৪র্থ শ্রেণির ছাত্রীকে পিটিয়ে হত্যা


প্রকাশিত: ০২:২১ পিএম, ২৪ এপ্রিল ২০১৫

নোয়াখালী শিশু পরিবারের ৪র্থ শ্রেণির ছাত্রী আসমা আক্তারকে শারিরীক নির্যাতন চালিয়ে হত্যা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে লক্ষ্মীপুর শহরের বাগবাড়ি এলাকায় একটি বাসভবনে সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেছেন নিহতের মা সেলিনা বেগম। নিহত আসমা লক্ষ্মীপুর পৌরসভার সাহাপুর গ্রামের মৃত বাহার উদ্দিনের মেয়ে।

নিহতের মা সেলিনা বেগম অভিযোগ করে বলেন, ৪ বছর আগে তার মেয়ে আসমা বেগমকে নোয়াখালী শিশু পরিবারে পড়ালেখার জন্য ভর্তি করানো হয়। ৪র্থ শ্রেণিতে পড়ালেখা করতো সে। তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে গত বৃহস্পতিবার রাতে শিশু পরিবারের সুপার শিল্পী ভৌমিক ও নৈশপ্রহরীসহ অন্যরা আসমা বেগমকে শারিরীক ও মানসিক নির্যাতন চালিয়ে হত্যা করেন।

শুক্রবার সকালে শিশু পরিবারের সুপার শিল্পী ভৌমিক মোবাইল ফোনে জানান, আসমা বেগম অসুস্থ্। তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পরে আমরা নোয়াখালী শিশু পরিবারে গিয়ে যোগাযোগ করার পর জানতে পারি, সে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেছে। ঘটনাটি ধামাচাপা দেয়ার জন্য নোয়াখালী শিশু পরিবার তাড়াহুড়ো করে আসমা বেগমের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়। আসমা বেগমকে দেথতে হাসপাতালে যাওয়ার পর আমাকে আটক করে সাদা কাগজে স্বাক্ষর নিয়ে ও মারধর করে আসমার মরদেহ বুঝিয়ে দেয়া হয়। পরে আসমার মরদেহ গ্রামের বাড়িতে আনার পর তার দেহে বিভিন্ন ধরনের আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়। আসমাকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে বিচার দাবি করেন তিনি। এসময় উপস্থিত ছিলেন নিহতের আত্মীয়-স্বজনরা।

নোয়াখালী শিশু পরিবারের সুপার শিল্পী ভৌমিক জানান, আসমা বেগম গলায় ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেছে। তাকে কোন নির্যাতন করা হয়নি। পরে ময়নাতদন্ত শেষ করে আসমার লাশ তার মা সেলিনা বেগমের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

এমজেড/পিআর

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।