অবহেলা-প্রতারণা
বাবাকে হারিয়ে দুই হাসপাতালের বিরুদ্ধে আদালতে আবু হুরায়রা
বাবাকে বাঁচানোর আকুতি নিয়ে রাজধানীর জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে ছুটে এসেছিলেন মানিকগঞ্জের আবু হুরায়রা। কিন্তু চিকিৎসা পাওয়ার আশায় সরকারি হাসপাতালে গিয়ে তিনি পড়েন এক ভয়ঙ্কর দালালচক্রের ফাঁদে।
অভিযোগ উঠেছে, সরকারি হাসপাতালের কয়েকজন ওয়ার্ডবয় ও একটি বেসরকারি হাসপাতালের কর্মকর্তারা মিলে পরিকল্পিতভাবে রোগীকে ভুল তথ্য দিয়ে বাইরে নিয়ে যান। সেখানে অতিরিক্ত অর্থ আদায়, চিকিৎসা বন্ধ রেখে জিম্মি করা এবং অবহেলা ও অপচিকিৎসার কারণে রোগীর মৃত্যুর ঘটনা ঘটে।
দীর্ঘদিন ঘুরেও প্রতিকার না পেয়ে অবশেষে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন আবু হুরায়রা।
আদালতে আবু হুরায়রা-ছবি জাগো নিউজ
বৃহস্পতিবার (১৪ মে) দুপুরে ঢাকা চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দায়ের করা মামলায় জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটের পরিচালকসহ ১১ জনকে আসামি করা হয়েছে। মামলাটি এরই মধ্যে আদালত আমলে নিয়েছেন বলে জানা গেছে। আদালত বাদীর বক্তব্য শুনে তা নথিভুক্ত করেন এবং পরবর্তী আদেশের জন্য অপেক্ষমাণ রেখেছেন।
যাদের আসামি করা হয়েছে, তারা কেউ দায় এড়াতে পারেন না। চিকিৎসা ব্যবস্থাপনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রত্যেকের দায়িত্ব রয়েছে। যদি প্রমাণ হয় যে অবহেলা, ভুল ব্যবস্থাপনা বা প্রতারণার কারণে একজন রোগীর মৃত্যু হয়েছে, তাহলে তার দায় অবশ্যই সংশ্লিষ্টদের নিতে হবে।
দণ্ডবিধির ৩০২, ৩০৪, ৩২৩ ও ৫০৬ ধারায় মামলাটি দায়ের করা হয়েছে। মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. ইসমাইলের আদালতে শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।
আদালতের বারান্দায় একা ঘুরতেন
এ ঘটনায় আবু হুরায়রাকে আইনি সহায়তা দেওয়া ব্যক্তিদের একজন মোকছেদুল হাসান মন্ডল বলেন, ‘আমি দীর্ঘদিন ধরে দেখি, তিনি আদালত ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে প্রায় একা ভারাক্রান্ত মনে ঘুরে বেড়ান। সম্প্রতি তার সঙ্গে কথা বলে পুরো ঘটনাটি জানতে পারি। তিনি আইনের মাধ্যমে এর সুরাহা চেয়েছেন। তাই তাকে সহযোগিতা করার জন্য আমরা এগিয়ে এসেছি। আশা করি আদালত ন্যায়বিচার দেবেন।’
আরও পড়ুন
দালাল-চোরের দৌরাত্ম্যে অতিষ্ঠ রোগী-চিকিৎসক
বাক্সবন্দি মেশিন এখন ‘চায়ের টেবিল’, টেস্ট করাতে হয় বাইরে
এখনো রমরমা ‘মেডিকেল টেকনোলজিস্ট’ বদলি বাণিজ্য
বাবাকে বাঁচাতে ঢাকায় ছুটে আসা
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ২৬ ফেব্রুয়ারি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন মানিকগঞ্জ সদরের বাসিন্দা জিন্নাত আলী। তার ছেলে আবু হুরায়রা দ্রুত বাবাকে নিয়ে রাজধানীর জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে যান।
পরিবারটির বিশ্বাস ছিল, দেশের সবচেয়ে বড় বিশেষায়িত সরকারি হৃদরোগ হাসপাতালে নিশ্চয়ই সুচিকিৎসা মিলবে।

আবু হুরায়রার আইনজীবী-ছবি জাগো নিউজ
কিন্তু হাসপাতালের জরুরি বিভাগে পৌঁছানোর পরই তাদের সঙ্গে পরিচয় হয় শহীদ নামে এক ওয়ার্ডবয়ের। অভিযোগ অনুযায়ী, ওই ব্যক্তি নিজেকে ‘বড় ডাক্তার’ পরিচয় দিয়ে রোগীর স্বজনদের ভয়ভীতি দেখাতে শুরু করেন।
