ভৈরবে দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত ২৫, ১০ বাড়িতে আগুন

জাগো নিউজ ডেস্ক
জাগো নিউজ ডেস্ক জাগো নিউজ ডেস্ক ভৈরব (কিশোরগঞ্জ)
প্রকাশিত: ০৮:০৮ পিএম, ০৯ আগস্ট ২০১৮

কিশোরগঞ্জের ভৈরব উপজেলায় দুই পক্ষের সংঘর্ষে অন্তত ২৫ জন আহত হয়েছেন। সংঘর্ষ চলাকালে কমপক্ষে ১০টি বাড়িতে আগুন দেয়া হয়েছে। চালানো হয়েছে লুটপাট ও ভাঙচুর। বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলার সাদেকপুর ইউনিয়নের মেন্দিপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

প্রতক্ষদর্শীরা জানান, গত ১৫ জুলাই ভৈরবের সাদেকপুর ইউনিয়নের রসুলপুর গ্রামের সিএনজি চালক সিদ্দিক মিয়া (৪২) ভাড়া নিয়ে ঝগড়ায় মেন্দিপুর এলাকায় খুন হন। এই ঘটনায় তার ভাই রইছউদ্দিন এলাকার চেয়ারম্যান শেফায়েত উল্লাকে প্রধান আসামি করে ৫৬ জনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করেন। মামলার ৩০ জন আসামি গত সোমবার কিশোরগঞ্জ আদালত থেকে জামিন পেয়ে আজ দুপুরে তাদের বাড়িতে যায়। এ সময় প্রতিপক্ষ বাদীর লোকজন তাদের বাধা দেয়। এ সময় উভয়পক্ষ দা, বল্লম, লাঠিসহ ইট পাটকেল নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে ভৈরব থানা পুলিশ ও সহকারী কমিশনার ( ভূমি) এবং ম্যাজিস্ট্রেট জাকির হোসেন ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।

সংঘর্ষে উভয়পক্ষের অন্তত ২৫ জন আহত হন। আহতদের মধ্য সাতজনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও পঙ্গু হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে এবং সাতজনকে ভৈরব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। অন্যরা স্থানীয় ক্লিনিক থেকে চিকিৎসা নিয়েছেন।

bhoirob02

ভৈরব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ডা. মো. আমজাদ হোসেন জানান, ঢাকায় পাঠানো আহত সাতজনের মধ্যে ইয়াকুব নামে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

ভৈরব ফায়ার সার্ভিসের ইনচার্জ আক্কাছ আলী জানান, মেন্দিপুর গ্রামে আগুনের ঘটনা ভয়াবহ। ১০টি ঘর ও শতাধিক খড়ের পালা নেভাতে ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা কাজ করছে।

ভৈরব থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোখলেছুর রহমান জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

তিনি আরও জানান, সাদেকপুর ইউপির চারটি গ্রাম ঝগড়াটে গ্রাম হিসেবে পরিচিত। এসব গ্রামে দুটি শক্তিশালী গ্রুপ যুগ যুগ ধরে ঝগড়া-বিবাদ করে আসছে। গত দুই বছরে ওই এলাকায় চারটি খুনের ঘটনা ঘটেছে।

আসাদুজ্জামান ফারুক/আরএআর/পিআর

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।