ছুটির পর ঘুম ভাঙছে না, বদলান এই অভ্যাসগুলো

লাইফস্টাইল ডেস্ক
লাইফস্টাইল ডেস্ক লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৮:৩১ এএম, ২৬ মার্চ ২০২৬
প্রতীকী ছবি, এআই দিয়ে বানানো

ঈদের দীর্ঘ ছুটির পর হঠাৎ করে আবার ভোরে ওঠার রুটিনে ফেরা অনেকের কাছেই কঠিন হয়ে ওঠে। অ্যালার্ম বেজে চললেও বিছানা ছাড়তে মন চায় না। দেরিতে ঘুমানো, অতিরিক্ত স্ক্রিন টাইম আর অনিয়মিত জীবনযাপন এই সমস্যাকে আরও বাড়িয়ে দেয়। তবে কিছু বৈজ্ঞানিকভাবে সমর্থিত অভ্যাস গড়ে তুললে সকালে ওঠা আর কষ্টকর মনে হবে না।

সকালে সতেজভাবে ঘুম ভাঙা আসলে একটি অভ্যাস, যা ধীরে ধীরে তৈরি করা যায়। শরীরের প্রাকৃতিক ছন্দ ঠিক রাখার জন্য প্রয়োজন নিয়মিত রুটিন ও সচেতন কিছু পরিবর্তন। গবেষণায় দেখা গেছে, কয়েকটি সহজ অভ্যাস মেনে চললে দিনের শুরু হতে পারে আরও প্রাণবন্ত ও স্বাচ্ছন্দ্যপূর্ণ।

প্রতিদিন একই সময়ে ঘুমানো ও জাগা

শরীরের নিজস্ব সময়সূচি বা বায়োলজিক্যাল ক্লক ঠিক রাখতে নিয়মিত ঘুমের সময় নির্ধারণ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিদিন একই সময়ে ঘুমাতে যাওয়া এবং জাগার অভ্যাস গড়ে তুললে শরীর স্বাভাবিকভাবেই সেই রুটিনে অভ্যস্ত হয়ে পড়ে। এমনকি ছুটির দিনেও এই সময়সূচি বজায় রাখার চেষ্টা করা উচিত।

ঘুমের আগে শান্ত একটি রুটিন তৈরি করুন

ঘুমানোর আগে অন্তত এক ঘণ্টা নিজেকে আরাম দেওয়ার জন্য রাখুন। এই সময়ে মোবাইল বা টিভি এড়িয়ে বই পড়া, ধ্যান করা বা হালকা গরম পানীয় পান করলে মস্তিষ্ক ধীরে ধীরে বিশ্রামের জন্য প্রস্তুত হয়। এতে ঘুম গভীর ও আরামদায়ক হয়।

আরও পড়ুন: 

স্ক্রিন টাইম কমিয়ে দিন

ঘুমানোর আগে মোবাইল, ল্যাপটপ বা ট্যাব ব্যবহার করলে সেগুলোর নীল আলো মস্তিষ্ককে বিভ্রান্ত করে। এতে ঘুমের জন্য প্রয়োজনীয় হরমোন নিঃসরণে বাধা সৃষ্টি হয়। তাই ঘুমানোর অন্তত আধা ঘণ্টা থেকে এক ঘণ্টা আগে স্ক্রিন থেকে দূরে থাকা ভালো।

মৃদু অ্যালার্ম বেছে নিন

হঠাৎ জোরে অ্যালার্ম বাজলে শরীর চমকে ওঠে এবং অস্বস্তি তৈরি হয়। এর বদলে ধীরে ধীরে শব্দ বাড়ে এমন কোমল সুরের অ্যালার্ম ব্যবহার করলে ঘুম ভাঙা অনেক স্বাভাবিক ও আরামদায়ক হয়।

সকালে সূর্যের আলো গ্রহণ করুন

ঘুম থেকে ওঠার পর কিছু সময় প্রাকৃতিক আলোতে থাকলে শরীর দ্রুত জেগে ওঠে। সূর্যের আলো শরীরের অভ্যন্তরীণ ঘড়িকে সক্রিয় করে এবং মন ভালো রাখার হরমোন নিঃসরণে সহায়তা করে। এতে সারাদিনই নিজেকে সতেজ লাগে।

দিনের শুরুটা কেমন হবে, তার ওপরই অনেকাংশে নির্ভর করে পুরো দিনের কর্মশক্তি ও মানসিক অবস্থা। তাই ঘুমের অভ্যাসে সামান্য পরিবর্তন এনে নিজেকে প্রাকৃতিক ছন্দে ফেরাতে পারলেই প্রতিটি সকাল হয়ে উঠতে পারে আরও প্রাণবন্ত ও ইতিবাচক।

তথ্যসূত্র: জি নিউজ ইন্ডিয়া

জেএস/

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।