প্রভাষক পদে কেনো নিয়োগ দেয়া হবে না জানতে রুল জারি
লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলার হাজিরহাট উপকূল ডিগ্রি কলেজে প্রভাষক পদে কেনো মেধা তালিকায় উত্তীর্ণ ৬ জন প্রার্থীকে নিয়োগ দেয়া হবে না সেটা জানতে চেয়ে উচ্চ আদালত রুল জারি করেছেন।
বৃহস্পতিবার বিকেলে প্রভাষক পদে নিয়োগ প্রত্যাশীরা সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলাম ও বিচারপতি মো. খসরুজ্জামান সমন্বয়ে গঠিত সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট ডিভিশনের একটি বেঞ্চ এ রুল জারি করেন।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট সচিব, মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক, লক্ষ্মীপুর জেলা শিক্ষা অফিসার, হাজিরহাট উপকূল ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ, হাজিরহাট উপকূল কলেজ গভর্ণিং বডির সভাপতি ও বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন অধিদফতরের চেয়ারম্যানের উপর জারি করা এ রুলে ২ সপ্তাহের মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়েছে।
আবেদনকারীদের পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন অ্যাডভোকেট ইসমাইল হোসেন।
প্রভাষক পদে মেধা তালিকায় উত্তীর্ণ আবেদনকারীরা হলেন- মো. আবদুল বাতেন (সমাজকর্ম), মো. মাহবুবের রহমান (ব্যবস্থাপনা), হাবিবুল বাশার (হিসাববিজ্ঞান), ফাতেমা ফারভিন (ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি), আবদুর রহমান (সমাজবিজ্ঞান) ও জসীম উদ্দিন (ইংরেজি)।
জানা গেছে, হাজিরহাট উপকূল ডিগ্রি কলেজে উচ্চ মাধ্যমিক স্তরে শূন্য পদে বাংলা ও অর্থনীতি এবং স্নাতক (পাস) শ্রেণির জন্য সৃষ্টপদে ইংরেজী, সমাজবিজ্ঞান, সমাজকর্ম, অর্থনীতি, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি, হিসাববিজ্ঞান ও ব্যবস্থাপনা বিষয়ে প্রভাষক পদের জন্য প্রত্যেকটিতে সর্বনিম্ম তিনজন বা ততোধিক প্রার্থী গত ১২ অক্টোবর ২০১৫ সালে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন।
লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী প্রার্থীদের মধ্যে থেকে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান নির্বাচন করা হয়। প্রতিযোগীতামূলক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রভাষক পদে বিভিন্ন বিষয়ে প্রথম স্থান অধিকারীদের নিয়োগ দানের জন্য নিয়োগ সংশ্লিষ্টরা সর্বসম্মতভাবে সিদ্ধান্ত ও সুপারিশ প্রদান করেন।
কিন্তু কলেজ কৃর্তপক্ষ কেবলমাত্র উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের শূন্য পদে বাংলা ও অর্থনীতি বিভাগের প্রভাষক পদে দুইজনকে নিয়োগ দেন। নিয়োগ সংশ্লিষ্টদের সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে কোনো কারণ ছাড়াই কলেজ কৃর্তপক্ষ স্নাতক (পাস) শ্রেণির জন্য সৃষ্টপদে কাউকে নিয়োগ না দিয়ে চাকরি বঞ্চিত করেন।
এতে মেধা তালিকায় উত্তীর্ণ প্রার্থীরা আদালতে রিট আবেদন করেন। এর প্রেক্ষিতে শুনানি শেষে গত ২৫ জুলাই আদালত রুল জারি করেন।
কাজল কায়েস/এফএ/পিআর