চাঁদা না পেয়ে ব্যবসায়ীর হাত কেটে আলাদা
চাঁদা না দেয়ায় নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলার দেওটি ইউনিয়নের পতিশ গ্রামে আমির হোসেন সোহাগ (২৩) নামে এক ব্যবসায়ীর হাত কেটে আলাদা করলো সন্ত্রাসীরা।
আহত আমির হোসেন সোহাগ উপজেলার দেওটি ইউনিয়নের পতিশ গ্রামের আবদুল মালেকের ছেলে। তিনি স্থানীয় কড়িহাটি বাজারে বাবার সঙ্গে নিজেদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করেন।
মঙ্গলবার দুপুরে গুরুতর আহত অবস্থায় ব্যবসায়ী সোহাগকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, কাটা হাতটি আর জোড়া লাগানো যাবে না। এর আগে, সোমবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে পতিশ গ্রামের কড়িহাটি বাজারের পূর্ব পাশে প্রধান সড়কের এ হামলার ঘটনা ঘটে।
আহত সোহাগের চাচাতো ভাই হানিফ জানান, চিহ্নিত কিছু সন্ত্রাসী দীর্ঘদিন ধরে কড়িহাটি বাজারের ব্যবসায়ী আবদুল মালেক ও তার ছেলে সোহাগের চাঁদা দাবি করে আসছিলেন।
চাঁদা না পেয়ে ক্ষিপ্ত হয়ে সোমবার রাতে পতিশ গ্রামের সোহাগের বাড়ির পাশের রাস্তায় বড় আজগর (২৫), আলো (২৬), লিটন (২৬), ছোট আজগর (২৪), নজরুলসহ (২৫) ১০-১২ জনের একদল সন্ত্রাসী অতর্কিত হামলা চালিয়ে মারধর করে সোহাগকে। একপর্যায়ে সন্ত্রাসীরা সোহাগের একটি হাত কেটে সম্পূর্ণ আলাদা করে ফেলেন। পরে সোহাগের চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে আসলে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যান।
স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় সোহাগকে উদ্ধার করে প্রথমে সোনাইমুড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। পরে সেখান থেকে তাকে রাতেই নোয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
নোয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসকরা উন্নত চিকিৎসার তাকে ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে নেয়ার পরামর্শ দেন। মঙ্গলবার দুপুরে গুরুতর আহত অবস্থায় ব্যবসায়ী সোহাগকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
সোনাইমুড়ী থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইসমাঈল মিঞা বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, রাতেই এসআই নাজিমের নেতৃত্বে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। আহত সোহাগের পরিবারকে থানায় লিখিত অভিযোগ দিতে বলা হয়েছে। অভিযোগ পেলে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।
মিজানুর রহমান/এএম/পিআর