করোনাভাইরাসে বিশ্ব অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ব্যাহত হতে পারে

জাগো নিউজ ডেস্ক
জাগো নিউজ ডেস্ক জাগো নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: ১০:৫৯ এএম, ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০

চীনের করোনাভাইরাসে গ্রাস করেছে প্রায় অর্ধেক পৃথিবী। মারণব্যাধি এ ভাইরাসে এখন পর্যন্ত কেড়ে নিয়েছে ১৮৬৮ জনের প্রাণ। আক্রান্ত হয়েছেন আরও ৭২ হাজার ৩৫৫ জন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, এ ভাইরাস বিশ্বের বাকি দেশগুলোর জন্য ভয়াবহ হুমকি।

এদিকে ইন্টারন্যাশনাল মনিটারি ফান্ড জানিয়েছে, করোনাভাইরাসের মহামারি বিশ্বের অর্থনৈতিক বৃদ্ধিকে ব্যাহত করতে পারে। ফান্ডের ম্যানেজিং ডিরেক্টর ক্রিস্তালিনা জরজিভা জানিয়েছেন, ‘আমরা আশা করছি, কিছু শতাংশ লোকসান হবে, তারপরও আশা করছি ০.১ থেকে ০.২ শতাংশ পাব।’

দুবাইতে গ্লোবাল উইমেন ফোরামে তিনি এও জানান, ‘করোনা ভাইরাসের প্রকোপে ঠিক কতটা প্রভাব পড়েছে তা নির্ভর করবে পরিস্থিতি কতো তাড়াতাড়ি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হচ্ছে। আমি সকলকে বলতে চাই যে, সবদিক বিচার না করে কোনো সিদ্ধান্ত নেয়া ঠিক নয়। এখনও পরিস্থিতি সবটা হাতের মুঠোয় নয়। নজর রাখা হচ্ছে প্রতি মুহূর্তে, ১০ দিন পরে আমাকে আবার এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করবেন।’

এখনও পুরোপুরিভাবে এ বিষয়ে কথা বলার সময় না আসলেও পর্যটন এবং পরিবহন ব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, ‘এখনও এ ভাইরাসের প্রকৃতি বোঝা যায়নি, চীন কতটা নিয়ন্ত্রণে আনতে পারবে এ পরিস্থিতি তা নিয়েও বেশ কিছুটা সন্দেহ থাকছে। চীন থেকে বাকি দেশগুলো কতটা ক্ষতিগ্রস্ত হবে তা নিয়েও এখনও সম্পূর্ণ ছবি দেয়া কিছুটা অসম্ভব।’

তবে ২০০২ সালে অ্যাকিউট রেসপিরেটরি সিনড্রোম চীনকে যে পরিমাণ ক্ষতিগ্রস্ত করেছিল- সে অবস্থা থেকে বর্তমানে চীন ভালো পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে আছে বলেও তিনি আশ্বস্ত করেন।

আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম জানানো হচ্ছে, করোনাভাইরাসের প্রভাবে এবার তলানিতে পৌঁছেছে চীনের অর্থনীতি। বলা হচ্ছে, ৩০ বছরের ইতিহাসে সবথেকে তলানিতে দেশটির অর্থনীতি। যা শুধু চীন নয়, বিশ্ব অর্থনীতিতে বড় ধাক্কা হতে পারে।

গত চার বছরের মধ্যে চীনের সংস্থাগুলোতে হঠাৎ করেই কমে গিয়েছে লাভের পরিমাণ। করোনাভাইরাসের আতঙ্কে বাইরের বিভিন্ন সংস্থাও চীনে থাকা অফিসগুলো বন্ধ করে দিয়েছে। কর্মীদের দেশে ফিরিয়ে নিচ্ছে। চীনের শেয়ারবাজারেও বড় ধরনের পতন লক্ষ্য করা গেছে। বলা হচ্ছে, গত একমাসে শুধুমাত্র করোনাভাইরাসের জন্য ৪২০ বিলিয়ন ডলার ক্ষতি হয়েছে।

