আ.লীগ নেতা হত্যার স্বীকারোক্তি দিলেন সৈকত


প্রকাশিত: ০৪:০৪ পিএম, ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৭

টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম ফরিদ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন আসামি শওকত রেজা ওরফে সৈকত।

শনিবার বিকেলে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রূপন কুমার দাস তার জবানবন্দি রেকর্ড করেন। টাঙ্গাইল ডিবি পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অশোক কুমার সিংহ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, ভূঞাপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম ফরিদ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় প্রথমে গ্রেফতার আসামি কিশোর মাইনুল হাসান মাসুদ আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়ার পর অলোয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যানের ইট ভাটার ম্যানেজার শওকত রেজা সৈকতকে গ্রেফতার করা হয়। তাকে গ্রেফতারের পরে আদালতে হাজির করা হলে তিনি ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

দলীয় কিছু নেতার সাথে মতবিরোধ ও এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে বলেও জানান তিনি ।

তিনি আরও জানান, আসামি শওকত রেজা ওরফে সৈকত তার স্বীকারোক্তিতে হত্যাকাণ্ডে অংশ নেয়া আরও কয়েকজনের নাম উল্লেখ করেছেন। উপজেলার অলোয়া ইউনিয়নের ওয়াজেদ মিয়ার ছেলে শওকত রেজা ওরফে সৈকত ।

উল্লেখ্য, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক উপজেলার ভারই গ্রামের রকিবুল ইসলাম ফরিদ টাঙ্গাইল-ভূঞাপুর রোডের কাগমারাীপাড়া এলাকায় একটি ডাল এর মিলে কাজ শেষে সোমবার রাতে ভ্যানযোগে বাড়ি ফিরছিলেন। ভ্যানে থাকাবস্থায় তার স্ত্রীর সাথে মোবাইলে কথাও বলেছিলেন তিনি। এরপর আর বাড়ি ফিরেননি তিনি। ওই রাতেই তার ব্যবহৃত মোবাইলও বন্ধ পাওয়া যায়। এরপর তার আর কোন খোঁজ পাওয়া যায়নি।

মঙ্গলবার সকালে তার বাড়ির পাশের একটি পুকুরে জবাই করা মরদেহ দেখে পুলিশে খবর দেয় স্থানীয়রা। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে। এরপরই শনাক্ত হয় এটি রকিবুল ইসলাম ফরিদের মরদেহ।

আরিফ উর রহমান টগর/এএম/আরআইপি

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।