করোনাভাইরাস : সতর্ক বিদেশে বাংলাদেশের দূতাবাসগুলো

জেসমিন পাপড়ি
জেসমিন পাপড়ি জেসমিন পাপড়ি , জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১০:৫৯ এএম, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২০

করোনাভাইরাস বা কভিড-১৯ আতঙ্কে পুরো বিশ্বের সাথে বাংলাদেশও অত্যন্ত সতর্ক রয়েছে। দেশে নানা ধরনের পদক্ষেপ নেওয়ার পাশাপাশি বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশের দূতাবাসগুলোতেও সতর্কতা অবলম্বন করতে বলা হয়েছে।

বিদেশিদের বাংলাদেশের ভিসা দেয়ার ক্ষেত্রে বিশেষ করে সম্প্রতি চীন থেকে ফিরেছেন এমন ব্যক্তিদের ভিসা দেয়া থেকে বিরত থাকছে বাংলাদেশের দূতাবাসগুলো। দূতাবাসের পরিষেবাও যতটা সম্ভব অনলাইনে দেয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে।

দূতাবাসের কার্যক্রম ঠিক রেখে নিজেদের যতটা সম্ভব নিরাপদ রাখার চেষ্টা করে যাচ্ছেন বাংলাদেশের কর্মকর্তারা। তাদেরকে জরুরি প্রয়োজন ছাড়া বাইরে বের না হওয়ার পরামর্শ দেয়া হয়েছে। বের হলেও মাস্কসহ প্রয়োজনীয় সুরক্ষা সামগ্রী ব্যবহার করতে বলা হয়েছে। বিশেষ করে চীন, সিঙ্গাপুর, জাপানসহ যেসব দেশে ইতোমধ্যে করোনাভাইরাসের প্রকোপ দেখা দিয়েছে সেসব দেশে বাংলাদেশের মিশনগুলোকে এসব নির্দেশ যথাযথভাবে পালন করতে বলা হয়েছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জাগো নিউজকে বলেন, ‘দেখুন, করোনার বিষয়ে আমাদের মিশনগুলোকে অত্যন্ত সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছি। কারণ, এ ভয়াবহ ভাইরাসের প্রকোপ শুরু হলে আমাদের মতো দেশের তা মোকাবিলা করা অত্যন্ত কঠিন হবে। চীনের মতো শক্তিশালী দেশই যেখানে হিমশিম খেয়ে যাচ্ছে।’

চীনে বাংলাদেশ দূতাবাসে কর্মরত এক কর্মকর্তা জাগো নিউজকে বলেন, ‘স্বাভাবিকভাবেই আমরা এখানে এক ধরনের ভীতির মধ্যে দিন কাটাচ্ছি। তবে এ ভাইরাস প্রতিরোধে চীন সরকারের সব ধরনের নির্দেশনা আমরা মেনে চলছি। পাশাপাশি বাংলাদেশি কমিউনিটিকেও একই পরামর্শ মেনে চলতে অনুরোধ করে যাচ্ছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘নিজেদের পাশাপাশি চীনে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের নিরাপত্তা নিয়েও আমরা অত্যন্ত উদ্বিগ্ন। যারাই দূতাবাসে যোগাযোগ করছেন, আমরা চেষ্টা করছি তাদের পাশে থাকতে।’

চীনে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মাহবুব উজ জামান জাগো নিউজকে বলেন, ‘সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী করোনাভাইরাস সংক্রমণ ঠেকাতে চীনের নাগরিকদের অন-অ্যারাইভাল ভিসা বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। পাশাপাশি আমরা চীনা নাগরিকদের ভিসা দেয়ার ক্ষেত্রে অত্যন্ত সচেতন রয়েছি। কোনো চীনা নাগরিক বাংলাদেশের ভিসার জন্য আবেদন করলে মেডিকেল রিপোর্টের মাধ্যমে সুস্থতার প্রমাণ দেখে সিদ্ধান্ত নেয়া হচ্ছে।’

