অ্যাকশন দৃশ্যে বিপদ, ঐশ্বরিয়ার জন্য ছুটেছিলেন অমিতাভ

বিনোদন ডেস্ক
বিনোদন ডেস্ক বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৭:২৯ পিএম, ২৫ জানুয়ারি ২০২৬
ঐশ্বরিয়া রাই ও অমিতাভ বচ্চন

পুত্রবধূ হওয়ার বহু আগে থেকেই অমিতাভ বচ্চনের সহ-অভিনেত্রী হিসেবে পরিচিত ছিলেন ঐশ্বরিয়া রাই। একাধিক সিনেমায় একসঙ্গে কাজ করেছেন তারা। তবে ২০০৩ সালে ‘খাকি’ সিনেমার শুটিং চলাকালে এক দুর্ঘটনার স্মৃতি আজও বলিউডে আলোচিত। সেসময় ঐশ্বরিয়ার পাশে যেভাবে দাঁড়িয়েছিলেন অমিতাভ, তা অনেকেরই জানা নেই।

নাসিকে চলছিল ‘খাকি’ সিনেমার শুটিং। সিনেমাতে অক্ষয় কুমার, তুষার কাপুর, অমিতাভ বচ্চনসহ আরও অনেকে অভিনয় করেছিলেন। একটি অ্যাকশন দৃশ্যে ছুটন্ত জিপে থাকার কথা ছিল ঐশ্বর্যর। দৃশ্য ধারণের সময় আচমকাই ভারসাম্য হারিয়ে জিপ থেকে ছিটকে দূরে পড়ে যান তিনি। সঙ্গে সঙ্গে শুটিংসেটে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে।

পরিস্থিতি সামাল দিতে দ্রুত ছুটে যান সহ-অভিনেতারা। জানা যায়, গাড়ি থামানোর চেষ্টা করেছিলেন অক্ষয় কুমারও। কিন্তু ততক্ষণে ঐশ্বরিয়া গুরুতর আহত হন। অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

পরে অমিতাভ বচ্চন এক সাক্ষাৎকারে জানান, ঐশ্বরিয়ার শারীরিক অবস্থার কথা ভেবে তার পরিবারের সঙ্গে কথা বলে দ্রুত মুম্বাইয়ে নিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সেই সময় বিশেষ ব্যবস্থায় একটি ব্যক্তিগত বিমানের সাহায্যে তাকে স্থানান্তর করা হয়। অমিতাভ বলেন, দুর্ঘটনার পর জরুরি অনুমতি নিয়ে বিমানের অবতরণ করানো হয়েছিল একটি সেনা ঘাঁটিতে, সেখান থেকে হাসপাতালে পৌঁছাতে সময় লেগেছিল প্রায় ৪৫ মিনিট। বিমানের ভেতরে আসন খুলে ঐশ্বরিয়াকে শুইয়ে নেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছিল।

আরও পড়ুন:
সালমান খানের সিনেমায় অরিজিতের দেশপ্রেমের গান ভাইরাল 
৪০ কোটির বিজ্ঞাপনেও ‘না’ সুনীল শেঠির 

ঘটনাটি অমিতাভকে গভীরভাবে নাড়া দিয়েছিল বলেও জানান তিনি। তার কথায়, সেই দুর্ঘটনার দৃশ্য তিনি বহুদিন ভুলতে পারেননি। টানা কয়েকদিন ঘুমাতে পারেননি ঠিকমতো। ঐশ্বরিয়ার শরীরের বিভিন্ন অংশে গুরুতর আঘাত লেগেছিল, যা দেখে তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন।

পরবর্তীতে সুস্থ হয়ে আবারও কাজে ফিরেছিলেন ঐশ্বরিয়া। তবে সেই দুর্ঘটনা এবং সহ-অভিনেতা অমিতাভ বচ্চনের মানবিক উদ্যোগ বলিউডের অন্দরমহলে আজও আলোচনায় উঠে আসে।

এমএমএফ

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।