আবদুল মালেক মেডিকেল কলেজের হোস্টেল বন্ধ

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি নোয়াখালী
প্রকাশিত: ০১:৩৩ পিএম, ২৫ অক্টোবর ২০১৭

নোয়াখালী আব্দুল মালেক উকিল মেডিকেল কলেজ (আমাউমেক) শাখার ছাত্রলীগের সভাপতি মনির হোসেনের ওপর হামলার ঘটানাকে কেন্দ্র করে একাডেমিক কাউন্সিলের সভার সিদ্ধান্তমতে ছাত্র-ছাত্রীদের হোস্টেল ত্যাগের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

একই সঙ্গে আগামীকাল (বৃহস্পতিবার) সকাল ৯ টার মধ্যে হোস্টেলের সকল শিক্ষার্থীকে হল ত্যাগের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত হোস্টেল বন্ধ থাকার সিদ্ধান্ত হয়।

বুধবার সন্ধ্যায় আবদুল মালেক উকিল মেডিকেল কলেজের উপাধ্যক্ষ ডা. গোতম বাপ্পা জাগো নিউজকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ নোয়াখালী জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ও আবদুল মালেক উকিল মেডিকলে কলেজের চিকিসক ডা. মাহবুবুর রহমান জাগো নিউজকে বলেন, মঙ্গলবার মেডিকেল কলেজের একাডেমিক কাউন্সিলের সভায় সিদ্ধান্ত মতে তদন্তের স্বার্থে বুধবার হোস্টেল খোলা ছিল। কিন্তু আগামীকাল থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত ছাত্র-ছাত্রীদের হোস্টেল বন্ধ থাকবে।

স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ নোয়াখালী জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ও আবদুল মালেক উকিল মেডিকলে কলেজের চিকিসক ডা. ফজলে এলাহা খাঁন জানান, মেডিকেল কলেজে যে ঘটনা ঘটেছে তার একটি দৃষ্টান্তমূলখ শাস্তি হোক এটি সবার প্রত্যাশা। ভবিষ্যতে কেউ কোনো প্রকার বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে সেজন্য উচ্চপর্যায়ের চিকিৎসকদের নিয়ে তিন সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত রিপোর্টে যারা দোষী প্রমাণিত হবে তারা যেন কোনো প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটাতে পারে সেজন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এদিকে, নোয়াখালী আবদুল মালেক উকিল মেডিকেল কলেজে সংঘর্ষ ও কলেজ শাখার ছাত্রলীগের সভাপতি মনির হোসেনের ওপর হামলা ঘটনায় জড়িত থাকার এবং দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে কলেজে শাখার ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক ও মেডিসিন ক্লাবের সভাপতি ৫ম বর্ষের শিক্ষার্থী জাবেদ মুন্না একই বর্ষের ছাত্র এবং কলেজ হোস্টেলের সাধারণ সম্পাদক ও মেডিসিন ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ফরহাদুল ইসলামকে বহিষ্কার করেছে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সংসদ।

এছাড়া, দ্বিতীয় দিনের মতো বুধবারও শিক্ষার্থীরা ক্লাস বর্জন করে মানববন্ধন ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে।
বেলা ১১টার সময় আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা মেডিকেল কলেজে সামনে ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধন করে।

এ সময় শিক্ষার্থীরা ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শাস্তি দাবিসহ তাদের চার দফা দাবি দ্রুত বাস্তয়ানের দাবি জানান। যতক্ষণ পর্যন্ত তাদের দাবি মান না হবে ততক্ষণ পর্যন্ত তারা কোনো ক্লাস করবেন না এবং সামনে আরও কঠিন কর্মসূচি দেয়ার হুঁশিয়ারি দেন।

মিজানুর রহমান/এএম/জেআইএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।