এ বিষয়ে জাপান দূতাবাসে কর্মরত একজন কর্মকর্তা জাগো নিউজকে বলেন, ‘সম্প্রতি চীন সফর করেছেন- এমন বিদেশিদের বাংলাদেশের ভিসা দেয়ার ক্ষেত্রে মেডিকেল রিপোর্ট চাওয়া হচ্ছে। তিনি সম্পূর্ণ সুস্থ সেই প্রমাণ দেখানোর পরেই ভিসা দেয়া হচ্ছে। তবে ভিসা আবেদন অন্যান্য সময়ের তুলনায় কিছুটা কম।’

তিনি জানান, ‘বর্তমানে দূতাবাসের কর্মকর্তারা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মার্চের জাপান সফর নিয়ে ব্যস্ত। এ ক্ষেত্রে সব ধরনের সতর্কতা মেনে আমরা কাজ করে যাচ্ছি।’

এখন পর্যন্ত সিঙ্গাপুরে পাঁচজন ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে একজন বাংলাদেশির করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। তাদের মধ্যে সিঙ্গাপুরে একজনের অবস্থা অত্যন্ত সংকটাপন্ন বলে জানিয়েছেন সেখানে বাংলাদেশের হাইকমিশনার মো. মোস্তাফিজুর রহমান।

এ বিষয়ে জাগো নিউজকে তিনি বলেন, ‘আমরা দূতাবাসের কর্মকর্তারা প্রয়োজনীয় সাবধানতা অবলম্বন করছি। বিদেশিদের বাংলাদেশের ভিসা দেয়ার ক্ষেত্রে সতর্ক রয়েছি। তবে করোনাভাইরাস আতঙ্কে বর্তমানে সবাই সফর কম করছেন। ফলে ভিসা আবেদনও অনেক কম।’

এদিকে চীনের পর করোনাভাইরাসের প্রভাব বিস্তার করা দ্বিতীয় দেশ সিঙ্গাপুর। ফলে সেখানকার বাংলাদেশ দূতাবাস সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করছে। সেই ধারাবাহিকতায় সত্যায়িত করার জন্য কাগজপত্র সরাসরি জমা না দিতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন সিঙ্গাপুরের বাংলাদেশ হাইকমিশন। এমনকি এসব কার্যক্রমের ফিও ব্যাংকের মাধ্যমে দিতে বলা হয়েছে। পরবর্তী নোটিশ না দেয়া পর্যন্ত এ কার্যক্রম বলবৎ থাকবে বলে জানানো হয়েছে।

গত বছরের ডিসেম্বরের শেষ থেকে প্রকোপ ছড়ানো করোনাভাইরাসে মৃত্যু ও আক্রান্তের সংখ্যা এখনও প্রতিদিনই বাড়ছে। শুক্রবার (২১ ফেব্রুয়ারি) চীনে প্রাণঘাতী এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ১০৯ জন। ফলে সেখানে এ ভাইরাসে মোট প্রাণহানির সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৩৪৫ জন। এছাড়া চীনের মূল ভূখণ্ডের বাইরে এখন পর্যন্ত মারা গেছেন অন্তত আরও ১৫ জন।

শনিবার চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন (এনএইচসি) জানিয়েছে, শুক্রবার মৃতদের মধ্যে ১০৬ জনই করোনাভাইরাসের উৎস হুবেই প্রদেশের। সেখানে এখন পর্যন্ত মারা গেছেন অন্তত ২ হাজার ২৫০ জন।

করোনাভাইরাসে মৃত্যুর ঘটনা বেশিরভাগই চীনে হলেও গত এক সপ্তাহ ধরে অন্যান্য দেশেও এর সংখ্যা বাড়ছে। চীনের মূল ভূখণ্ডের বাইরে এখন পর্যন্ত ইরানে চারজন, জাপানে তিনজন, হংকং ও দক্ষিণ কোরিয়ায় দু’জন করে এবং তাইওয়ান, ফিলিপাইন, ফ্রান্স ও ইতালিতে একজন করে মারা গেছেন।

শুক্রবার চীনে নতুন করে করোনাভাইরাস আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছেন ৩৯৭ জন। ফলে দেশটিতে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭৬ হাজার ২৮৮ জন। আর বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাস আক্রান্তের মোট সংখ্যা ৭৭ হাজার ৭৬৭ জন।

