এই গরমে ক্লান্তি দূর করবে লিচুর আইস টি

লাইফস্টাইল ডেস্ক
লাইফস্টাইল ডেস্ক লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৩:৫৮ পিএম, ১৮ মে ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

এই গরমে এক গ্লাস আইস টি শরীরকে ঠান্ডা ও সতেজ রাখে। শুধু পিপাসা মেটানোই নয়, আইস টি শরীরকে ভেতর থেকে রিফ্রেশ করে, ক্লান্তি কমায় এবং মনকেও হালকা করে তোলে। দুধ-চা ছাড়াও এখন গ্রিন টি, হারবাল টি, তুলসি বা পুদিনা দিয়ে আইস টি বানানোর ট্রেন্ড বেশ জনপ্রিয়। তবে আপনি কি কখনো লিচুর আইস টি খেয়েছেন? মিষ্টি স্বাদের এই পানীয় গরমের দিনে বেশ আরামদায়ক। খুব সহজেই ঘরেই বানিয়ে নেওয়া যায় দারুণ সুস্বাদু লিচুর আইস টি, যা গরমে শরীরকে ঠান্ডা রাখার পাশাপাশি ক্লান্তি দূর করবে।

আসুন জেনে নেওয়া যাক কীভাবে লিচুর আইস টি তৈরি করবেন-

jago

উপকরণ

  • লিচুর টুকরা ১ কাপ
  • লিচুর রস ১ কাপ
  • পানি ৩ কাপ
  • টি-ব্যাগ ২টি
  • মধু ২ চা চামচ
  • বরফের টুকরা প্রয়োজনমতো

প্রস্তুত প্রণালি

প্রথমে গরম পানিতে চা পাতা বা টি-ব্যাগ দিয়ে ৫ থেকে ১০ মিনিট ঢেকে রাখুন। যাতে চায়ের রং আর স্বাদ ভালোভাবে বের হয়ে আসে। এরপর চা ছেঁকে নিন। এবং সেটিকে স্বাভাবিক তাপমাত্রায় ঠান্ডা করে ফ্রিজে রেখে আরও ঠান্ডা করে নিন।

এরপর বিচি ছাড়া তাজা লিচু নিয়ে ব্লেন্ডারে সামান্য পানি দিয়ে ভালোভাবে ব্লেন্ড করে লিচুর জুস বা পিউরি তৈরি করে নিন। একটি গ্লাসে বরফ কুচি দিন। এবার ঠান্ডা করা চা, লিচুর রস এবং মধু মিশিয়ে ভালোভাবে নেড়ে নিন।ওপর থেকে আস্ত লিচু, লেবুর টুকরো ও পুদিনা পাতা দিয়ে সাজিয়ে পরিবেশন করুন।

jago

টিপস

  • লিচুর আইস টি আরও সুস্বাদু করতে সবসময় তাজা ও মিষ্টি লিচু ব্যবহার করার চেষ্টা করুন। অতিরিক্ত পাকা বা টক লিচু ব্যবহার করলে স্বাদ ঠিকভাবে আসে না।
  • চা বেশি গাঢ় করে বানাবেন না। খুব বেশি কড়া চা হলে লিচুর মিষ্টি স্বাদ চাপা পড়ে যেতে পারে। হালকা থেকে মাঝারি ফ্লেভারের চা আইস টির জন্য সবচেয়ে ভালো।
  • চা গরম থাকা অবস্থায় বরফ দেবেন না। এতে বরফ দ্রুত গলে গিয়ে পানীয়ের স্বাদ হালকা হয়ে যেতে পারে। তাই আগে চা পুরোপুরি ঠান্ডা করে নেওয়া ভালো।
  • পরিবেশনের ঠিক আগে বরফ দিন। আগে থেকে বরফ মিশিয়ে রাখলে আইস টি পাতলা হয়ে যেতে পারে।
    আরও আকর্ষণীয় দেখাতে গ্লাসের ভেতরে ছোট ছোট লিচুর টুকরো ব্যবহার করতে পারেন। এতে খেতেও ভালো লাগে এবং দেখতে আরও সুন্দর লাগে।

এসএকেওয়াই

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।