ওরা চারজন আর ভিক্ষা করবেন না

উপজেলা প্রতিনিধি উপজেলা প্রতিনিধি কালীগঞ্জ (গাজীপুর)
প্রকাশিত: ০৯:১৮ পিএম, ২৭ জানুয়ারি ২০২১

পঞ্চাশোর্ধ্ব মোজাম্মেল হক ও তানিয়া বেগম (৪৫) দম্পতি দুজনই স্থানীয়ভাবে ভিক্ষা করেন। থাকেন উপজেলার তুমলিয়া ইউনিয়নের চুয়ারিখোলা গ্রামে। একই উপজেলার বাহাদুরসাদী ইউনিয়নের দক্ষিণবাগ গ্রামের ভিক্ষুক ফুল মেহের (৫৫) ও বক্তারপুর ইউনিয়নের মাজুখান গ্রামের ফাতেমা বেগম (৫০)। তারাও স্থানীয়ভাবে বিভিন্ন এলাকায় ভিক্ষাবৃত্তি করেন। কিন্তু এখন থেকে তারা চারজনই আর কখনো ভিক্ষা করবেন না বলে জানিয়েছেন।

বুধবার (২৭ জানুয়ারি) গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের কাছে লিখিত এক অঙ্গীকারনামায় তারা চারজনই এ অঙ্গীকার করেছেন। সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. শিবলী সাদিক।

jagonews24

উপজেলা সূত্রে জানা গেছে, ‘মুজিববর্ষের অঙ্গীকার ভিক্ষুকমুক্ত কালীগঞ্জ গড়ার’ স্লোগান সামনে রেখে ভিক্ষুক মোজাম্মেল হককে মুদি দোকান, তানিয়া বেগমকে গরু, ফুল মেহেরকে রিকশা ও ফাতেমা বেগমকে চাকরির মাধ্যমে ওই চারজনকে কালীগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে পুনর্বাসন করা হয়েছে।

দুপুরে উপজেলা পরিষদ চত্বরে নানা কার্যক্রমের মাধ্যমে প্রধান অতিথি হিসেবে এ কাজের উদ্বোধন করেন গাজীপুর জেলা প্রশাসক এসএম তরিকুল ইসলাম।

jagonews24

এদের মধ্যে ভিক্ষুক ফুল মেহেরের মেয়েজামাই রাকিবুল হাসানের হাতে অটোরিকশার চাবি তুলে দেয়া হয়। এছাড়া ভিক্ষুক ফাতেমা বেগমের মেয়ের হাতে প্রাণ-আরএফএল কোম্পানিতে চাকরির নিয়োগপত্র তুলে দেন জেলা প্রশাসক।

jagonews24

এসময় গাজীপুর জেলা সমাজসেবা অধিদফতরের উপ-পরিচালক এসএম আনোয়ারুল করিম, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শিবলী সাদিক, সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. শাহাদৎ হোসেন, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. জহির উদ্দিন, ‘আমার বাড়ি আমার খামার’ প্রকল্প কর্মকর্তা মো. মোস্তাফিজুর রহমান, আইসিটি অফিসার উদয় হোসেন মিল্টনসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।

আব্দুর রহমান আরমান/এসআর/জেআইএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]