স্বস্তিতে ঢাকায় ফিরছেন কর্মজীবীরা
ঈদের ছুটি শেষে সরকারি অফিস খুলছে রোববার। তাই শনিবার থেকেই পুরোদমে ঢাকায় ফিরছেন কর্মজীবী মানুষ। প্রিয়জনের সঙ্গে ঈদ কাটানো শেষে দক্ষিণ পশ্চিমঞ্চালের ২১ জেলার প্রবেশদ্বার হিসেবে খ্যাত রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া দিয়ে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ফিরতে শুরু করেছেন কর্মজীবীরা।
শনিবার দৌলতদিয়া ঘাটে দেখা যায়নি যানবাহন ও যাত্রীদের বাড়তি চাপ। তবে ছোট গাড়ি, মাইক্রোবাস ও প্রাইভেটকারের কিছুটা চাপ লক্ষ্য করা গেছে। এছাড়া ৪০-৫০টি বাস সিরিয়ালে ছিল। যা অল্প সময়ের মধ্যে সরাসরি ফেরিতে উঠেছে। বলা যায় স্বস্তিতে ঢাকায় ফিরছেন কর্মজীবীরা।

এদিকে, লঞ্চঘাটে ঢাকামুখী যাত্রীদের কিছুটা চাপ থাকলেও ছিল না কোনো ভোগান্তি। তবে আগামীকাল রোববার যানবাহন ও যাত্রীদের বাড়তি চাপ থাকবে বলে ধারণা করছে দৌলতদিয়া ঘাট কর্তৃপক্ষ। পাশাপাশি আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে তৎপর থাকতে দেখা গেছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের। এছাড়া ঘাট এলাকায় ছিলেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।
ঢাকামুখী যাত্রীরা জানান, এ বছর দৌলতদিয়া ঘাটে কোনো ভোগান্তি নেই। আগে দৌলতদিয়া ঘাটের ভোগান্তিতে নাজেহাল হয়ে যেতেন যাত্রীরা। কিন্তু গত বছর ভোগান্তি ছাড়া ঈদের আগে ও পরে নদী পারাপার হয়েছেন তারা। প্রিয়জনের সঙ্গে ঈদ শেষে আজ ঢাকায় ফিরছেন ভোগান্তি ছাড়া। যা আগে ভাবা যেত না। এজন্য ঘাট কর্তৃপক্ষ ও প্রশাসন ভূমিকা রেখেছে। তবে ঈদের সময় একটু ধাক্কাধাক্কি ও ব্যাগ টানাটানি না থাকলে আরও ভালো লাগতো যাত্রীদের।

পরিবহনের চালকরা জানান, দৌলতদিয়া প্রান্তে ঈদের আগে ও পরে যাত্রীদের নিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা সিরিয়ালে থাকতে হতো। কিন্তু এখন আর থাকতে হয় না। ঈদের সময় বাড়তি যানবাহনের চাপের কারণে ফেরিতে উঠতে অল্প সময় সিরিয়ালে থাকতে হয়। এতে তাদের তেমন কষ্ট অনুভূত হয় না।
বিআইডব্লিউটিসি দৌলতদিয়া ঘাট শাখার ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে রোরো ১১টি, কে-টাইপ দুটি ও ইউটিলিটি সাতটিসহ মোট ২০টি ফেরি চলাচল করছে। ছয়টি ঘাট সচল রয়েছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে এবং ফেরিগুলো স্বাভাবিকভাবে চলাচল করলে ফেরি পারাপারে কোনো সমস্যা হবে না। ভোগান্তি ছাড়া কর্মমুখী যাত্রী ও যানবাহন তাদের গন্তব্যে পৌঁছাতে পারবে।
রুবেলুর রহমান/এএম/এমএস