শীত না পড়তেই ফুটপাতে পিঠা বিক্রির ধুম
রাজবাড়ী নদী তীরবর্তী জেলা হলেও এখনও তেমন শীতের আমেজ নেই। তবে শীত না পড়লেও ধুম পড়েছে ফুটপাতে পিঠা বিক্রির। চিতই পিঠা খেতে ফুটপাতের দোকানগুলোতে ভিড় করছেন পিঠা প্রেমীরা। সিরিয়াল দিয়ে পিঠা খাচ্ছে মানুষ। আবার অনেককে পার্সেল করে পরিবারের সদস্যদের জন্য পিঠা বাসায় নিতেও দেখা যায়।
ক্রেতাদের চাহিদা অনুযায়ী পিঠা দিতে হিমশিম খাচ্ছেন বিক্রেতারা। সন্ধ্যা থেকে রাত পর্যন্ত বিক্রেতাদের ৫ থেকে ২০ কেজি চালের পিঠা বিক্রি হয়। এসব পিঠা খেতে দূর দূরান্ত থেকে আসেন ক্রেতারা।
মুখরোচক খাবারের মধ্যে শীতে কদর বাড়ে চিতই ও ভাপা পিঠার। তবে সেটা যদি হয় গরম গরম, তাহলে তো কথাই নাই। তার সঙ্গে যদি থাকে বিভিন্ন ধরনের বাটা মসলা, মাংস ও ভূড়ি।
এ সময় প্রতিটি চিতই পিঠা ৫ ও ভাপা পিঠা ১০ টাকায় বিক্রি করা হয়। চিতই পিঠার সঙ্গে ফ্রি দেয়া হয় ধনিয়া, রাই, মরিচ, শুটকিসহ বিভিন্ন ধরনের বাটা মসলা। এছাড়া হাঁসের মাংস ও ভূড়ি ক্রেতাদের চাহিদা অনুযায়ী বিক্রি হয়।

ক্রেতারা বলেন, সময়, খরচ ও ঝামেলা থেকে মুক্তি পেতেই ফুটপাতের দোকানে পিঠা খেতে আসেন। বাসাতেও নিয়ে যান। বিভিন্ন ধরনের বাটা দিয়ে গরম গরম পিঠা খেতে ভালো লাগে।
তারা আরও বলেন, শীতে গরম গরম পিঠা খাওয়ার মজাই আলাদা। যে কারণে প্রায় প্রতিদিন বন্ধুদের সঙ্গে পিঠা খেতে আসেন।
পিঠা বিক্রেতা শিউলি বলেন, চালের গুঁড়া দিয়ে চিতই ও ভাপা পিঠা বানান। বিভিন্ন ধরনের বাটার সঙ্গে রান্না করা হাঁসের মাংস ও ভূড়ি বিক্রি করেন। তার তৈরি পিঠার মান ভালো হওয়ায় সিরিয়াল দিয়ে সবাই পিঠা খায়। সন্ধ্যা থেকে রাত পর্যন্ত প্রায় ২০ কেজি চালের পিঠা বিক্রি করেন তিনি। এছাড়া শহরে তার মতো আরও অনেক পিঠা বিক্রেতা আছে। শীত যত বাড়বে তাদের পিঠা বিক্রিও ততো বাড়বে।
রুবেলুর রহমান/এফএ/এমএস