চীনা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শুক্রবার আরও ২ হাজার ৩৯৩ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী সুস্থ হয়ে বাসায় ফিরেছেন। ফলে দেশটিতে রোগমুক্ত ব্যক্তির সংখ্যা দাঁড়িয়েছে মোট ২০ হাজার ৬৫৯ জন।

জেপি/আরএস/পিআর

করোনা ভাইরাস - লাইভ আপডেট

১০,৮৯,৪৭৮
আক্রান্ত

৫৮,৪৬৭
মৃত

২,২৮,০০৫
সুস্থ

# দেশ আক্রান্ত মৃত সুস্থ
বাংলাদেশ ৬১ ২৬
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ২,৭১,১৫২ ৬,৯৪৬ ১২,০১৫
ইতালি ১,১৯,৮২৭ ১৪,৬৮১ ১৯,৭৫৮
স্পেন ১,১৭,৭১০ ১১,০০৯ ৩০,৫১৩
জার্মানি ৯১,১৫৯ ১,২৭৫ ২৪,৫৭৫
চীন ৮১,৬২০ ৩,৩২২ ৭৬,৫৭১
ফ্রান্স ৬৪,৩৩৮ ৬,৫০৭ ১৪,০০৮
ইরান ৫৩,১৮৩ ৩,২৯৪ ১৭,৯৩৫
যুক্তরাজ্য ৩৮,১৬৮ ৩,৬০৫ ১৩৫
১০ তুরস্ক ২০,৯২১ ৪২৫ ৪৮৪
১১ সুইজারল্যান্ড ১৯,৬০৬ ৫৯১ ৪,৮৪৬
১২ বেলজিয়াম ১৬,৭৭০ ১,১৪৩ ২,৮৭২
১৩ নেদারল্যান্ডস ১৫,৭২৩ ১,৪৮৭ ২৫০
১৪ কানাডা ১২,৩৭৫ ২০৮ ২,১৮৬
১৫ অস্ট্রিয়া ১১,৫০৬ ১৬৮ ২,০২২
১৬ দক্ষিণ কোরিয়া ১০,০৬২ ১৭৪ ৬,০২১
১৭ পর্তুগাল ৯,৮৮৬ ২৪৬ ৬৮
১৮ ব্রাজিল ৯,০৫৬ ৩৫৯ ১২৭
১৯ ইসরায়েল ৭,৪২৮ ৪০ ৩৩৮
২০ সুইডেন ৬,১৩১ ৩৫৮ ২০৫
২১ নরওয়ে ৫,৩৭০ ৫৯ ৩২
২২ অস্ট্রেলিয়া ৫,৩৫০ ২৮ ৫৮৫
২৩ আয়ারল্যান্ড ৪,২৭৩ ১২০
২৪ রাশিয়া ৪,১৪৯ ৩৪ ২৮১
২৫ ডেনমার্ক ৩,৭৫৭ ১৩৯ ১,১৯৩
২৬ চিলি ৩,৭৩৭ ২২ ৪২৭
২৭ ইকুয়েডর ৩,৩৬৮ ১৪৫ ৬৫
২৮ মালয়েশিয়া ৩,৩৩৩ ৫৩ ৮২৭
২৯ পোল্যান্ড ৩,২৬৬ ৬৫ ৫৬
৩০ রোমানিয়া ৩,১৮৩ ১৩৩ ২৮৩
৩১ ফিলিপাইন ৩,০১৮ ১৩৬ ৫২
৩২ পাকিস্তান ২,৬৮৪ ৪০ ১২৬
৩৩ জাপান ২,৬১৭ ৬৩ ৫১৪
৩৪ লুক্সেমবার্গ ২,৬১২ ৩১ ৫০০
৩৫ ভারত ২,৫৬৭ ৭২ ১৯২
৩৬ সৌদি আরব ২,০৩৯ ২৫ ৩৫১
৩৭ ইন্দোনেশিয়া ১,৯৮৬ ১৮১ ১৩৪
৩৮ থাইল্যান্ড ১,৯৭৮ ১৯ ৬১২
৩৯ ফিনল্যাণ্ড ১,৬১৫ ২০ ৩০০
৪০ গ্রীস ১,৬১৩ ৬২ ৭৮
৪১ পেরু ১,৫৯৫ ৬১ ৫৩৭
