বগুড়ায় অপহৃত এনজিওকর্মী উদ্ধার, গ্রেফতার ৯


প্রকাশিত: ১১:৩১ এএম, ০৫ জুলাই ২০১৭

বগুড়ায় মুক্তিপণের দাবিতে অপহৃত এনজিওকর্মীকে ৪০ ঘণ্টা পর উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে পুলিশ ৪ জন নারীসহ ৯ জনকে গ্রেফতার করেছে। বুধবার দুপুরে শহরের মালতি নগর এলাকার একটি বাসায় অপহরণকারীদের আস্তানা থেকে পুলিশ অপহৃতকে উদ্ধার করে।

অপহৃত জাহিদুল ইসলাম গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার চরবালুয়া গ্রামের ইদ্রিস আলীর ছেলে। তিনি এসকেএস ফাউন্ডেশন নামের একটি এনজিওতে বগুড়ার ঘোড়াধাপ শাখায় কর্মরত আছেন।

অপহরণকারীরা হলেন, মালতি নগর এলাকার সুলতান, ফুয়াদ হাসান মানিক, মনির, পিয়াস, আব্দুল গফুর, স্বপ্না বেগম, মালা বেগম, শারমিন আকতার ও রেখা বেগম।

ঘটনা সম্পর্কে জানা গেছে, সোমবার সন্ধ্যায় জাহিদুল ইসলাম শহরতলীর মাটিডালী মোড়ে ব্যক্তিগত কাজে আসেন। এ সময় দুইটি মোটরসাইকেলেযোগে অজ্ঞাত কয়েকজন যুবক তাকে সেখান থেকে অপহরণ করে। রাতে অপহরণকারীরা মোবাইল ফোনে জাহিদুলের স্ত্রীর কাছে তিনলাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। স্বামীকে জীবিত উদ্ধার করতে জাহিদুলের স্ত্রী রিনা বেগম বিকাশের মাধ্যমে মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত কয়েক দফায় এক লাখ ১৬ হাজার টাকা দেন। এতেও জাহিদুলকে মুক্তি না দিলে মঙ্গলবার দুপুরে তার বড়ভাই হামিদুল হক বগুড়া সদর থানায় অভিযোগ করেন। এরপর থেকেই পুলিশ অভিযানে নামে।

বগুড়ার সদর থানা পুলিশের ওসি তদন্ত আসলাম আলী জানান, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় পুলিশ শহরের আটাপাড়া এলাকা থেকে অপহরণের সঙ্গে জড়িত সুলতান ও ফুয়াদ হাসান মানিক নামের দুই যুবককে গ্রেফতার করে। পরে তাদের স্বীকারোক্তি অনুযায়ি রাতে পুলিশ শহরতলীর সুলতানগঞ্জ হাইস্কুল মাঠে অভিযান চালায়। এসময় পুলিশ আরও দুই যুবককে গ্রেফতার করা হয়। তাদের দেয়া তথ্য মতো বুধবার দুপুরে শহরের মালতি নগর এলাকার একটি বাসায় অভিযান চালিয়ে অপহৃত জাহিদুলকে উদ্ধার করা হয়।

একই সঙ্গে গ্রেফতার করা হয় অপহরণকারী চক্রের আরও ৪ জন নারী ও একজন পুরুষ সদস্যকে। পুলিশ ওই বাসায় তল্লাসি চালিয়ে মুক্তিপণ হিসেবে আদায় করা টাকার মধ্যে ৮০ হাজার টাকা উদ্ধার করে। এ ঘটনায় অপহৃতের ভাই হামিদুল হক বাদী হয়ে বগুড়া সদর থানায় মামলা দায়ের করেছেন।

লিমন বাসার/এমএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।