আরএস/জেআইএম

করোনা ভাইরাস - লাইভ আপডেট

১২,৮৭,১৬৮
আক্রান্ত

৭০,৫৩০
মৃত

২,৭১,৮৮৭
সুস্থ

# দেশ আক্রান্ত মৃত সুস্থ
বাংলাদেশ ১২৩ ১২ ৩৩
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ৩,৩৬,৮৫১ ৯,৬২০ ১৭,৯৭৭
স্পেন ১,৩৫,০৩২ ১৩,০৫৫ ৪০,৪৩৭
ইতালি ১,২৮,৯৪৮ ১৫,৮৮৭ ২১,৮১৫
জার্মানি ১,০০,১৩২ ১,৫৮৪ ২৮,৭০০
ফ্রান্স ৯২,৮৩৯ ৮,০৭৮ ১৬,১৮৩
চীন ৮১,৭০৮ ৩,৩৩১ ৭৭,০৭৮
ইরান ৬০,৫০০ ৩,৭৩৯ ২৪,২৩৬
যুক্তরাজ্য ৪৭,৮০৬ ৪,৯৩৪ ১৩৫
১০ তুরস্ক ২৭,০৬৯ ৫৭৪ ১,০৪২
১১ সুইজারল্যান্ড ২১,৬৫২ ৭৩৪ ৭,২৯৮
১২ বেলজিয়াম ২০,৮১৪ ১,৬৩২ ৩,৯৮৬
১৩ নেদারল্যান্ডস ১৮,৮০৩ ১,৮৬৭ ২৫০
১৪ কানাডা ১৫,৫১২ ২৮০ ২,৯৪২
১৫ অস্ট্রিয়া ১২,১৬২ ২২০ ৩,৪৬৩
১৬ পর্তুগাল ১১,৭৩০ ৩১১ ১৪০
১৭ ব্রাজিল ১১,২৯৮ ৪৮৯ ১২৭
১৮ দক্ষিণ কোরিয়া ১০,২৮৪ ১৮৬ ৬,৫৯৮
১৯ ইসরায়েল ৮,৬১১ ৫১ ৫৮৫
২০ সুইডেন ৭,২০৬ ৪৭৭ ২০৫
২১ রাশিয়া ৬,৩৪৩ ৪৭ ৪০৬
২২ অস্ট্রেলিয়া ৫,৭৯৫ ৪১ ২,৪৩২
২৩ নরওয়ে ৫,৭৬০ ৭৩ ৩২
২৪ আয়ারল্যান্ড ৪,৯৯৪ ১৫৮ ২৫
২৫ ডেনমার্ক ৪,৬৪৭ ১৮৭ ১,৩৭৮
২৬ চেক প্রজাতন্ত্র ৪,৫৯১ ৭২ ৯৬
২৭ চিলি ৪,৪৭১ ৩৪ ৬১৮
২৮ ভারত ৪,৩১৪ ১১৮ ৩২৮
২৯ পোল্যান্ড ৪,২০১ ৯৮ ১৬২
৩০ রোমানিয়া ৪,০৫৭ ১৫৭ ৪০৬
৩১ মালয়েশিয়া ৩,৭৯৩ ৬২ ১,২৪১
৩২ ফিলিপাইন ৩,৬৬০ ১৬৩ ৭৩
৩৩ জাপান ৩,৬৫৪ ৮৫ ৫৭৫
৩৪ ইকুয়েডর ৩,৬৪৬ ১৮০ ১০০
৩৫ পাকিস্তান ৩,২৭৭ ৫০ ২৫৭
৩৬ লুক্সেমবার্গ ২,৮০৪ ৩৬ ৫০০
৩৭ ইন্দোনেশিয়া ২,৪৯১ ২০৯ ১৯২
৩৮ সৌদি আরব ২,৪৬৩ ৩৪ ৪৮৮
৩৯ পেরু ২,২৮১ ৮৩ ৯৮৯
৪০ থাইল্যান্ড ২,২২০ ২৬ ৭৯৩
৪১ ফিনল্যাণ্ড ২,১৭৬ ২৮ ৩০০
৪২ মেক্সিকো ২,১৪৩ ৯৪ ৬৩৩
৪৩ পানামা ১,৯৮৮ ৫৪ ১৩
৪৪ সার্বিয়া ১,৯০৮ ৫১ ৫৪
৪৫ সংযুক্ত আরব আমিরাত ১,৭৯৯ ১০ ১৪৪
৪৬ ডোমিনিকান আইল্যান্ড ১,৭৪৫ ৮২ ১৭
৪৭ গ্রীস ১,৭৩৫ ৭৩ ৭৮
৪৮ দক্ষিণ আফ্রিকা ১,৬৫৫ ১১ ৯৫
৪৯ কাতার ১,৬০৪ ১২৩
৫০ আর্জেন্টিনা ১,৫৫৪ ৪৮ ২৮০
৫১ আইসল্যান্ড ১,৪৮৬ ৪২৮
৫২ কলম্বিয়া ১,৪৮৫ ৩৫ ৮৮
৫৩ আলজেরিয়া ১,৩২০ ১৫২ ৯০
৫৪ ইউক্রেন ১,৩১৯ ৩৮ ২৮
৫৫ সিঙ্গাপুর ১,৩০৯ ৩২০
৫৬ ক্রোয়েশিয়া ১,২২২ ১৬ ১৩০
