কমনওয়েলথ বৃত্তিপ্রাপ্তদের নিয়ে ঢাকায় প্রি-ডিপারচার
এ বছর বাংলাদেশ থেকে কমনওয়েলথ বৃত্তি পাওয়া শিক্ষার্থীদের নিয়ে প্রি-ডিপারচার সেশনের আয়োজন করা হয়েছে। সোমবার (২৮ আগস্ট) ঢাকায় নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুকের বাসভবনে এ সেশনের আয়োজন করে ব্রিটিশ কাউন্সিল।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্যে ব্রিটিশ হাইকমিশনার বলেন, কমনওয়েলথের প্রতি যুক্তরাজ্যের অঙ্গীকারের অংশ হিসেবে প্রতিবছর প্রায় ৮০০ শিক্ষার্থীকে যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জনের সুযোগ দেওয়া হয়। আমি এ বছর কমনওয়েলথ স্কলারশিপ পাওয়া ২৪ বাংলাদেশি স্কলারকে অভিনন্দন জানাচ্ছি এবং তাদের অব্যাহত সাফল্য কামনা করছি।
ব্রিটিশ কাউন্সিলের ডিরেক্টর বাংলাদেশ টম মিসিওসিয়া বলেন, এ পর্যন্ত বাংলাদেশের ১৮ শোর বেশি শিক্ষার্থী এ বৃত্তি থেকে উপকৃত হয়েছেন। বাংলাদেশের উন্নয়নে অবদান রাখতে তাদের জ্ঞানের বিকাশকে প্রসারিত করেছেন। বৈশ্বিক মঞ্চে ইতিবাচক প্রভাব রাখার ক্ষেত্রে বৃত্তিপ্রাপ্তদের জন্য শুভকামনা।
অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) সদস্য অধ্যাপক বিশ্বজিৎ চন্দ, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব কমনওয়েলথ স্কলারস অ্যান্ড ফেলোসের (বিএসিএসএএফ) প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম এবং ব্রিটিশ কাউন্সিল ও ব্রিটিশ হাইকমিশনের কর্মকর্তারা।
ইউনিভার্সিটি অব অক্সফোর্ড, ইউনিভার্সিটি অব ক্যামব্রিজ, ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডন, ইউনিভার্সিটি অব ওয়ারউইক, ইউনিভার্সিটি অব এডিনবার্গসহ যুক্তরাজ্যের স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে এ বছর বাংলাদেশ থেকে ২৪ জন্য এ বৃত্তি পেয়েছেন।
অনুষ্ঠানে বৃত্তিপ্রাপ্তদের সফলতা উদযাপন করা হয় এবং তারা কমনওয়েলথ স্কলারশিপ অ্যালামনাইদের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য জানার ও পরামর্শ নেওয়ার সুযোগ পান, যেন যুক্তরাজ্যে তাদের মানিয়ে নেওয়া সহজ হয়। এতে কমনওয়েলথ বৃত্তি কর্মসূচির ইতিবাচক প্রভাব সম্পর্কে জানানো হয়।
ব্রিটিশ কাউন্সিলের হেড অব অ্যাডুকেশন বাংলাদেশ তৌফিক হাসানের সমাপনী বক্তব্যের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শেষ হয়।
এএএইচ/এমকেআর/এএসএম