জুবিন গার্গের স্মৃতি রক্ষায় বিশেষ উদ্যোগ

বিনোদন ডেস্ক
বিনোদন ডেস্ক বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: ০১:১৯ পিএম, ০৩ জানুয়ারি ২০২৬
জুবিন গার্গ। ছবি: সংগৃহীত

তিন মাস পেরিয়ে গেলেও ভারতের আসামের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী জুবিন গার্গের আকস্মিক মৃত্যু মেনে নিতে পারেননি তার পরিবার, ভক্ত ও অনুরাগীরা। প্রিয় শিল্পীর স্মৃতিকে সম্মান জানাতে এবার এক বিশেষ উদ্যোগের ঘোষণা দিলেন জুবিনের স্ত্রী গরিমা শাইকীয়া এবং ছোট বোন পামী বড়ঠাকুর।

সম্প্রতি এক সাংবাদিক সম্মেলনে গরিমা জানান, জুবিন গার্গের নামে একটি ট্রাস্ট গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তারা। পরিবার ও ঘনিষ্ঠজনদের সঙ্গে আলোচনা করেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো-এই ট্রাস্টের সঙ্গে যুক্ত থাকবেন জুবিনের ফ্যান ক্লাবের সদস্যরাও।

গরিমা শাইকীয়া বলেন, জুবিন যেসব কাজ ভালোবাসতেন এবং সমাজের যেসব বিষয়ে তার গভীর আগ্রহ ছিল, সেই বিষয়গুলোকে কেন্দ্র করেই ট্রাস্টের কার্যক্রম পরিচালিত হবে। তার ভাষায়, “প্রকৃতি সংরক্ষণের পাশাপাশি নতুন প্রতিভাদের ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার দিকেও নজর দেবে এই ট্রাস্ট। একই সঙ্গে শিল্পীর সৃষ্টিকর্ম সংরক্ষণে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে উদ্যোগ নেওয়া হবে। জুবিনের জীবন ও কাজ নিয়ে গবেষণার জন্য আলাদা একটি গবেষণা শাখাও থাকবে।”

এর আগেও সমাজ ও সংস্কৃতির উন্নয়নে কাজ করার উদ্দেশ্যে জুবিন গার্গ ‘কলাগুরু আর্টিস্ট ফাউন্ডেশন’ নামে একটি সংস্থা গড়ে তুলেছিলেন। পাশাপাশি, প্রয়াত বোনের স্মৃতিতে আরও একটি সংস্থাও প্রতিষ্ঠা করেছিলেন তিনি। গরিমা জানান, এবার এই নতুন ট্রাস্টসহ তিনটি সংস্থা একসঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করবে।

আরও পড়ুন:
বিএনপি’র নির্বাচন পরিচালনা কমিটিতে মনির খান 
দুঃসংবাদ দিলেন সংগীতশিল্পী তৌ‌সিফ 

২০২৫ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর সিঙ্গাপুরে একটি অনুষ্ঠানে অংশ নিতে গিয়ে মর্মান্তিকভাবে মৃত্যু হয় জুবিন গার্গের। শিল্পীর মরদেহ অসমে পৌঁছালে গোটা রাজ্যজুড়ে নেমে আসে শোকের ছায়া। রাস্তায় মানুষের ঢল নামে, কার্যত স্তব্ধ হয়ে যায় আসাম। ‘ঘরের ছেলে’র এমন পরিণতি মেনে নিতে পারেনি তার রাজ্যবাসী। জুবিনের মৃত্যু ঘিরে এখনও তদন্ত চলছে এবং এ ঘটনায় এরই মধ্যে একাধিক ব্যক্তি গ্রেফতার হয়েছেন।

জুবিন গার্গের স্মৃতিকে বাঁচিয়ে রাখতে নেওয়া এই উদ্যোগকে ঘিরে ভক্তদের মধ্যেও তৈরি হয়েছে নতুন আশার আলো।

এমএমএফ

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।