ম্যানচেস্টারে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ফুটবলার রিপনের পাশে ফরিদপুরের ডিসি

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি ফরিদপুর
প্রকাশিত: ১০:২২ পিএম, ১৬ জুলাই ২০২০

বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় ফুটবল ক্লাব ইংল্যান্ডের ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে প্রশিক্ষণ নেয়া ফরিদপুরের ফুটবলার রিপন কুমার দাসের পাশে দাঁড়িয়েছেন ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক (ডিসি) অতুল সরকার। তার দিকে সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন ডিসি। বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) রিপনকে ডেকে এনে পরিবারের ভরণপোষণের জন্য ১০ হাজার টাকা প্রদান করেছেন তিনি।

একই সঙ্গে জেলা প্রশাসক অতুল সরকার তাকে ক্রীড়াঙ্গনে সম্মানজনক পেশায় যুক্তকরণসহ খেলাধুলায় ফিরিয়ে দিতে সর্বাত্মক উদ্যোগ গ্রহণ করবেন বলে জানিয়েছেন।

ফরিদপুর জেলা শহরের কুঠিবাড়ী এলাকার বাসিন্দা রিপন কুমার দাস। ছোটবেলা থেকেই ফুটবলে আগ্রহী। সেই আগ্রহ ও প্রচেষ্টায় ২০১২ সালে মুঠোফোন কোম্পানি এয়ারটেলের প্রতিভা অন্বেষণ কর্মসূচিতে নির্বাচিত হয়ে যে ১২ জন ফুটবলার ইংল্যান্ডের ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে অনুশীলনের সুযোগ পেয়েছিলেন, তাদের একজন মিডফিল্ডার রিপন।

সারা দেশের ৬০ হাজার ছেলের মধ্যে থেকে বাছাই করে ওই ১২ জনকে নেয়া হয়েছিল। ইংল্যান্ডের ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড যাকে দেখিয়েছিল বড় খেলোয়াড় হওয়ার স্বপ্ন। ম্যানচেস্টার থেকে আসার পর ২০১৪ সালে আবাহনী অনূর্ধ্ব-১৬ দলের হয়ে খেলেছিলেন রিপন। এরপর তৃতীয়, দ্বিতীয় ও প্রথম বিভাগ হয়ে ২০১৯ সালে খেলেন বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়নশিপ লিগে। কিন্তু প্রতিভা বিকাশের জন্য যে রকম ভালো কোচের অধীনে তার খেলা দরকার ছিল, পাননি সে রকম কাউকে।

পরবর্তীতে জীবনের বাস্তবতায় ফুটবল খেলার স্বপ্ন শুধু স্বপ্নই থেকে যায়। জীবনের তাগিদে ফরিদপুর সড়ক বিভাগে মাস্টার রোলের পরিচ্ছন্নতাকর্মীর কাজ নেন রিপন। ওই খান থেকে যা বেতন পান তা দিয়েই কোনোরকমে জীবিকা নির্বাহ করছেন তিনি।

বিষয়টি নিয়ে বুধবার (১৫ জুলাই) জাগো নিউজে ‘ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে প্রশিক্ষণ নেয়া ফুটবলার ফরিদপুরের ঝাড়ুদার’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হলে বিষয়টি নজরে আসে জেলা প্রশাসক অতুল সরকারের।

বিষয়টি জানতে পেরে বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) জেলা প্রশাসক অতুল সরকার ফুটবলার রিপনকে অফিসে ডেকে এনে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন। একই সঙ্গে তাকে ক্রীড়াঙ্গনে সম্মানজনক পেশায় যুক্তকরণসহ খেলাধুলায় ফিরিয়ে দিতে সর্বাত্মক উদ্যোগ গ্রহণ করবেন বলে জানান।

বি কে সিকদার সজল/এএম/জেআইএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]