এ আর রহমানকে আবার হিন্দু হতে বললেন ভজন গায়ক অনুপ

বিনোদন ডেস্ক
বিনোদন ডেস্ক বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: ০২:৫৩ পিএম, ২২ জানুয়ারি ২০২৬
এ আর রহমান ও অনুপ জালোটা

অস্কারজয়ী সুরকার ও সংগীতশিল্পী এআর রহমান সম্প্রতি বলিউডে কাজ না পাওয়া নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন। তিনি অভিযোগ করেন, মুসলিম হওয়ায় গত ৮ বছর ধরে বলিউডে কাজ পাচ্ছেন না। অনেক প্রজেক্টও হাতছাড়া হয়েছে তার। তিনি বক্তব্যে ধর্মীয় বিভাজন ও কুসংস্কারের দায় চাপিয়ে দিয়েছেন।

ভারতের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে মুসলিম হওয়ার কারণে তাকে অবজ্ঞার শিকার হতে হচ্ছে বলে দাবি করেন রহমান। সরাসরি কোনো নাম উল্লেখ না করলেও অনেকেই মনে করছেন তিনি বিজেপি সরকারের দিকে আঙুল তুলেছেন।

আরও পড়ুন
সর্বকনিষ্ঠ হিসেবে হল অব ফেমে ইতিহাস গড়লেন টেইলর সুইফট
ঝড় তুলেছে শহিদ কাপুর ও তৃপ্তি দিমরির ভয়ংকর প্রেমকাহিনি

রাহমানের মন্তব্যের পর ভারতের জনপ্রিয় গীতিকার জাভেদ আখতার, গায়ক শানসহ অনেকে তাকে সমালোচনা করেন। সামাজিক মাধ্যমে এ নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক শুরু হয়। বিতর্কের মুখে পড়া এআর রহমান পরবর্তীতে জানিয়ে দেন, তার বক্তব্য ভুলভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে। তিনি ভারতকে নিজের ঘর ও অনুপ্রেরণার উৎস হিসেবে দেখেন। কোনো ধর্মকে আঘাত করার উদ্দেশ্যও তার ছিল না।

এই বিতর্কে এবার মুখ খুলেছেন ভজন গায়ক অনুপ জালোটা। তিনি বলেন, এ আর রহমান জন্মগতভাবে হিন্দু ছিলেন এবং পরে ইসলাম গ্রহণ করেছেন। তার মতে, মুসলিম হিসেবে রহমান বিশ্বজুড়ে খ্যাতি অর্জন করেছেন, কোটি মানুষের ভালোবাসা পেয়েছেন এবং প্রচুর কাজ করেছেন। তাই কাজ না পাওয়ার পেছনে ধর্মকে দায়ী করা যৌক্তিক নয়।

অনুপ বলেন, ‘রহমান যদি সত্যিই মনে করেন তার মুসলিম পরিচয় কাজ পাওয়ার ক্ষেত্রে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে তবে তার উচিত পুনরায় হিন্দু হয়ে পরীক্ষা করা। দেখা উচিত আবার কাজ ফিরে পান কি না।’

তিনি আরও যোগ করেন, ‘কোনো শিল্পী যখন সফল হন মানুষ তার শিল্পকেই দেখে, ধর্মকে নয়। কিন্তু রহমান নিজেই ধর্মকে বাধার কারণ হিসেবে দেখছেন। তাই হিন্দু হয়ে তার ধারণার সত্যতা যাচাই করে দেখা উচিত।’

এই বিতর্ক নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে বলিউড ও সামাজিক মাধ্যমে, যেখানে শিল্পী ও ধর্মের সম্পর্ক নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

 

এলআইএ

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।