ওপেক থেকে বেরিয়ে গেলো আমিরাত
বিশ্বের প্রধান তেল রপ্তানিকারক দেশগুলোর জোট ওপেক এবং ওপেক প্লাস থেকে বেরিয়ে গেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। ইরান যুদ্ধ যখন বিশ্বজুড়ে ভয়াবহ জ্বালানি সংকট তৈরি করেছে, ঠিক সেই সময় আমিরাতের এই সিদ্ধান্ত বিশ্ব অর্থনীতির জন্য বড় ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
ওপেকের দীর্ঘদিনের সদস্য সংযুক্ত আরব আমিরাতের আকস্মিক প্রস্থান জোটের মধ্যে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে পারে এবং এর প্রভাব দুর্বল করে দিতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ইরানের হুমকি এবং জাহাজে হামলার কারণে ওপেকের উপসাগরীয় উৎপাদকরা এরই মধ্যে হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল রপ্তানি করতে হিমশিম খাচ্ছে। ওমান ও ইরানের মধ্যবর্তী এই সরু পথটি দিয়ে বিশ্বের মোট অপরিশোধিত তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের এক-পঞ্চমাংশ পরিবাহিত হয়।
আরও পড়ুন>>
ইসরায়েল নয়, ইরানই ‘প্রধান শত্রু’: আমিরাত প্রেসিডেন্টের উপদেষ্টা
যুদ্ধের সময় আমিরাতে ‘আয়রন ডোম’ ও সৈন্য পাঠিয়েছিল ইসরায়েল
দুবাইয়ে সম্পদের পাহাড় সুদানে গণহত্যায় অভিযুক্ত আরএসএফ নেতাদের
আমিরাতের এই সিদ্ধান্তের পেছনে আঞ্চলিক রাজনৈতিক অসন্তোষও কাজ করছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ইরানের হামলার মুখে পর্যাপ্ত সমর্থন না পাওয়ার অভিযোগ তুলেছে দেশটি। আমিরাতির প্রেসিডেন্টের কূটনৈতিক উপদেষ্টা আনোয়ার গারগাশ গত সোমবার ‘গালফ ইনফ্লুয়েন্সার ফোরাম’র একটি অধিবেশনে বলেন, উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদের (জিসিসি) দেশগুলো একে অপরকে লজিস্টিক সহায়তা দিলেও রাজনৈতিক ও সামরিকভাবে তাদের অবস্থান ঐতিহাসিকভাবে সবচেয়ে দুর্বল ছিল।
তিনি আরও বলেন, আরব লীগের কাছ থেকে আমি এই দুর্বল অবস্থানই প্রত্যাশা করেছিলাম এবং এতে আমি অবাক হইনি। কিন্তু জিসিসির কাছ থেকে এমনটা আশা করিনি এবং তাদের অবস্থানে আমি বিস্মিত।
সূত্র: আল-জাজিরা
কেএএ/