ভৈরবে দুই পক্ষের সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৫০


প্রকাশিত: ০১:০৮ পিএম, ০৮ এপ্রিল ২০১৭

আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে কিশোরগঞ্জের ভৈরবের রসুলপুর গ্রামে দুই পক্ষের সংঘর্ষে মোবারক (১৮) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। এতে আহত হয়েছেন অন্তত ৫০ জন।

শনিবার দুপুরে উপজেলার সাদেকপুর ইউনিয়নের রসুলপুর গ্রামের কিপিংবাড়ি ও নূরার বাড়ির লোকজনের মাঝে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

সংঘর্ষে আহতদের মধ্যে কমপক্ষে পাঁচজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকা ও ভাগলপুরের জহুরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

সংঘর্ষ চলাকালে ভাঙচুর ও লুটপাট করা হয়েছে উভয়পক্ষের কমপক্ষে ২৫ থেকে ৩০টি বাড়ি-ঘর। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রায় দুই ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

পুলিশ ও এলাকাবাসী জানায়, সাদেকপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও স্থানীয় কিপিংবাড়ির নেতা ফজলুর হক মাস্টার এবং ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান আবু বক্কর সমর্থক নূরারবাড়ির নেতা মুসলিম মিয়ার বংশের লোকজনের মাঝে পূর্ব শত্রুতা ও গ্রামে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল।

এরই জের ধরে শনিবার দুপুর ১২টার দিকে উভয় বংশের কয়েকশ লোক দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। পরে আত্মীয়তার সূত্র ধরে পার্শ্ববর্তী গ্রাম মৌটুপী, সাদেকপুর, ভবানীপুর ও মেন্দিপুরের লোকজন নূরারবাড়ির লোকজনের সঙ্গে যোগ দিয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হলে ওই এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। এ সময বল্লমের আঘাতে কিপিংবাড়ির মোবারক নিহত হন।

ভৈরব থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোখলেছুর রহমান জানান, গ্রামে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে তারা বার বার সংঘর্ষে লিপ্ত হচ্ছে। শনিবার আবার সংঘর্ষে লিপ্ত হলে এ হতাহতের ঘটনা ঘটে । বর্তমানে এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। সেখানে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

আসাদুজ্জামান ফারুক/আরএআর/জেআইএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।