সড়ক নাকি ধুলার রাজ্য?

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি রাজবাড়ী
প্রকাশিত: ০৩:৫৮ পিএম, ২৪ নভেম্বর ২০১৮

রাজবাড়ী-কুষ্টিয়া আঞ্চলিক মহাসড়কের উন্নয়ন কাজের ধীরগতিতে সদর উপজেলার প্রায় ১০ কিলোমিটার সড়ক এখন ধুলার রাজ্যে পরিণত হয়েছে। ধুলার কারণে সড়কের পাশে অবস্থিত বিভিন্ন দফতর, শিক্ষা ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও বাসাবাড়িতে বসবাসরত মানুষ অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। এছাড়া সড়ক উন্নয়ন কাজের মান নিয়েও স্থানীয়দের মধ্যে রয়েছে ক্ষোভ।

রাজবাড়ী-কুষ্টিয়া আঞ্চলিক মহাসড়কের প্রায় ৪৫ কিলোমিটার অংশের পুরোটাই ছিল খানাখন্দে ভরা। সড়ক বিভাগের তত্ত্বাবধানে প্রায় ১ বছর আগে সড়কের উন্নয়ন কাজ শুরু হলেও এখনও দৃশ্যমান কোনো উন্নয়ন হয়নি। এছাড়া ধীরগতির কাজ আর নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহারে ধুলায় নাকাল সড়কটি।

রাজবাড়ী সড়ক ও জনপথ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, ৩৯৫ কোটি টাকা ব্যয়ে রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ মোড়-কুষ্টিয়া আঞ্চলিক মহাসড়কের চারটি প্যাকেজে কাজ চলমান রয়েছে। এগুলো হলো- গোয়ালন্দ মোড় টু শ্রীপুর জেলা পরিষদ পর্যন্ত দুই লেন, জেলা পরিষদ টু চর বাগমারা আহমদ আলী মৃধা কলেজ পর্যন্ত ফোর লেন, চর বাগমারা টু পাংশার শিয়ালডাঙ্গী পর্যন্ত দুই লেন এবং বাগমারা টু জৌকুড়া ধাওয়াপাড়া ঘাট পর্যন্ত দুই লেন সড়কের উন্নয়ন কাজ।

সড়কে চলাচলরত যানবাহনের চালকরা জানান, সড়কে সৃষ্ট ধুলায় চলাচল করা প্রায় অসম্ভব। একটা গাড়ি চলে গেলে পেছনের গাড়িটি ধুলার কারণে কিছু দেখতে পায় না। ফলে দুর্ঘটনার শঙ্কা থাকে।

RAJBARI-SAROK

অপরদিকে সড়কের পাশে থাকা বাড়িগুলোর জানালা দরজা সব সময় ধুলার কারণে বন্ধ রাখতে হয়। নির্মাণ কাজের শুরু থেকে ধুলার মধ্যেই বসবাস তাদের।

তাছাড়া অভিযোগ রয়েছে, এ উন্নয়ন কাজে নিম্নমানের অনেক উপকরণ ব্যবহার করছে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান। ভালো নির্মাণ সামগ্রী দিয়ে দ্রুত কাজ শেষ করার অনুরোধ জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ওহায়িদ কনস্ট্রাকশনের প্রতিনিধি ইঞ্জিনিয়ার আমজাদ হোসেন জানান, কাজের গুণগত মান বজায় রেখে কাজ করছেন তারা। সড়ক ও জনপথ বিভাগ নিয়মিত টেস্টের মাধ্যমে সেটি তদারকি করছেন। এছাড়া সড়কের ধুলা নিয়ন্ত্রণে প্রতিনিয়তই পানি দিচ্ছেন সড়কে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই কাজ শেষ হবে।

রুবেলুর রহমান/এফএ/জেআইএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।