রান্নাঘরের ভাঙা বাসনে লুকিয়ে আছে সৃজনশীলতা

লাইফস্টাইল ডেস্ক
লাইফস্টাইল ডেস্ক লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৬:১২ পিএম, ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ছবি: এআই

রান্নাঘরের বাসন ভেঙে গেলে আমরা সাধারণত আর একবারও ভাবি না, সোজা ফেলে দিই। অথচ এই ভাঙা বা অচল হয়ে যাওয়া বাসনই হয়ে উঠতে পারে ঘরের সৌন্দর্য বাড়ানোর দারুণ উপকরণ। একটু কল্পনা আর সৃজনশীলতায় পুরোনো বাসন নতুন জীবন পেতে পারে, আর তাতেই প্রকাশ পায় আপনার রুচি ও পরিবেশবান্ধব মানসিকতা।

RTY

প্ল্যান্টার হিসেবে নতুন রূপ
ভাঙা প্যান, হাঁড়ি বা কড়াই খুব সহজেই গাছ লাগানোর পাত্রে বদলে যেতে পারে। তলায় ছোট ছিদ্র করে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করলেই কাজ শেষ। এতে ছোট ফুলগাছ বা শোভাবর্ধক গাছ লাগালে বারান্দা কিংবা ছাদের বাগান হয়ে উঠবে আরও প্রাণবন্ত। ধাতব বা মাটির বাসনে সবুজ গাছের সংমিশ্রণ ঘরে এনে দেয় এক আলাদা নান্দনিকতা।

sdr

পাখিদের জন্য খাবারের পাত্র
রান্নায় ব্যবহার অযোগ্য হলেও ভাঙা বাসন পাখিদের জন্য দারুণ কাজে লাগে। এতে পানি বা দানা রেখে বারান্দা কিংবা ছাদে সাজিয়ে রাখলে প্রতিদিন পাখির আনাগোনায় মুখরিত হবে চারপাশ। চাইলে পুরোনো বাসন দিয়ে ছোট বার্ড-ফিডার বানিয়ে ঝুলিয়েও রাখতে পারেন-যা পরিবেশের জন্য যেমন ভালো, তেমনই মন ভালো করা দৃশ্য।

dft

ঘর গোছানোর অভিনব উপায়
পুরোনো হাঁড়ি, সসপ্যান বা প্যান ঘর সাজানোর কাজেও ব্যবহার করা যায়। ছোট প্যানে পেন্সিল, কাঁচি, সেলাইয়ের সুতা বা রান্নাঘরের ছোটখাটো জিনিস রাখা যায়। বড় হাঁড়ি ব্যবহার করা যেতে পারে খেলনা, বই বা অন্যান্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী রাখার জন্য। চাইলে রং বা নকশা করে এগুলোকে দেয়ালে ঝুলিয়ে ঘরের সাজে যোগ করতে পারেন একেবারে ভিন্ন মাত্রা।

পরিবেশ আর সৃজনশীলতার মেলবন্ধন
পুরোনো বাসন পুনঃব্যবহার করলে প্লাস্টিক ও ধাতব বর্জ্য কমে, কমে অপ্রয়োজনীয় কেনাকাটাও। এতে যেমন পরিবেশ রক্ষা হয়, তেমনই দৈনন্দিন জীবনে সৃজনশীলতার চর্চা বাড়ে।

তাই যখন কোনো বাসন ভাঙলে ফেলে দেওয়ার আগে একবার ভাবুন-এই জিনিসটাই হয়তো আপনার ঘরের সবচেয়ে সুন্দর অংশ হয়ে উঠতে পারে।

সূত্র: ইন্ডনেক্সা ডটকম, ম্যাজিক ব্রিকস, নিউজ ১৮

আরও পড়ুন:
ঘরকে প্রকৃতিক ছোঁয়া দিন বেতের পণ্যে, যেখানে পাবেন
মেকআপ ব্রাশ পরিষ্কার না করলে কী হয়, জানুন বিস্তারিত 

এসএকেওয়াই/

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।