৫৭ মিসর ১,১৭৩ ৭৮ ২৪৭
৫৮ মরক্কো ১,১১৩ ৭১ ৭৬
৫৯ এস্তোনিয়া ১,১০৮ ১৯ ৬২
৬০ নিউজিল্যান্ড ১,১০৬ ১৭৬
৬১ স্লোভেনিয়া ১,০২১ ৩০ ১০২
৬২ ইরাক ৯৬১ ৬১ ২৭৯
৬৩ হংকং ৯১৫ ২১৬
৬৪ মলদোভা ৮৬৪ ১৭ ৩৭
৬৫ লিথুনিয়া ৮৪৩ ১৪
৬৬ আর্মেনিয়া ৮৩৩ ৬২
৬৭ হাঙ্গেরি ৭৪৪ ৩৮ ৬৭
৬৮ বাহরাইন ৭২৩ ৪৫১
৬৯ ডায়মন্ড প্রিন্সেস (প্রমোদ তরী) ৭১২ ১১ ৬১৯
৭০ বেলারুশ ৭০০ ১৩ ৫৩
৭১ বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা ৬৬৭ ২৮ ৪৭
৭২ কুয়েত ৬৬৫ ১০৩
৭৩ ক্যামেরুন ৬৫৮ ১৭
৭৪ আজারবাইজান ৬৪১ ৪৪
৭৫ কাজাখস্তান ৬২৯ ৪৫
৭৬ তিউনিশিয়া ৫৭৪ ২২
৭৭ উত্তর ম্যাসেডোনিয়া ৫৫৫ ১৮ ২৩
৭৮ লাটভিয়া ৫৪২
৭৯ লেবানন ৫৪১ ১৯ ৫৫
৮০ বুলগেরিয়া ৫৪১ ২১ ৩৯
৮১ স্লোভাকিয়া ৫৩৪
৮২ এনডোরা ৫০১ ১৮ ২৬
৮৩ কোস্টারিকা ৪৫৪ ১৬
৮৪ সাইপ্রাস ৪৪৬ ৩৭
৮৫ উরুগুয়ে ৪০৬ ১০৪
৮৬ উজবেকিস্তান ৩৯০ ৩০
৮৭ আলবেনিয়া ৩৭৭ ২১ ১১৬
৮৮ তাইওয়ান ৩৭৩ ৫৭
৮৯ আফগানিস্তান ৩৬৭ ১৭
৯০ জর্ডান ৩৪৫ ১১০
৯১ বুর্কিনা ফাঁসো ৩৪৫ ১৭ ৯০
৯২ রিইউনিয়ন ৩৪৪ ৪০
৯৩ ওমান ৩৩১ ৬১
৯৪ কিউবা ৩২০ ১৫
৯৫ চ্যানেল আইল্যান্ড ৩০৯ ২৭
৯৬ হন্ডুরাস ২৯৮ ২২
৯৭ সান ম্যারিনো ২৬৬ ৩২ ৩৫
৯৮ আইভরি কোস্ট ২৬১ ৩৭
৯৯ ফিলিস্তিন ২৫২ ২৫
১০০ ভিয়েতনাম ২৪৫ ৯৫
১০১ মালটা ২৪১
১০২ নাইজেরিয়া ২৩২ ৩৩
১০৩ মরিশাস ২২৭
১০৪ সেনেগাল ২২৬ ৯২
১০৫ মন্টিনিগ্রো ২২৩
১০৬ কিরগিজস্তান ২১৬ ৩৩
১০৭ ঘানা ২১৪ ৩১
১০৮ জর্জিয়া ১৮৮ ৩৬
১০৯ নাইজার ১৮৪ ১০ ১৩
১১০ ফারে আইল্যান্ড ১৮৩ ১০৭
১১১ বলিভিয়া ১৮৩ ১১
১১২ শ্রীলংকা ১৭৮ ৩৪
১১৩ ভেনেজুয়েলা ১৫৯ ৫২
১১৪ কেনিয়া ১৫৮
১১৫ ড্যানিশ রিফিউজি কাউন্সিল ১৫৪ ১৮
১১৬ মার্টিনিক ১৪৯ ৫০
১১৭ মায়োত্তে ১৪৭ ১৪
১১৮ আইল অফ ম্যান ১৩৮
১১৯ ব্রুনাই ১৩৫ ৮২
১২০ গুয়াদেলৌপ ১৩৫ ৩১
১২১ গিনি ১২১
১২২ কম্বোডিয়া ১১৪ ৫৩
১২৩ প্যারাগুয়ে ১১৩ ১২
১২৪ ত্রিনিদাদ ও টোবাগো ১০৫
১২৫ রুয়ান্ডা ১০৪
১২৬ জিব্রাল্টার ১০৩ ৫২
১২৭ লিচেনস্টেইন ৭৭
১২৮ মোনাকো ৭৩
১২৯ মাদাগাস্কার ৭২
১৩০ গুয়াতেমালা ৭০ ১৫
১৩১ এল সালভাদর ৬৯
