ফরিদপুরে জোড়া খুনে ১৩ জনের যাবজ্জীবন

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি ফরিদপুর
প্রকাশিত: ০২:১৪ পিএম, ১৯ জুন ২০১৯

ফরিদপুরের সালথা উপজেলার নটখোলা গ্রামে গঞ্জর খাঁ ও মুশা মোল্লা নামে দুই ব্যক্তিকে হত্যার ঘটনায় ১৩ জনের যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে দণ্ডপ্রাপ্ত প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে আরও ৬ মাস করে কারাদণ্ডাদেশ দেয়া হয়েছে।

বুধবার দুপুরে ফরিদপুরের বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. মতিয়ার রহমান এ রায় দেন। রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে ১১ জন আদালতে হাজির ছিলেন। বাকি দুইজন পলাতক রয়েছেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- মান্নান খান, সুরমান খাঁ, মাজেদ খাঁ, ওয়াজেদ খাঁ, রাশেদ খাঁ, সিদ্দিক ফকির, সোহরব ফকির, আফসার ফকির, ফজলু ফকির, রহমান খাঁ, রেজাউল খাঁ, জিকির খাঁ ও ওসমান ফকির।

এদিকে দণ্ডপ্রাপ্ত ১১ আসামিকে আদালত থেকে জেল হাজতে নেয়ার সময় দায়িত্বপ্রাপ্ত কোর্টের এসআই শাহ আলমের কাছ থেকে আফসার ফকির (৪৬) নামে এক আসামি পালিয়ে যান। এছাড়াও রায় ঘোষণার সময় অনুপস্থিত ছিলেন সোহরব ফকির ও জিকির খাঁ।

ফরিদপুর বিশেষ জজ আদালতের পিপি অ্যাডভোকেট গোলাম রব্বানী বাবু মৃধা জানান, গত ২০০৩ সালের ২৩ ডিসেম্বর সকাল সাড়ে ৭টায় জেলার সালথা উপজেলার নটখোলা গ্রামে পিয়াজের দানা তোলাকে কেন্দ্র করে একটি সালিশ বৈঠক হয়। ওই সালিশ বৈঠক চলাকালে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে আসামি পক্ষ গঞ্জর খাঁ ও মুশা মোল্লাকে কুপিয়ে হত্যা করে। ওই দিনই নিহত মুশা মোল্লার ভাই আলাল মোল্লা বাদী হয়ে মোট ২৭ জনের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় দীর্ঘ সাক্ষ্যগ্রহণ ও শুনানি শেষে আজ আসামিদের মধ্যে ১৩ জনের যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দেন আদালত। মামলার বাকি ১৪ আসামিকে বেকুসর খালাস দেয়া হয়।

আদালত চত্বর থেকে আসামি পলায়নের বিষয়ে ফরিদপুর কোতয়ালী থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ এফ এম নাসিম জানান, আদালত থেকে আসামিদের জেল হাজতে নেয়ার সময় স্বজনদের প্রচুর ভিড় ছিল। এ সময় অসাবধানতাবশত আফসার ফকির নামে এক আসামি পালিয়ে যায়। তাকে ধরতে অভিযান চালানো হচ্ছে।

বি কে সিকদার সজল/আরএআর/পিআর/এমএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।