শিক্ষার্থী ঝরে পড়া রোধে দারিদ্র্যতা বাধা : অর্থমন্ত্রী
অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত বলেছেন, প্রাথমিক পর্যায়ে শিক্ষার্থী ঝরে পড়া রোধ করতে হলে দারিদ্র্যতা দূর করতে হবে। এজন্য তিনি সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠানকে এগিয়ে আসতে হবে।
শনিবার রাজধানীর শেরেবাংলানগর এলজিইডি মিলনায়তনে স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠান ভলান্টিয়ার্স এসোসিয়েশন ফর বাংলাদেশের (ভাব) পনের বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
অর্থমন্ত্রী বলেন, জ্ঞানভিত্তিক শিক্ষার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের কারিগরি শিক্ষায় দক্ষ করতে হবে। সুশিক্ষিত সমাজ গড়ে তোলার জন্য শিক্ষকদের নিবেদিত প্রাণ হিসেবে কাজ করতে হবে।
তিনি বলেন, বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা (এনজিও) বাংলাদেশে কার্যক্রম শুরুর পর, এদেশ থেকে স্বেচ্ছাসেবামূলক কর্মকাণ্ড বিদায় নিয়েছে। আবার এনজিও’র কর্মকাণ্ড পুরোটা স্বেচ্ছাসেবামূলক নয়। তবে দেশে শিক্ষার বিস্তারসহ নানা ধরনের উন্নয়ন কার্যক্রম ত্বরান্বিত করতে সরকারের পাশাপাশি ব্যক্তি উদ্যোগ বা বেসরকারী প্রতিষ্ঠানকে এগিয়ে আসার প্রয়োজন।
অনুষ্ঠানে গর্ভনর ড. আতিউর রহমান বলেন, শিক্ষার জন্য সরকার যে বাজেট নির্ধারণ করে তা দিয়ে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার মান রাতারাতি উন্নয়ন সম্ভব নয়। এজন্য তিনি বেসরকারি ও ব্যক্তিখাতের প্রতিষ্ঠানগুলোকেও সামাজিক দায়বদ্ধতার জায়গা থেকে এগিয়ে আসার আহবান জানান।
তিনি বলেন, দেশের সকল শিক্ষার্থী যেন আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি সম্বলিত গুণমানের শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ পায় সেটিই প্রত্যাশা করছি। আর শিক্ষার্থীদের এ সুযোগ তৈরি করে দেওয়ার দায়িত্ব সরকারের, সামাজিক প্রতিষ্ঠানগুলোর এবং আমাদের সকলের।
গভর্নর আরো বলেন, যে সকল প্রতিষ্ঠান শিক্ষার মান্নোয়নে কাজ করছে, ব্যাংকসমূহ তাদের সিএসআরের একটি অংশ এসব প্রতিষ্ঠানকে প্রদান করতে পারে। এতে দেশব্যাপী শিক্ষা বিস্তারে তাদেরও সামাজিক দায়বদ্ধতা পালন করা হবে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আতিউর রহমান। এতে অন্যান্যের মধ্যে ভাবের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য শিক্ষাবিদ ড. জামিলুর রেজা চৌধুরী, সংস্থার প্রেসিডেন্ট ড. এ টি রফিকুর রহমান, কান্ট্রি ডিরেক্টর ড. জসিমউজ্জামান ও প্রোগ্রাম ম্যানেজার এম এ আলিম খান বক্তব্য রাখেন।
-আরএস