৪২ মেক্সিকো ১,৫১০ ৫০ ৬৩৩
৪৩ দক্ষিণ আফ্রিকা ১,৫০৫ ৯৫
৪৪ ডোমিনিকান আইল্যান্ড ১,৪৮৮ ৬৮ ১৬
৪৫ সার্বিয়া ১,৪৭৬ ৩৯ ৫৪
৪৬ পানামা ১,৪৭৫ ৩৭ ১০
৪৭ আইসল্যান্ড ১,৩৬৪ ৩০৯
৪৮ আর্জেন্টিনা ১,২৬৫ ৩৯ ২৬৬
৪৯ সংযুক্ত আরব আমিরাত ১,২৬৪ ১০৮
৫০ আলজেরিয়া ১,১৭১ ১০৫ ৬২
৫১ কলম্বিয়া ১,১৬১ ১৯ ৫৫
৫২ কলম্বিয়া ১,১৬১ ১৯ ৫৫
৫৩ সিঙ্গাপুর ১,১১৪ ২৮২
৫৪ ক্রোয়েশিয়া ১,০৭৯ ৯২
৫৫ কাতার ১,০৭৫ ৯৩
৫৬ ইউক্রেন ১,০৭২ ২৭ ২২
৫৭ মিসর ৯৮৫ ৬৬ ২১৬
৫৮ এস্তোনিয়া ৯৬১ ১২ ৪৮
৫৯ স্লোভেনিয়া ৯৩৪ ২০ ৭০
৬০ নিউজিল্যান্ড ৮৬৮ ১০৩
৬১ হংকং ৮৪৫ ১৭৩
৬২ ইরাক ৮২০ ৫৪ ২২৬
৬৩ মরক্কো ৭৬১ ৪৭ ৫৬
৬৪ আর্মেনিয়া ৭৩৬ ৪৩
৬৫ ডায়মন্ড প্রিন্সেস (প্রমোদতরী) ৭১২ ১১ ৬১৯
৬৬ লিথুনিয়া ৬৯৬
৬৭ বাহরাইন ৬৭২ ৩৮২
৬৮ হাঙ্গেরি ৬২৩ ২৬ ৪৩
৬৯ মলদোভা ৫৯১ ২৬
৭০ বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা ৫৭৯ ১৭ ২৭
৭১ ক্যামেরুন ৫০৯ ১৭
৭২ লেবানন ৫০৮ ১৭ ৫০
৭৩ তিউনিশিয়া ৪৯৫ ১৮
৭৪ লাটভিয়া ৪৯৩
৭৫ বুলগেরিয়া ৪৮৫ ১৪ ৩০
৭৬ চেক রিপাবলিক ৪৬৪
৭৭ কাজাখস্তান ৪৬৪ ২৯
৭৮ স্লোভাকিয়া ৪৫০ ১০
৭৯ আজারবাইজান ৪৪৩ ৩২
৮০ এনডোরা ৪৩৯ ১৬ ১৬
৮১ উত্তর ম্যাসেডোনিয়া ৪৩০ ১২ ২০
৮২ কুয়েত ৪১৭ ৮২
৮৩ কোস্টারিকা ৪১৬ ১১
৮৪ সাইপ্রাস ৩৯৬ ১১ ২৮
৮৫ উরুগুয়ে ৩৬৯ ৬৮
৮৬ বেলারুশ ৩৫১ ৫৩
৮৭ তাইওয়ান ৩৪৮ ৫০
৮৮ রিইউনিয়ন ৩২১ ৪০
৮৯ জর্ডান ৩১০ ৫৮
৯০ আলবেনিয়া ৩০৪ ১৭ ৮৯
৯১ বুর্কিনা ফাঁসো ৩০২ ১৬ ৫০
৯২ চেক রিপাবলিক ২৯৩
৯৩ আফগানিস্তান ২৮১ ১০
৯৪ কিউবা ২৬৯ ১৫
৯৫ ওমান ২৫২ ৫৭
৯৬ সান ম্যারিনো ২৪৫ ৩০ ২১
৯৭ ভিয়েতনাম ২৩৭ ৮৫
৯৮ উজবেকিস্তান ২২৭ ২৫
৯৯ হন্ডুরাস ২২২ ১৫
১০০ আইভরি কোস্ট ২১৮ ১৯
১০১ সেনেগাল ২০৭ ৬৬
১০২ ঘানা ২০৫ ৩১
১০৩ মালটা ২০২
১০৪ ফিলিস্তিন ১৯৩ ২১
১০৫ নাইজেরিয়া ১৯০ ২০
১০৬ ফারে আইল্যান্ড ১৭৯ ৯১
