ইফতারের জন্য কোন মৌসুমি ফলগুলো সেরা

লাইফস্টাইল ডেস্ক
লাইফস্টাইল ডেস্ক লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৮:০৬ পিএম, ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

রোজার দীর্ঘ সময় খালিপেটে থাকার পর ইফতারে কী খাবেন? এই প্রশ্নে পুষ্টিবিদরা বারবার একটি কথাই বলেন- মৌসুমি ফল রাখুন তালিকায়। কারণ মৌসুমি ফল শুধু সতেজই নয়, পুষ্টিগুণেও সমৃদ্ধ এবং শরীর সহজে গ্রহণ করতে পারে।

বাংলাদেশে কেবল শুরু হয়েছে বসন্ত। বাজারে আসতে শুরু করেছে গ্রীষ্মের কিছু ফলও, সেই সঙ্গে আছে আরও অনেক মৌসুমি ফল। এসব সহজলভ্য ফলগুলোর কয়েকটি ইফতারের জন্য বিশেষভাবে উপযোগী -

১. তরমুজ
তরমুজে প্রায় ৯০ শতাংশই পানি। সারাদিনের পানিশূন্যতার পর এটি শরীরকে দ্রুত রিহাইড্রেট করে। এতে থাকা লাইকোপিন ও ভিটামিন সি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে। ইফতারে ১–২ টুকরো তরমুজ শরীরকে ঠান্ডা ও সতেজ রাখতে সাহায্য করে।

ইফতারের জন্য কোন মৌসুমি ফলগুলো সেরা

২. কলা
সহজলভ্য ও পুষ্টিকর। কলায় পটাশিয়াম বেশি থাকে, যা ইলেকট্রোলাইটের ভারসাম্য রক্ষা করে এবং পেশির দুর্বলতা কমাতে সাহায্য করে। ইফতারে একটি মাঝারি কলা দ্রুত শক্তি দেয়।

৩. পেঁপে
হজমে সহায়ক এনজাইম সমৃদ্ধ পেঁপে ইফতারের জন্য ভালো বিকল্প। সারাদিন না খাওয়ার পর হালকা ও সহজপাচ্য ফল হিসেবে পেঁপে পেটের জন্য আরামদায়ক।

ইফতারের জন্য কোন মৌসুমি ফলগুলো সেরা

৪. আনারস
ভিটামিন সি ও ব্রোমেলিন এনজাইমে সমৃদ্ধ আনারস হজমে সহায়ক। তবে অতিরিক্ত খেলে কারও কারও ক্ষেত্রে অ্যাসিডিটি বাড়তে পারে।

৫. ডাবের পানি ও মাল্টা
ডাবের পানি প্রাকৃতিক ইলেকট্রোলাইট সরবরাহ করে। মাল্টা বা কমলালেবু ভিটামিন সি-এর ভালো উৎস, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়ক।

ইফতারের জন্য কোন মৌসুমি ফলগুলো সেরা

কেন মৌসুমি ফলই সেরা?

মৌসুমি ফল সাধারণত বেশি টাটকা, সংরক্ষণ কম লাগে এবং পুষ্টিমান তুলনামূলকভাবে ভালো থাকে। এগুলোতে প্রাকৃতিক শর্করা, ফাইবার, ভিটামিন ও খনিজ উপাদানের সমন্বয় থাকে, যা রোজা ভাঙার পর শরীরকে ধীরে ধীরে স্বাভাবিক শক্তিতে ফিরিয়ে আনে। পুষ্টিবিদদের পরামর্শ, ভাজাপোড়া এড়িয়ে ফল দিয়ে ইফতার শুরু করলে হজম ভালো হয় এবং অতিরিক্ত খাওয়ার প্রবণতা কমে।

সূত্র: হার্ভার্ড টি.এইচ. চ্যান স্কুল অব পাবলিক হেলথ, ওয়েবএমডি, বাংলাদেশ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (মৌসুমি ফল তালিকা)

এএমপি/এএসএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।