অবশেষে ধরা খেলেন তারা!
যশোরে আন্তঃজেলা ইজিবাইক চোর চক্রের আট সদস্যকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তাদের কাছ থেকে আটটি ইজিবাইক ও চুরি করার যন্ত্রপাতি উদ্ধার করা হয়েছে।
শুক্রবার যশোর ও খুলনার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। শনিবার দুপুরে নিজ দপ্তরে ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান পুলিশ সুপার মুহাম্মদ আশরাফ হোসেন।
গ্রেফতাররা হলেন যশোর সদর উপজেলার আমবটতলা এলাকার আব্দুল আজিজের ছেলে রাজু, নূরপুর দক্ষিণপাড়ার জামাল গাজীর ছেলে রবিউল ইসলাম গাজী, যশোর শহরের বেজপাড়া এলাকার ইয়ার আলী মোল্লার ছেলে শাহাদৎ, মৃত মিজান শেখের ছেলে আনারুল ইসলাম, ধর্মতলা হ্যাচারি পাড়ার জাকির সরদারের ছেলে শাহিন, মণিরামপুর উপজেলার দোনার গ্রামের আশরাফ আলী বিশ্বাসের ছেলে সোহেল রানা, খুলনার হরিণটানা কৈয়া বাজার এলাকার মৃত ইসমাইল হাওলাদারের ছেলে সুমন হাওলাদার ও দিঘলিয়া উপজেলার হাজিগ্রামের বাবুল মোল্লার ছেলে রাজু মোল্লা।
পুলিশ সুপার মুহাম্মদ আশরাফ হোসেন জানান, গত ২ অক্টোবর রাতে যশোর সদর উপজেলার সরদার বাগডাঙ্গা গ্রামের একটি গ্যারেজ থেকে দুটি ইজিবাইক চুরি হয়। ওই ঘটনায় কলিম বিশ্বাস নামে এক ইজিবাইক চালক ৫ অক্টোবর অজ্ঞাতনামা আসামি করে কোতোয়ালি থানায় মামলা করেন।
পরবর্তীতে মামলাটি তদন্তের জন্য ডিবি পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এরপর ডিবি ওসি সোমেন দাশের নেতৃত্বে ডিবির একটি টিম শুক্রবার (৬ নভেম্বর) বিকেলে যশোর শহরের পালবাড়ি এলাকা থেকে ৫ সদস্য সদস্যকে আটক করে। তাদের স্বীকারোক্তি মতে যশোর সদরের নূরপুর থেকে একজন, মণিরামপুরের রাজগঞ্জ থেকে একজন এবং খুলনার হরিণটানা কৈয়া বাজার থেকে চোর চক্রের প্রধান সুমন হাওলাদারকে আটক করা হয়।
পরে সুমনের স্বীকারোক্তি মতে খুলনার হরিণটানা ও সোনাডাঙ্গা থেকে আটটি ইজিবাইক উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত ইজিবাইকের মধ্যে যশোর সদর উপজেলার সরদার বাগডাঙ্গা গ্রামের গ্যারেজ থেকে চুরি যাওয়া দুটি ইজিবাইক রয়েছে।
পুলিশ সুপার আরও জানান, উদ্ধারকৃত বাকি ৬টি ইজিবাইকের মালিকরা বৈধ কাগজপত্র নিয়ে যোগাযোগ করলে তাদের আইনি প্রক্রিয়ায় তা ফেরত দেয়া হবে।
ব্রিফিংয়ে উপস্থিত ছিলেন যশোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম, ডিবি ওসি সোমেন দাস প্রমুখ।
মিলন রহমান/এমএএস/জেআইএম