আমি দীর্ঘদিন ধরে দেখি, তিনি আদালত ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে প্রায় একা ভারাক্রান্ত মনে ঘুরে বেড়ান। সম্প্রতি তার সঙ্গে কথা বলে পুরো ঘটনাটি জানতে পারি। তিনি আইনের মাধ্যমে এর সুরাহা চেয়েছেন। তাই তাকে সহযোগিতা করার জন্য আমরা এগিয়ে এসেছি। আশা করি আদালত ন্যায়বিচার দেবেন।
তিনি দাবি করেন, হাসপাতালে কোনো আইসিইউ (নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র) বেড খালি নেই এবং রোগীর অবস্থা সংকটাপন্ন। দ্রুত অন্যত্র না নিলে রোগীকে বাঁচানো যাবে না বলেও জানান।
পরে তিনি কম খরচে দ্রুত চিকিৎসার আশ্বাস দিয়ে শ্যামলীর ‘হৃদয় জেনারেল হাসপাতাল’ নামের একটি বেসরকারি হাসপাতালে রোগীকে নেওয়ার পরামর্শ দেন। অসহায় পরিবারটি তখন সেই কথাই বিশ্বাস করে।
আরও পড়ুন
হৃদরোগ হাসপাতালে দানের মেশিনে ‘মধু’
অনুদানের ‘অবৈধ’ ৮ মেশিন এখন ‘গলার কাঁটা’
অসংক্রামক ব্যাধিতে নিঃস্ব হচ্ছে মানুষ
আড়াই ঘণ্টায় হাজার হাজার টাকার বিল
ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়ার পর শুরু হয় একের পর এক পরীক্ষা (টেস্ট), ওষুধ এবং নানান খাতে অর্থ আদায়ের চাপ। অল্প সময়ের মধ্যেই বিল দাঁড়ায় কয়েক হাজার টাকায়।
এজাহারে বলা হয়েছে, রোগীর স্বজনরা যখন চিকিৎসা পদ্ধতি নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করতে থাকেন, তখন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাদের ওপর চাপ সৃষ্টি করে।
সাধারণ রোগী ও স্বজনদের অভিযোগ, সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে এসে তারা এক ধরনের অদৃশ্য সিন্ডিকেটের কবলে পড়েন। অসহায় রোগীদের ভয় দেখিয়ে বাইরে পাঠানো, অতিরিক্ত বিল আদায়, অপচিকিৎসা ও হয়রানি যেন নিত্যদিনের ঘটনায় পরিণত হয়েছে।
আবু হুরায়রা বাবাকে আবার সরকারি হাসপাতালে ফিরিয়ে নিতে চাইলে হাসপাতালের লোকজন বাধা দেয় বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।
আবু হুরায়রার মোবাইলে থাকা মৃত বাবার ছবি
একপর্যায়ে ২৭ হাজার টাকা বিল দাবি করে রোগীকে আটকে রাখা হয়। টাকা দিতে দেরি হওয়ায় আবু হুরায়রার ওপর শারীরিক হামলাও চালানো হয়। এমনকি বিল পরিশোধ না করা পর্যন্ত চিকিৎসা বন্ধ রাখার অভিযোগও রয়েছে মামলায়।
টাকা না দিলে রোগী ছাড়বে না
পরিবারটির দাবি, তারা তখন চরম অসহায় অবস্থায় পড়ে যায়। একদিকে মুমূর্ষু রোগী, অন্যদিকে হাসপাতালের চাপ।
নিরুপায় হয়ে আত্মীয়-স্বজনের কাছ থেকে ধারদেনা করে ১২ হাজার টাকা জোগাড় করা হয়। পরে সেই টাকা পরিশোধ করার পর রোগীকে হাসপাতাল থেকে ছাড়তে বাধ্য হয় কর্তৃপক্ষ।
কিন্তু ততক্ষণে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে পড়ে। ওই দিনই দুপুর ২টা ৪৫ মিনিটে জিন্নাত আলীকে পুনরায় জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়।
সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা রোগীকে দেখে পরিবারের সদস্যদের জানান, আগে যথাযথ চিকিৎসা হয়নি।
এর কিছুক্ষণ পরই বিকেল ৩টা ২০ মিনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান জিন্নাত আলী।
