ফণীর প্রভাব পড়েনি বেনাপোল স্থলবন্দরে

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি বেনাপোল (যশোর)
প্রকাশিত: ১১:০৯ এএম, ০৫ মে ২০১৯

ফণীর প্রভাবে শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে শনিবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত বাতাস ও বৃষ্টি অব্যাহত ছিল। তবে শনিবার সকাল থেকে বেনাপোল-পেট্রাপোল বন্দর দিয়ে আমদানি-রফতানি কার্যক্রম স্বাভাবিক ছিল। একই অবস্থা ছিল পাসপোর্ট যাত্রীদের ক্ষেত্রেও। কিন্তু যাত্রী সংখ্যা অন্যান্য দিনের তুলনামূলক কম ছিল।

জানা যায়, বন্দর ও কাস্টম কর্তৃপক্ষ, বন্দর ব্যবহারকারী বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ সাধারণ মানুষের মনে আতঙ্ক ছিল সাতক্ষীরা ও পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের চব্বিশ পরগনায় ফণী আঘাত হানতে পারে। এ কারণে ওই এলাকার মাত্র ৫০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত বেনাপোল বন্দরেও পড়তে পারে ঘূর্ণিঝড়ের বড় প্রভাব। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যেও বেশ আতঙ্ক লক্ষ্য করা যায়।

তবে ঘূর্ণিঝড় ফণী মোকাবিলায় জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ব্যাপক প্রস্তুতি নেয়া হয়। জেলা ও উপজেলায় খোলা হয় কন্ট্রোল রুম। ফণী আতঙ্কে শনিবার সব স্কুল বন্ধ ছিল। অফিস আদালতে উপস্থিতি ছিল একেবারে কম।

শনিবার বেলা ১১টার দিকে যশোর অতিক্রম করেছে ঘূর্ণিঝড় ফণী। বাতাসে যার গতিবেগ ছিল ৬২-৮৮ কিলোমিটার পর্যন্ত। এর প্রভাবে ঝড়ো হাওয়া ও মাঝারি বৃষ্টিপাত হয়। তবে আগে থেকেই মানুষ সতর্ক থাকায় তেমন ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।

বেনাপোল স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের উপ-পরিচালক (প্রশাসন) আব্দুল জলিল জানান, অন্যান্য দিনের মতো শনিবারও আমদানি-রফতানি স্বাভাবিক ছিল। বন্দরের অভ্যন্তরে ভারত থেকে আসা পণ্য আনলোড করা হয়েছে। তবে শনিবার কোনো পণ্য আমদানিকারকরা খালাস না নেয়ায় বন্দর থেকে কোনো পণ্য খালাস হয়নি। বন্দরের অন্যান্য কার্যক্রম স্বাভাবিক নিয়মে চলেছে। ফণীর কোনো প্রভাব বন্দরে পড়েনি।

বেনাপোল চেকপোস্ট পুলিশ ইমিগ্রেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল বাশার জানান, এ পথে প্রতিদিন প্রায় ৬ থেকে ৮ হাজার যাত্রী আসা-যাওয়া করেন। তবে ফণী আতঙ্কে শুক্রবার সকাল থেকেই যাত্রীদের যাতায়াত অনেক কম ছিল। শনিবার ইমিগ্রেশনে যাত্রীর চাপ ছিল না।

জামাল হোসেন/এফএ/এমএস