টেকনাফে ফের ‘বন্দুকযুদ্ধে’ মাদক ব্যবসায়ী নিহত

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি কক্সবাজার
প্রকাশিত: ১০:৫০ এএম, ১৪ ডিসেম্বর ২০১৮
প্রতীকী ছবি

কারান্তরীণ ব্যক্তির ‘বন্দুকযুদ্ধের’ মামলায় আসামি হওয়া নিয়ে সমালোচনার মুখে কয়েকদিন বন্ধ থাকার পর টেকনাফে ফের ‘বন্দুকযুদ্ধে’ এক মাদক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। শুক্রবার ভোরে কক্সবাজারের টেকনাফ সদরের ছোট হাবিবপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে।

ঘটনাস্থল থেকে ১১টি অস্ত্র, ২৪ রাউন্ড বুলেট ও ৩০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ সময় পাঁচ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন বলে দাবি করেছেন টেকনাফ মডেল থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশ।

নিহত ইউছুফ জালাল বাহাদুর (৩২) কক্সবাজারের টেকনাফ সদরের ছোট হাবিব পাড়ার খলিলুর রহমানের ছেলে। তার বিরুদ্ধে হত্যা, মাদকসহ বিভিন্ন অভিযোগে এক ডজনের বেশি মামলা রয়েছে।

টেকনাফ মডেল থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশ বলেন, মাদক ব্যবসায়ী ইউছুফ জালাল বাহাদুরকে আগের দিন গ্রেফতার করা হয়। শুক্রবার ভোরে তাকে নিয়ে অভিযানে যায় পুলিশ। ছোট হাবিবপাড়ায় পৌঁছালে বাহাদুরের সহযোগীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ করলে টেকনাফ মডেল থানার এসআই শরীফুল ইসলাম, এএসআই ফারুকুজ্জামান, কনস্টেবল রুবেল শর্মা, ইব্রাহীম, মহি উদ্দিন আহত হন।

এ সময় পুলিশ আত্মরক্ষায় গুলিবর্ষণ করলে বাহাদুরের সহযোগীরা পালিয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থল থেকে গুলিবিদ্ধ বাহাদুরকে উদ্ধার করে টেকনাফ উপজেলা সদর হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে কক্সবাজারে রেফার করেন। কিন্তু কক্সবাজার নেয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় পৃথক মামলা দায়ের করা হচ্ছে বলে উল্লেখ করেন ওসি।

এর আগে গত ১ ডিসেম্বর রাতের এক বন্দুকযুদ্ধের ঘটনায় ৩টি পৃথক মামলায় তিনজনকে আসামি করে পুলিশ। এরা হলেন- কক্সবাজারের টেকনাফের বাহারছড়া ইউনিয়নের হাজমপাড়া গ্রামের ছৈয়দুল ইসলাম (২৪), পুরানপাড়া গ্রামের জসিম উদ্দিন (৪০) ও একই গ্রামের সামশুল আলম (২০)। এদের মধ্যে ছৈয়দ একটি হত্যা মামলার প্রধান আসামি হিসেবে ৮ মাস ধরে কক্সবাজার জেলা কারাগারে আর বাকি দু’জন একটি ইয়াবা মামলায় প্রায় ৬ মাস যাবৎ চট্টগ্রাম কারাগারে হাজতি হিসেবে বন্দী রয়েছেন। অথচ এ তিন হাজতিকেই নতুন করে মামলার আসামি করায় সেসময় জেলাজুড়ে নিন্দার ঝড় ওঠে। আর তারপর থেকেই কিছুদিন বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা বন্ধ ছিল টেকনাফে।

সায়ীদ আলমগীর/এফএ/পিআর

আপনার মতামত লিখুন :