জাগো নিউজের প্রতিবেদন
ভিকটিমের বাবার মৃত্যুর ঘটনায় ‘ওয়ার্ড বয়ও ‘চিকিৎসক’, রোগীর অসহায়ত্ব ঘিরে কর্মচারীদের রমরমা ব্যবসা’ শিরোনামে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন করেছে জাগো নিউজ। ব্যবস্থা নেওয়ার পরিবর্তে অপরাধীদের পক্ষ নিয়েছে হৃদরোগ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। যার কারণে একই অপরাধ আরও বেড়েছে।
ঘটনার পর একটি বেসরকারি টেলিভিশনের অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটকে ঘিরে সক্রিয় একটি দালালচক্রের ভয়াবহ চিত্র উঠে আসে।
হাসপাতালজুড়ে দালাল আতঙ্ক
টেলিভিশন প্রতিবেদনে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষও দালালচক্রের সক্রিয়তার বিষয়টি স্বীকার করে। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, নিয়মিত অভিযান চালিয়ে দালালদের আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হলেও আইনের ফাঁকফোকর দিয়ে তারা আবার বেরিয়ে আসে এবং পুনরায় একই কাজে জড়িয়ে পড়ে।
প্রতিবেদনে দেখা যায়, টেলিভিশনের ক্যামেরা দেখে অভিযুক্ত কয়েকজন ওয়ার্ডবয় ও দালাল দ্রুত সরে পড়েন। তবে হাসপাতালের গেট ও জরুরি বিভাগের আশপাশে এখনো অসংখ্য দালাল সক্রিয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
আরও পড়ুন
দালাল-চোরের দৌরাত্ম্যে অতিষ্ঠ রোগী-চিকিৎসক
বাক্সবন্দি মেশিন এখন ‘চায়ের টেবিল’, টেস্ট করাতে হয় বাইরে
এখনো রমরমা ‘মেডিকেল টেকনোলজিস্ট’ বদলি বাণিজ্য
সাধারণ রোগী ও স্বজনদের অভিযোগ, সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে এসে তারা এক ধরনের অদৃশ্য সিন্ডিকেটের কবলে পড়ছেন। অসহায় রোগীদের ভয় দেখিয়ে বাইরে পাঠানো, অতিরিক্ত বিল আদায়, অপচিকিৎসা ও হয়রানি যেন নিত্যদিনের ঘটনায় পরিণত হয়েছে।
জিন্নাত আলীর মৃত্যুর ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলাটি এখন সেই দীর্ঘদিনের অভিযোগগুলো নতুন করে সামনে নিয়ে এসেছে।
অভিযোগ করতে গিয়ে হামলার শিকার
মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে, রোগীর মৃত্যুর পর আবু হুরায়রা এ বিষয়ে অভিযোগ জানাতে গেলে আরও ভয়াবহ পরিস্থিতির মুখোমুখি হন।
অভিযোগ অনুযায়ী, ওয়ার্ডবয় শহীদ, সিকিউরিটি গার্ড শহিদুল এবং সামিউল নামে আরেক ব্যক্তি তার ওপর হামলা চালান এবং প্রাণনাশের হুমকি দেন।
পরিবারটির দাবি, ঘটনার পর তারা পুলিশ ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছেও গিয়েছিল। কিন্তু কোথাও কার্যকর কোনো প্রতিকার না পেয়ে শেষ পর্যন্ত আদালতের শরণাপন্ন হতে বাধ্য হন।
যাদের বিরুদ্ধে মামলা
মামলায় জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল এবং হৃদয় জেনারেল হাসপাতালের মোট ১১ জনকে আসামি করা হয়েছে।
তাদের মধ্যে রয়েছেন জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডা. আব্দুল ওয়াদুদ চৌধুরী, ওয়ার্ডবয় শহীদ, আশিক, সামিউল ও মশিউর রহমান লাভলু এবং সিকিউরিটি গার্ড সাঈদুর।
এছাড়া হৃদয় জেনারেল হাসপাতালের নির্বাহী পরিচালক ডা. সিরাজুল ও ডা. এসএমএফ নিরব হোসেন, হাসপাতালের ব্যবস্থাপক (ম্যানেজার), সহকারী ব্যবস্থাপক এবং রিসেপশনিস্ট জুনায়েদকেও আসামি করা হয়েছে।
