বিশ্ব বাণিজ্য যুদ্ধে টিকে থাকতে সক্ষমতা বাড়াতে হবে

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৭:৪৭ পিএম, ১৫ ডিসেম্বর ২০১৮

বিশ্ব বাণিজ্য যুদ্ধের কবল থেকে নিরাপদে থাকতে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি খাতেরও সক্ষমতা বাড়াতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন ট্যারিফ কমিশনের চেয়ারম্যান জহিরুদ্দিন আহমেদ।

তিনি বলেন, এ ক্ষেত্রে শুধু সরকারি প্রতিষ্ঠানেই নয় বেসরকারি প্রতিষ্ঠানেও দক্ষ জনবল প্রয়োজন। কারণ সরকার শুধু নীতি সহায়তা দেয় আর মূল কাজটা করে বেসরকারি উদ্যোক্তারা।

শনিবার (১৫ ডিসেম্বর) বিকেলে ঢাকা ক্লাবের স্যামসন এইচ চৌধুরী সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশন ও ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ট সেক্রেটারিস অব বাংলাদেশের (আইসিএসবি) যৌথ আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন। ‘বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে ট্যারিফ কমিশনের ভূমিকা’ শীর্ষক এ আলোচনায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ট্যারিফ কমিশনের সদস্য ড. মোস্তফা আবিদ খান।

এ ছাড়া বক্তব্য রাখেন আইসিএসবির সাবেক সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ড. ফিরোজ ইকবাল খান প্রমুখ।

জহিরুদ্দিন আহমেদ বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের বাণিজ্য যুদ্ধ উপশম হওয়ার পথ বের হচ্ছে। হয়তো নিজেদের স্বার্থে উভয় দেশ শিগগিরই সঠিক সিদ্ধান্তে আসবে। কিন্তু ট্যারিফ যুদ্ধ কখনো বন্ধ হয় না। আগামীতে এক দেশ আরেক দেশের সঙ্গে ট্যারিফ যুদ্ধে লিপ্ত হবে। আর এটাই হবে বিশ্বের সবচেয়ে বড় যুদ্ধ। বাংলাদেশও এ যুদ্ধের বাইরে নয়।

তিনি দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, দেশের বেশকিছু পণ্যের ওপর পাকিস্তান, তুরস্ক, ভারত ও চীন অ্যান্টি-ডাম্পিং আরোপ করে রফতানিতে বাধা তৈরি করলেও এ ব্যাপারে আমাদের নেগোশিয়েশনের কৌশলটি জানা নেই বললেই চলে। এ বিষয়ে দেশীয় উদ্যোক্তারা কোনো ধরনের সহযোগিতা করতে পারেনি। কোন পণ্যে অ্যান্টি-ডাম্পিং আরোপ করলে বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের সুবিধা হবে সেটাও তারা বলতে পারেনি। এ ক্ষেত্রে বেসরকারি খাতেও দক্ষ জনবল প্রয়োজন।

তিনি বলেন, এ কারণে ট্যারিফ কমিশনের সক্ষমতা বাড়ানো প্রয়োজন হয়ে পড়ছে। এ সংস্থাটি গঠনের পর এখন পর্যন্ত এ ধরনের সমস্যা নিরসনে কোনো আইন-কানুন প্রণয়ন করা হয়নি।

তিনি বলেন, আইসিএসবিতে অনেক প্রফেশনাল বিশেষজ্ঞ রয়েছেন। তাদের নলেজ শেয়ারিংয়ে এ সংগঠনটির সঙ্গে এমওইউ চুক্তি স্বাক্ষর করবে ট্যারিফ কমিশন। এ ব্যাপারে সরকারের পক্ষ থেকে অনুমতি নেয়া হয়েছে। দুটি সংস্থা যাতে এক ছাতার নিচে আবদ্ধ হয়ে কাজ করতে পারে সে লক্ষ্যে এ চুক্তি করা হচ্ছে।

এমইউএইচ/এএইচ/জেআইএম

আপনার মতামত লিখুন :