১০৭ মন্টিনিগ্রো ১৭৪
১০৮ শ্রীলংকা ১৫৯ ২৪
১০৯ জর্জিয়া ১৫৫ ২৭
১১০ ভেনেজুয়েলা ১৪৬ ৪৩
১১১ মার্টিনিক ১৩৮ ২৭
১১২ ব্রুনাই ১৩৪ ৬৫
১১৩ বলিভিয়া ১৩২
১১৪ গুয়াদেলৌপ ১৩০ ২৪
১১৫ কিরগিজস্তান ১৩০
১১৬ মায়োত্তে ১২৮ ১০
১১৭ কেনিয়া ১২২
১১৮ কম্বোডিয়া ১১৪ ৩৫
১১৯ নাইজার ৯৮
১২০ ত্রিনিদাদ ও টোবাগো ৯৭
১২১ জিব্রাল্টার ৯৫ ৪৬
১২২ প্যারাগুয়ে ৯২
১২৩ রুয়ান্ডা ৮৯
১২৪ লিচেনস্টেইন ৭৫
১২৫ গিনি ৭৩
১২৬ মোনাকো ৬৪
১২৭ আরুবা ৬২
১২৮ ফ্রেঞ্চ গায়ানা ৫৭ ২২
১২৯ ফ্রেঞ্চ গায়ানা ৫৭ ২২
১৩০ বার্বাডোস ৫১
১৩১ গুয়াতেমালা ৫০ ১২
১৩২ জ্যামাইকা ৪৭
১৩৩ ম্যাকাও ৪২ ১০
১৩৪ টোগো ৪০ ১৭
১৩৫ ফ্রেঞ্চ পলিনেশিয়া ৩৯
১৩৬ পুয়ের্তো রিকো ৩৯
১৩৭ ইথিওপিয়া ৩৫
১৩৮ গুয়াম ৩২
১৩৯ কেম্যান আইল্যান্ড ২৮
১৪০ বাহামা ২৪
১৪১ গায়ানা ২৩
১৪২ কঙ্গো ২২
১৪৩ গ্যাবন ২১
১৪৪ তানজানিয়া ২০
১৪৫ মালদ্বীপ ১৯ ১৩
১৪৬ ইকোয়েটরিয়াল গিনি ১৬
১৪৭ বেনিন ১৬
১৪৮ মঙ্গোলিয়া ১৪
১৪৯ নামিবিয়া ১৪
১৫০ সেন্ট লুসিয়া ১৩
১৫১ ডোমিনিকা ১২
১৫২ সুরিনাম ১০
১৫৩ সুদান ১০
১৫৪ সিসিলি ১০
১৫৫ গ্রীনল্যাণ্ড ১০
১৫৬ অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডা
১৫৭ অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডা
১৫৮ ভ্যাটিকান সিটি
১৫৯ লাইবেরিয়া
১৬০ ভ্যাটিকান সিটি
১৬১ সোমালিয়া
১৬২ নেপাল
১৬৩ মৌরিতানিয়া
১৬৪ ভুটান
১৬৫ মন্টসেরাট
১৬৬ গাম্বিয়া
১৬৭ তাজিকিস্তান
১৬৮ সেন্ট পিয়ের ও মিকুয়েলন
১৬৯ সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইন আইল্যান্ড
১৭০ মার্কিন ভার্জিন আইল্যান্ড
১৭১ ক্রিস্টমাস আইল্যান্ড
১৭২ মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্র
তথ্যসূত্র: চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন (সিএনএইচসি) ও অন্যান্য।

টাইমলাইন