কোন ধারায় কী অভিযোগ, কী শাস্তি
দণ্ডবিধির ৩০২, ৩০৪, ৩২৩ ও ৫০৬ ধারায় মামলাটি দায়ের করা হয়েছে।
ঢাকা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের আইনজীবী মাহিয়া বিনতে মাহবুব বলেন, এসব ধারার মধ্যে হত্যাকাণ্ড, অবহেলায় মৃত্যু, মারধর এবং ভয়ভীতি প্রদর্শনের মতো গুরুতর অভিযোগ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
তিনি জানান, দণ্ডবিধির ৩০২ ধারা অনুযায়ী ইচ্ছাকৃত হত্যার অভিযোগে মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডের বিধান রয়েছে।
৩০৪ ধারা প্রযোজ্য হয় এমন ক্ষেত্রে, যেখানে কোনো ব্যক্তির কর্মকাণ্ডে মৃত্যু ঘটলেও সেটি সরাসরি পরিকল্পিত হত্যা হিসেবে প্রমাণিত না-ও হতে পারে। এ ধারায় অপরাধের ধরন অনুযায়ী যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা সর্বোচ্চ ১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড হতে পারে।
এছাড়া ৩২৩ ধারায় স্বেচ্ছায় আঘাত বা মারধরের অভিযোগ আনা হয়। এ অপরাধে সর্বোচ্চ এক বছরের কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডের বিধান রয়েছে।
আরও পড়ুন
হামে একের পর এক শিশুর মৃত্যু, দায় কার?
ভর্তি হতে মাসের পর মাস অপেক্ষা, ভোগান্তিতে রোগীরা
হাসপাতাল ভবন আছে, সেবার কার্যক্রম নেই
আর ৫০৬ ধারা হলো ভয়ভীতি বা প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগসংক্রান্ত। এ ধারায় অপরাধের মাত্রা অনুযায়ী কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডের বিধান রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, আদালতে অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট আসামিদের বিরুদ্ধে এসব ধারায় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে।
সুষ্ঠু বিচারের আশা বাদীপক্ষের
মামলাটি পরিচালনাকারী আইনজীবী মো. ইশতিয়াক আহম্মেদ জাগো নিউজকে বলেন, আদালত বাদীর বক্তব্য শুনে তা নথিভুক্ত করেন এবং পরবর্তী আদেশের জন্য অপেক্ষমাণ রেখেছেন।
তিনি বলেন, ‘আমরা আশা করছি আদালতের মাধ্যমে সুষ্ঠু বিচার পাব। একজন মানুষ চিকিৎসার আশায় হাসপাতালে যান। সেখানে যদি অবহেলা, প্রতারণা ও অনিয়মের অভিযোগ ওঠে, তাহলে বিষয়টি অত্যন্ত গুরুতর।’
মামলার আসামিদের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘যাদের আসামি করা হয়েছে, তারা কেউ দায় এড়াতে পারেন না। চিকিৎসা ব্যবস্থাপনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রত্যেকের দায়িত্ব রয়েছে। যদি প্রমাণ হয় যে অবহেলা, ভুল ব্যবস্থাপনা বা প্রতারণার কারণে একজন রোগীর মৃত্যু হয়েছে, তাহলে তার দায় অবশ্যই সংশ্লিষ্টদের নিতে হবে।’
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বক্তব্য মেলেনি
অভিযোগ ও মামলার বিষয়ে প্রতিবেদন প্রস্তুতের সময় ‘হৃদয় জেনারেল হাসপাতাল’ কর্তৃপক্ষের বক্তব্য জানার চেষ্টা করা হয়। তবে প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এ ছাড়া জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডা. আব্দুল ওয়াদুদ চৌধুরীর সঙ্গেও যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়েছে। তবে তার বক্তব্যও পাওয়া যায়নি।
এমডিএএ/এসএইচএস