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ।

অসুস্থ শিক্ষার্থীদের স্থানীয় হাসপাতালে ও গুরুতর অসুস্থ একজনকে বরিশালে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় রোববার দুপুরে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। এছাড়া ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিটও ঘটনাস্থল পরীক্ষা-নিরীক্ষার করছেন।

জানা গেছে, প্রতিদিনের ন্যায় রোববার সকাল ৮টায় বিদ্যালয়ের কার্যক্রম শুরু হয়। সকাল সাড়ে ৮টার দিকে ৫ম ও ৮ম শ্রেণির অর্ধশত শিক্ষার্থী শ্বাসকষ্ট, মাথাব্যথা ও পেট ব্যথায় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ে।

কর্তৃপক্ষ এদের মধ্যে ৮ জনকে পার্শ্ববর্তী লুথ্যারান হেলথ কেয়ার সেন্টারে ও ৫ জনকে পবিপ্রবি স্বাস্থ্য কেন্দ্রে তাৎক্ষণিভাবে ভর্তি করেন।

অসুস্থ শিক্ষার্থীরা হলো, ৫ম শ্রেণির সাবা, আকাশ, শিফাত, মাহি, ইমন, মিঠু, জাকারিয়া, তাবা, পপি, মৃদুল, হাসানুর রহমান ও স্বর্ণা এবং ৮ম শ্রেণির সুইটি।
 
এর আগে শনিবার দুপুরে ওই প্রতিষ্ঠানের ৫ম শ্রেণির ১৫ জন শিক্ষার্থী একইভাবে অসুস্থ হয়ে পড়ে। এরা হলো মেধা, তাবা, ইমন, জুঁই, বুশরা, তোফা, সাবিহা, লামিয়া, মৃদুল, সোহান, লিচি, আকাশ, ওমর ও আকাশ। এদেরকে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে অভিভাবকদের হাতে তুলে দেয়া হয়েছে।

পরপর দু`দিন এই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা এভাবে অসুস্থ হয়ে পড়ায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।
 
এ ব্যাপারে প্রতিষ্ঠানের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. আব্দুল কুদ্দুস বলেন, অধিক গরমে শিক্ষার্থীরা হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ে। শনিবার অসুস্থ শিক্ষার্থীদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে অভিভাবকদের হাতে তুলে দেয়া হয়। আবার কেন আজ একই ঘটনা ঘটেছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
 
লুথ্যারান হেলথ কেয়ার সেন্টারের মেডিকেল অফিসার ডা. সৈয়দ নেছার আলী বলেন, শিক্ষার্থীরা খালি পেটে থাকায় এবং শ্রেণি কক্ষের ভেঁপসা গরমে শ্বাসকষ্ট অনুভব করলে শিক্ষার্থীরা অসুস্থ হয়ে পড়ে। আমরা চিকিৎসা প্রদান করছি। তবে আতঙ্কের কিছু নেই।

এমএএস/পিআর

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।