লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়েছে টেকনাফ স্থলবন্দরের রাজস্ব আয়

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি কক্সবাজার
প্রকাশিত: ১০:৪৭ এএম, ০৩ মার্চ ২০১৯
ফাইল ছবি

বৈরী আবহাওয়া ও মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ অস্থিরতায় আমদানিতে ব্যত্যয় ঘটার পরও কক্সবাজারের টেকনাফে স্থলবন্দরের সীমান্ত বাণিজ্যে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে দুই কেটি টাকার বেশি রাজস্ব আদায় হয়েছে। ফেব্রুয়ারি মাসে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) নির্ধারিত ১৫ কোটি ৪৭ লাখ টাকা লক্ষ্যমাত্রায় আদায় হয়েছে সাড়ে ১৭ কোটি টাকা। মিয়ানমারে অভ্যন্তরীণ অস্থিরতায় প্রধান আমদানি পণ্য কাঠ আসা বেশ কিছুদিন বন্ধ থাকার পরও টার্গেটের চেয়ে রাজস্ব আদায় বেশি হওয়ায় খুশি শুল্ক বিভাগ।

স্থলবন্দর শুল্ক বিভাগ জানায়, ২০১৮-২০১৯ অর্থবছরের ফেব্রুয়ারি মাসে মিয়ানমার থেকে পণ্য আমদানি করা হয়েছে ৪৪ কোটি ৯৩ লাখ ৫৪ হাজার টাকার। এর বিপরীতে ৩২০টি বিল অব এন্ট্রির মাধ্যমে ১৭ কোটি ৪৬ লাখ ২৩ হাজার টাকার রাজস্ব আদায় হয়েছে। এ মাসে লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১৫ কোটি ৪৭ লাখ টাকা। সে হিসেবে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে দুই কোটি টাকা বেশি আদায় হয়েছে।

অপরদিকে ৪৬টি বিল অব এক্সপোর্টের মাধ্যমে এক কোটি ৫১ লাখ ৮০ হাজার টাকার পণ্য মিয়ানমারের রফতানি হয়। আর শাহপরীরদ্বীপ করিডোর দিয়ে মিয়ানমার থেকে এক হাজার ৯৬০টি গরু, ৮৫১টি মহিষ আমদানি করা হয়েছে। এখানে রাজস্ব আয় হয়েছে ১৪ লাখ ৫ হাজার ৫০০ টাকা।

টেকনাফ স্থলবন্দরের শুল্ক কর্মকর্তা শংকর কুমার দাশ জানান, ফেব্রুয়ারি মাসে মিয়ানমারে অভ্যন্তরীণ সমস্যার কারণে সীমান্ত বাণিজ্য ব্যবসায় মন্দা ভাব দেখা দেয়। বেশ কিছুদিন আমদানি বন্ধ থাকায় একপর্যায়ে মাসিক টার্গেট পূরণ নিয়েও শঙ্কা দেয়া দেয়। মিয়ানমার থেকে প্রতিমাসে বিপুল পরিমাণ কাঠ আমদানি হয়। এখন পর্যন্ত কাঠ আমদানি বন্ধ রয়েছে। এরপরও অন্যান্য আমদানি পণ্য (আচার, আদা, বরই, তেঁতুল বিচি, ক্যালসিয়াম, শুঁটকিসহ নানা ভোগ্যপণ্য) নিয়মমতো আসায় লক্ষ্যমাত্রা পূরণ সম্ভব হয়েছে।

তিনি আরও জানান, গত জানুয়ারিতে কাঠ আমদানি করে দুই কোটি ৭২ লাখ টাকার মত রাজস্ব আদায় হয়েছে। সীমান্ত বাণিজ্য আরও গতিশীল করতে সকলের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন এই শুল্ক কর্মকর্তা।

সায়ীদ আলমগীর/আরএআর/এমএস