১৩২ ফ্রেঞ্চ গায়ানা ৬৮ ২৭
১৩৩ আরুবা ৬৪
১৩৪ জিবুতি ৫৯
১৩৫ জ্যামাইকা ৫৮
১৩৬ বার্বাডোস ৫৬
১৩৭ উগান্ডা ৫২
১৩৮ টোগো ৫২ ২২
১৩৯ মালি ৪৭
১৪০ কঙ্গো ৪৫
১৪১ ম্যাকাও ৪৪ ১০
১৪২ ইথিওপিয়া ৪৪
১৪৩ ফ্রেঞ্চ পলিনেশিয়া ৪১
১৪৪ জাম্বিয়া ৩৯
১৪৫ কেম্যান আইল্যান্ড ৩৯
১৪৬ বারমুডা ৩৭ ১৪
১৪৭ সিন্ট মার্টেন ৩৭
১৪৮ সেন্ট মার্টিন ৩২
১৪৯ বাহামা ২৯
১৫০ গায়ানা ২৯
১৫১ ইরিত্রিয়া ২৯
১৫২ গ্যাবন ২৪
১৫৩ তানজানিয়া ২২
১৫৪ বেনিন ২২
১৫৫ মায়ানমার ২১
১৫৬ হাইতি ২১
১৫৭ মালদ্বীপ ১৯ ১৩
১৫৮ সিরিয়া ১৯
১৫৯ নিউ ক্যালেডোনিয়া ১৮
১৬০ লিবিয়া ১৮
১৬১ গিনি বিসাউ ১৮
১৬২ ইকোয়েটরিয়াল গিনি ১৬
১৬৩ নামিবিয়া ১৬
১৬৪ অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডা ১৫
১৬৫ মঙ্গোলিয়া ১৫
১৬৬ ডোমিনিকা ১৪
১৬৭ সেন্ট লুসিয়া ১৪
১৬৮ অ্যাঙ্গোলা ১৪
১৬৯ ফিজি ১৪
১৭০ লাইবেরিয়া ১৩
১৭১ গ্রেনাডা ১২
১৭২ সুদান ১২
১৭৩ লাওস ১২
১৭৪ কিউরাসাও ১১
১৭৫ গ্রীনল্যাণ্ড ১১
১৭৬ সুরিনাম ১০
১৭৭ মোজাম্বিক ১০
১৭৮ সিসিলি ১০
১৭৯ সেন্ট কিটস ও নেভিস ১০
১৮০ জান্ডাম (জাহাজ)
১৮১ জিম্বাবুয়ে
১৮২ ইসওয়াতিনি
১৮৩ চাদ
১৮৪ নেপাল
১৮৫ সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক
১৮৬ ভ্যাটিকান সিটি
১৮৭ সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইন আইল্যান্ড
১৮৮ সোমালিয়া
১৮৯ কেপ ভার্দে
১৯০ মৌরিতানিয়া
১৯১ মন্টসেরাট
১৯২ সেন্ট বারথেলিমি
১৯৩ নিকারাগুয়া
১৯৪ বতসোয়ানা
১৯৫ সিয়েরা লিওন
১৯৬ ভুটান
১৯৭ টার্কস্ ও কেইকোস আইল্যান্ড
১৯৮ বেলিজ
১৯৯ গাম্বিয়া
২০০ মালাউই
২০১ পশ্চিম সাহারা
২০২ এ্যাঙ্গুইলা
২০৩ ব্রিটিশ ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জ
২০৪ বুরুন্ডি
২০৫ ক্যারিবিয়ান নেদারল্যান্ডস
২০৬ ফকল্যান্ড আইল্যান্ড
২০৭ পাপুয়া নিউ গিনি
২০৮ পূর্ব তিমুর
২০৯ দক্ষিণ সুদান
২১০ সেন্ট পিয়ের এন্ড মিকেলন
তথ্যসূত্র: চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন (সিএনএইচসি) ও অন্যান্য।

টাইমলাইন