মির্জাপুরে ভয়াবহ লোডশেডিংয়ে জনজীবন অতিষ্ঠ


প্রকাশিত: ০১:৫৬ পিএম, ০৪ অক্টোবর ২০১৬

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে লোডশেডিং ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। এতে শিল্প-কারখানায় উৎপাদন ব্যাহত হওয়া ছাড়াও জনজীবন অতিষ্ঠ। চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম হওয়ায় লোডশেডিং বৃদ্ধি পেয়েছে বলে পল্লীবিদ্যুৎ অফিস জানিয়েছে।

উপজেলায় বিদ্যুতের লোডশেডিং নতুন ঘটনা নয়। বিগত ২-৩ বছর ধরে প্রতিদিন ২-৩ ঘণ্টা লোডশেডিং হলেও বর্তমানে তা ভয়াবহ রূপ নিয়েছে।

বিশেষ করে গত এক সপ্তাহ ধরে গড়ে প্রতিদিন ৬ থেকে ১০ ঘণ্টা লোডশেডিং হচ্ছে বলে এলাকাবাসী জানিয়েছে। গতকাল সোমবার দিনে প্রায় সাড়ে ৪ ঘণ্টা লোডশেডিং হয়েছে বলে স্থানীয় পল্লী বিদ্যুৎ অফিস সূত্র জানায়।

জানা যায়, ভয়াবহ এই লোডশেডিংয়ে টাঙ্গাইলের একমাত্র শিল্পাঞ্চল খ্যাত উপজেলার গোড়াই শিল্পাঞ্চলের মিল কারখানার উৎপাদন ব্যাহত হওয়া ছাড়াও গরমে জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। এছাড়া এই গরমে শিশুরা সর্দি-কাশিসহ  ঠাণ্ডাজনিত রোগে আক্রান্ত হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে স্থানীয়রা।

উপজেলার বাঁশতৈল নয়াপাড়া গ্রামের বাসিন্দা মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রাজ্জাক বিএসসি, পৌরসভার বাওয়ার কুমারজানী গ্রামের ফরহাদ হোসেন ফটিক, উয়ার্শী ইউনিয়নের নগর ভাদগ্রাম গ্রামের রায়হান মোল্লাসহ বেশ কয়েকজন অভিযোগ করে বলেন, এলাকায় গড়ে প্রায় প্রতিদিন ১০-১২ ঘণ্টা করে লোডশেডিং হচ্ছে।  

মির্জাপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও গোড়াই শিল্পাঞ্চলের বাসিন্দা মীর এনায়েত হোসেন মন্টু জানান, তার এলাকাতেও গত কয়েকদিন ধরে ৭-৮ ঘণ্টা লোডশেডিং হচ্ছে।

এ ব্যাপারে পল্লীবিদ্যুৎ অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) সুশান্ত রায় বলেন, মির্জাপুর উপজেলার ৯০ হাজার গ্রাহকের জন্য বিদ্যুতের চাহিদা রয়েছে ৩২ মেগাওয়াট। কিন্ত সরবরাহ করা হয় ২০ থেকে ২৪ মেগাওয়াট। কোন কোন সময় বিদ্যুৎ আরো কম সরবরাহ করা হয়ে থাকে। ফলে সাম্প্রতিক সময়ে লোডশেডিং কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে।

আরিফ উর রহমান টগর/এএম/এবিএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।