ধসে গেল কুমার নদ তীরবর্তী বাড়িঘর-সড়ক

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি ফরিদপুর
প্রকাশিত: ০৭:৫৬ পিএম, ২৯ নভেম্বর ২০২০

কুমার নদের ফরিদপুর শহরের ভাটিলক্ষ্মীপুর এলাকায় নদের পারের বিরাট এলাকা ধসে গেছে। এতে বেশ কয়েকটি বসতবাড়ি ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের বেড়িবাঁধের ওপর পাকা সড়কের অন্তত ৩০০ মিটার অংশ ধসে গেছে।

রোববার (২৯ নভেম্বর) বিকেলে ধসে যায় সাতটি বসতবাড়ি এবং কয়েকদিন আগে ধসে গেছে সড়ক। ফলে ধসে যাওয়া বসতবাড়ির আশপাশে নিবাসীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। সেই সঙ্গে লক্ষ্মীপুর চুনাঘাটা সড়কের সাড়ে ৩০০ মিটার অংশ ধসে পড়ায় সড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে।

ধসে পড়া বাড়ির মালিকরা হলেন- ভাটিলক্ষ্মীপুর এলাকার কুমার নদের পাড়ের মীর আলমাস, রহিম শেখ, মুনসুর খান, ফিরোজ কবিরাজ, করিম মোল্লা, রুনা বেগম, মোহাম্মদ আলী, জাকির হোসেন ও শেখ করিম।

ক্ষতিগ্রস্ত মীর আসমাস, রুনা বেগম, রহিম শেখ জানান, অপরিকল্পিতভাবে নদী খনন ও খননকৃত মাটি পাড়ে না ফেলে বিক্রি করে দেয়াই নদী ভাঙন দেখা দিয়েছে। তাদের দাবি দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়ে স্থানীয়দের জানমাল রক্ষায় সংশ্লিষ্ট দফতর পদক্ষেপ নেবে।

স্থানীয় বাসিন্দা শাহারিয়ার কাদির রুবেল বলেন, বেশ কিছুদিন ধরেই কুমার নদের বিভিন্ন অংশে সড়ক ও নদের পারে ফাটল দেখা দেয়। শহরের অম্বিকাপুর পল্লী কবি জসীমউদদীনের সমাধির কাছ থেকে লক্ষ্মীপুর চুনাঘাটা পর্যন্ত পাকা সড়কটি পাউবোর বেড়িবাঁধের ওপর নির্মাণ করা হয়।

এ বিষয় ফরিদপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সুলতান মাহমুদ বলেন, বসতবাড়ি ধসে যাওয়ার খবর পেয়ে পরিদর্শনে কর্মকর্তাদের পাঠানো হয়েছে।

ফরিদপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাসুদ রেজা বলেন, সরকারিভাবে আমরা ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে আর্থিক সহায়তা দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। ঝুকিপূর্ণ বাড়িগুলোর বাসিন্দাদের অন্যত্র যাওয়ার পরামর্শ দেয়া হয়েছে।

বি কে সিকদার সজল/এএম/পিআর

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]