অবৈধ দখলে নাসিরনগরের ১৩ বীজাগার ভবন


প্রকাশিত: ০১:৫৩ পিএম, ০৯ এপ্রিল ২০১৭

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে উপজেলা কৃষি বিভাগের অন্তত ১৩টি পরিত্যক্ত বীজাগার ভবন অবৈধ দখলের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নজরদারির অভাবে সরকারি এ সম্পদগুলো এখন স্থানীয় প্রভাবশালীদের ভোগ-দখলে। বর্তমানে পরিত্যক্ত এসব বীজাগার ভবনগুলো বখাটে ও মাদকসেবীদের আখড়ায় পরিণত হয়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গত ১৯৬২-৬৪ অর্থ-বছরে ইউনিয়ন পর্যায়ে সহজ প্রক্রিয়ায় কৃষকদের মাঝে উন্নত মানের বীজ, ইউরিয়াসহ বিভিন্ন উপকরণ সরবরাহ ও বিতরণ নিশ্চিত করার লক্ষে কৃষি বিভাগ একটি করে ইউনিয়ন বীজাগার অফিস কাম বাসভবন নির্মাণ করে। তবে বীজাগারগুলোর যথাযথ ব্যবহার না হওয়ায় এসব কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়।

সরেজমিনে ভলাকুট, গোয়ালনগর, ফান্দাউক, কুন্ডা, পূর্বভাগ ও নাসিরনগর সদর ইউনিয়ন ঘুরে দেখা গেছে বীজাগার ভবনগুলোর বেহালদশা। অযত্ন আর অবহেলায় ভবনগুলো এখন জরাজীর্ণ। দিনে বখাটেদের আড্ডাস্থল আর রাতে মাদকসেবীদের আখাড়া বনে যায় ভবনগুলো। এছাড়া রাতের আধারে ভবনগুলোতে অসামাজিক কার্যকলাপ সংগঠিত হওয়ারও অভিযোগ রয়েছে।

নাসিরনগর সদরে অবস্থিত বীজাগারে গিয়ে দেখা গেছে, স্থানীয় প্রভাবশালীররা কবরস্থানের জন্য বাউন্ডারি দিয়ে বীজাগার ভবন দখল করে নিয়েছেন।

ফান্দাউক ইউনিয়নের বীজাগার ভবনটি স্থানীয় প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তিরা কেয়ার নামক একটি এনজিওকে দীর্ঘদিন দিন ধরে ভাড়া দিয়ে রেখেছেন এবং বাজার কমিটির সহায়তায় সুইপারদের জন্য আরেকটি ঘর তৈরি করে ভাড়া দিয়েছেন।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা আনিছুজ্জামান বলেন, বীজাগারের কোনও কার্যক্রম না থাকায় সেগুলো বেদখল হয়ে আছে। তবে পুরাতন ফাইলপত্র বের করে বীজাগার ভবনসহ কৃষি বিভাগের বেদখল হওয়া সম্পদ দখলে নেয়ার চেষ্টা চলছে।

আজিজুল সঞ্চয়/এআরএ/আরআইপি

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।