‘আন্দোলনের মাধ্যমে স্বৈরাচারী সরকারকে অপসারণ করা হবে’
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান বলেছেন, আওয়ামী লীগের জন্মতো ক্যান্টনমেন্টে হয় নি; আওয়ামী লীগ কেন গণতান্ত্রিক পরিবেশে জন্মগ্রহণ করে গণতন্ত্রকে হত্যা করে বাংলাদেশে একদলীয় শাসন কায়েম করেছে। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নির্দেশে আমরা গণতান্ত্রিক আন্দোলনের মাধ্যমে এ স্বৈরাচারী সরকারকে অপসারণ করে দেশে পুনরায় বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করবো।
শনিবার দুপুরে লক্ষ্মীপুর জেলা বিএনপির কার্যালয়ে আয়োজিত প্রতিনিধি সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
আবদুল মঈন খান বলেন, ফ্রি অ্যান্ড ফেয়ার নির্বাচন যদি না হয় তাহলে এ নির্বাচন অর্থহীন। শান্তিপুর্ণ সহ-অবস্থান সৃষ্টি না হলে বিএনপির কী ক্ষতি হবে, আওয়ামী লীগের কী ক্ষতি হবে তা জানি না, তবে বাংলাদেশের ক্ষতি হবে। আমরা যদি গণতন্ত্র চর্চায় একমত হই, গণতান্ত্রিক ধারায় বিশ্বাস স্থাপন করি তাহলে এটি শুধু বিএনপির জন্য মঙ্গলজনক হবে না , আওয়ামী লীগের জন্যও মঙ্গলজনক হবে।
বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ও জেলা বিএনপির সভাপতি আবুল খায়ের ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে প্রতিনিধি সভায় আরও বক্তব্য দেন, বিএনপির চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট সৈয়দ মোহাম্মদ শামছুল আলম, কেন্দ্রীয় বিএনপির প্রচার সম্পাদক ও সাবেক সাংসদ শহিদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, লক্ষ্মীপুর-১ (রামগঞ্জ) আসনের সাবেক সাংসদ নাজিম উদ্দিন, লক্ষ্মীপুর-৪ (রামগতি ও কমলনগর) আসনের সাবেক সাংসদ আশরাফ উদ্দিন নিজান, সাবেক মহিলা এমপি সাইমুন বেগম, কেন্দ্রীয় বিএনপির সহ-সম্পাদক ফেরদৌস আহমেদ খোকন, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ভিপি হারুনুর রশিদ ও কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি শফিউল বারি বাবু।
লক্ষ্মীপুর জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাহাব উদ্দিন সাবুর সঞ্চালনায় প্রতিনিধি সভায়, জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি নিজাম উদ্দিন ভূঁইয়া, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট হারুনুর রশিদ বেপারী, সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট হাছিবুর রহমান হাছিব, রায়পুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট মনিরুল ইসলাম হাওলাদার, পৌর বিএনপির সভাপতি এবিএম জিলানী, কমলনগর উপজেলা বিএনপির সভাপতি জামাল উদ্দিন তালুকদার, সাধারণ সম্পাদক নুরুল হুদা চৌধুরী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
কাজল কায়েস/আরএআর/জেআইএম